স্মৃতির কৌটা

মানুষের একটি স্মৃতির কৌটা থাকে।

আমি সেখানে রেখেছি বিড়ালের চোখের মতো দুটি মার্বেল
দুটিই মীর
ক’টি রাংতা কাগজ
প্রয়োজনীয় সব জিনিসপত্র, লোহালক্কড়
একটি শুকনো কাঁঠাল পাতা, একটি ময়ূরের পেখম
ঘুড়ির রঙিন কাগজ, সুতা, নাটাই, লাটিম
আর একখ- চুম্বক

উপরে পয়সা রেখে কাগজের নিচে চুম্বক ঘুরিয়ে
মাকে জাদু দেখিয়েছিলাম।
মা অবাক হয়ে বলেছিলেন
ওরে জাদু আমার লক্ষ্মী আমার। 

আমি চুম্বকের জাদুকরি খেলায় মজেছি জীবনভর।

একতা দেখি মানুষ ও একখ- চুম্বক।
কাছে এলে আটকে যায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা
চুম্বক হাঁটাচলা করে, ঘর করে, সংসার করে
আমার ছোটবেলার সেই চুম্বকখ- কোথায় জানি না; আর
মানুষের চৌম্বক ক্ষমতা শেষ হয়ে গেলে
মানুষও স্মৃতির কৌটায় ঘুমিয়ে থাকে। 


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত