প্রেমিক ও স্বামী— দুজনকে নিয়েই যে নারীর বসবাস

দুই সন্তানের মা মারিয়া বুজকি অন্য লোকের হাত ধরে তার স্বামীকে ছেড়ে যান। চলে যাওয়ার পর তিনি স্বামীকে খুব মিস করতে থাকেন। আবার তার স্বামীর কাছে ফিরে যেতে ইচ্ছা হয়। কিন্তু একই সঙ্গে তিনি এও ভাবতে পারেন না নতুন প্রেমিককে ছাড়া তিনি কী করে বাঁচবেন! তখন স্বামী ও প্রেমিকের সঙ্গে কথা বলে ঠিক করেন তারা যদি রাজি থাকেন তবে তিনি তাদের দুজনকে নিয়েই একসঙ্গে থাকতে চান।

মারিয়ার স্বামী পল এবং প্রেমিক পিটার তাতে রাজি হয়। তারপর থেকে স্বামী ও প্রেমিককে নিয়ে মারিয়া একই ছাদের নিচে বসবাস করছেন। তাদের দুই মেয়ে। বড় মেয়ে লরার বয়স ১৬, ছোট মেয়ে এমির বয়স ১২। তারাও বিষয়টি ভালোভাবে মেনে নেয়। 

মারিয়া বলেন, ‘লোকজন শুনলে অদ্ভুতই ভাববে ব্যাপারটা। কিন্তু আমি আর কী করতে পারতাম। সংসারে আমার আর মন বসছিল না। পল আর আমি প্রায় ভাইবোন হয়ে যাচ্ছিলাম। আমরা একসঙ্গে রান্নাবান্না করি, কাপড় ধুই, বাচ্চাদের দেখাশোনা করি, কিন্তু আমাদের মধ্যে দাম্পত্য সম্পর্কের আর কোনো ব্যাপার ছিল না। তখন পিটার আসে আমার অফিসের ম্যানেজার হয়ে। খুব দ্রুতই তার সঙ্গে আমার একটা বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।’ 

মারিয়া জানান, ধীরে ধীরে পিটারকে তিনি অনুভব করতে থাকেন। কখন যে তার প্রেমে পড়ে যান, নিজেও টের পাননি। এক সময় মারিয়া তার স্বামী পলকে জানান, তিনি অন্য এক লোকের প্রেমে পড়েছে। পলের সঙ্গে কথাবার্তা বলেই মারিয়া পিটারের কাছে চলে যান।

কিন্তু প্রেমিকের কাছে চলে যাওয়ার পর পলের জন্যও মারিয়ার মন কাঁদছিল। তার কিছু ভালো লাগছিল না। বাচ্চাদের কথাও মনে পড়ছিল। কী করবেন কিচ্ছু বুঝতে পারছিলাম না। কয়েক দিন পরই মারিয়া পিটারকে বললেন, ‘আমার ফ্যামেলি ছাড়া আমি থাকতে পারব না। পিটার বলল, তাহলে চলে যাও। কিন্তু পিটারকে ছাড়া আমি কীভাবে যাই? বললাম, তুমিও চল। পিটারকে নিয়ে এলাম। আমার স্বামীকে সব বুঝিয়ে বললাম। বাচ্চারা তখন ছোট। পল পিটারকে ভালোভাবেই মেনে নিল। বাচ্চারাও পছন্দ করল পিটারকে। তারপর আমরা একসঙ্গেই থাকতে শুরু করলাম।’

পিটারকে পলও খুব পছন্দ করে। তাদের মধ্যে চমৎকার বন্ধুত্ব। একসঙ্গে মাছ ধরতে যায়। ঘুরতে বেরোয়। তাদের কোনো সমস্যাই হচ্ছে না। বরং সংসারের অনেক কাজ দুজন ভাগাভাগি করে করে। সংসার জীবন সম্পর্কে মারিয়া জানান, পিটার নিচতলায় সোফায় ঘুমায়। পিটারকে তিনি তখনই নিজের রুমে নিয়ে যান যখন পল বাড়ি থাকে না। 

মারিয়া আরো বলেন, অনেকেই আমাদের অদ্ভুত সম্পর্কের কথা শুনে অবাক হন। তারা আমাকে নানারকম উপদেশও দেন। কেউ বলেন, আমার শুধু পলের সঙ্গেই থাকা উচিত। আর না-হয় তাকে ছেড়ে পিটারের কাছে চলে যাওয়া উচিত। এতে করে নাকি আমি দুজনকেই ঠকাচ্ছি। কিন্তু আমি তাকে বলি, স্বামীর সঙ্গ ছাড়াছাড়ি না করেও তো সুন্দর থাকা যায়। আমাদের মধ্যে কোনো ঈর্ষা-বিদ্বেষ বা রাগ-ক্ষোভও নেই। এমন তো হতেই পারে আপনার একই সঙ্গে দুজন মানুষকে ভালো লাগতে পারে। তখন আপনি কী করবেন? একজনকে ছেড়ে আরেকজনের কাছে চলে যাওয়ার চেয়ে দুজনকে একসঙ্গে নিয়েই থাকা ভালো না?


হাসি ও গম্ভীর মুখের পার্থক্য
আমরা কথায় কথায় কাউকে না কাউকে ছাগল বলে ফেলি। ছাগল
বিস্তারিত
স্কুলে শিক্ষক একজন, শিক্ষার্থীও এক!
ভারতের কলকাতার ঝাঁ চকচকে গুরুগ্রাম (গুরগাঁও) থেকে মাত্র ৬০ কিমি
বিস্তারিত
হাতে হেঁটে ১০ কিমি. পাড়ি!
প্রবল ইচ্ছাশক্তির কঠিন পরীক্ষা দিয়েছেন সোলায়মান মাগোমেদয়। রাশিয়ার দাগেনস্টানের ৫৩
বিস্তারিত
৬৬ বছর পর নখ কাটলেন
হাতের নখ কাটাতে ভারতের পুনে থেকে নিউ ইয়র্কে উড়ে গেলেন
বিস্তারিত
দুই মাথাওয়ালা বাছুর দুধ পান
দুই মাথাওয়ালা এই বাছুরের জন্ম হয়েছে ব্রাজিলের গোইয়া প্রদেশের কাইয়াপোনিয়া
বিস্তারিত
১৮৫ কেজি ওজনের উড়ন্ত মাছ!
গল্পের মতো মনে হলেও সত্যি। মাছও উড়তে পারে। এতদিন নাম
বিস্তারিত