পবিত্র স্নান

দরজা খোলার পর তুমি দেখবে স্নিগ্ধ এক সন্ধ্যার আকাশ

যেখানে দানবীয় ইতিহাস একটিও নেই আগের মতো

নিখুত বাঁশির সুর শুনে বজ্রবৃষ্টি গড়িয়ে নামবে
থরথর কেঁপে উঠবে হৃদয়ের দারোয়ান; 
অস্পষ্ট হৃৎপি-ের কণিকায় নিখুঁত শব্দরা
ঝরনার মতো ঝরতে থাকবে পলাশের রক্ত
তখনই তুমুল নিস্তব্ধতায় ফুলেশ্বরীর মোলায়েম কণ্ঠস্বর

যেদিন থেকে আমাকে ভালোবাসতে শুরু করলে
বদলে যেতে থাকল চারপাশের রং
সবুজের ভেতর চূড়ান্ত যৌবন
মুহূর্তে মুহূর্তে পেরিয়ে যাচ্ছি সব অপরাধ আর তোমাকে
তোমার চোখে রক্তগঙ্গার বাতাস
বাতাসে তুমুল ঢেউনৃত্য

অদ্ভুত নিয়মনীতির ডালে আমাকে ছাড়া কিছুই দেখছ না
বাস্তবে সব অবাস্তব মিলেমিশে একাকার
তোমাকে স্বপ্নের সিঁড়িতে দাঁড় করিয়ে উড়তে থাকি আরেকটি কল্পনা
তোমার খোপায় আমার স্পন্দন
নাকে স্বর্গীয় ফ্লেভার 
বাহুর প্রতিটি শিরায় শ্বাসরশ্মি
চোখের গলিতে-উচ্চারণ উদ্দীপন
ঠোঁটের আগুনে ফুটছে খই
পুড়ে যাচ্ছে আমার চুম্বন ছোঁয়া
যেখানেই ফুল ফোটানোর প্রতিজ্ঞা।

ঠোঁটে ফোটা ফুল দেখতে তুমি দাঁড়িয়ে ছিলে 
অনন্ত বৃষ্টির ত্বকে ত্বকে
ঘনস্রোতের রগে
কিংবা উধাও হওয়া অজস্র চাদরের নিচে
যেখানে মেঘেরা নিয়মিত দুঃখগুলো সংকলিত করে কাঁদে 
আড্ডা দিতে দিতে
আশ্চর্য সেই মেঘ তবু প্রতিদিন আসে
হয়তো অনিয়মের রেখায় ভালোবেসে

দেখলাম রক্তরঙা ঠোঁটে মেঘের ভালোবাসা খেলা করে
আর আমি তোমাকে ভেবে নিলাম মেঘ
তুমি প্রবল বৃষ্টি হয়ে ভাসিয়ে নিবে শহর আর গ্রামের ময়লাস্তূপ
সুন্দর-অসুন্দর বাগানে ফুটবে দারুণ বসন্ত ফুল
আর আমি নিম্নবর্গীয় হাত পেতে আশ্রয় খুঁজি, 
হে অনিন্দ্য সুন্দর ফুল সকল
তোমার পবিত্রতায় আমাকে স্নান দাও।


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত