স্মৃতির কৌটা

মানুষের একটি স্মৃতির কৌটা থাকে।

আমি সেখানে রেখেছি বিড়ালের চোখের মতো দুটি মার্বেল
দুটিই মীর
ক’টি রাংতা কাগজ
প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্র, লোহালক্কড়
একটি শুকনো কাঁঠাল পাতা, একটি ময়ূরের পেখম
ঘুড়ির রঙিন কাগজ, সুতা, নাটাই, লাটিম
আর একখ- চুম্বক

উপরে পয়সা রেখে কাগজের নিচে চুম্বক ঘুরিয়ে
মাকে জাদু দেখিয়েছিলাম।
মা অবাক হয়ে বলেছিলেন
ওরে জাদু আমার লক্ষ্মী আমার। 

আমি চুম্বকের জাদুকরি খেলায় মজেছি জীবনভর।

একতা দেখি মানুষ ও একখ- চুম্বক।
কাছে এলে আটকে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা
চুম্বক হাঁটাচলা করে, ঘর করে, সংসার করে
আমার ছোটবেলার সেই চুম্বকখ- কোথায় জানি না; আর
মানুষের চৌম্বক ক্ষমতা শেষ হয়ে গেলে
মানুষও স্মৃতির কৌটায় ঘুমিয়ে থাকে। 


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত