সৌভাগ্যের মূলে রয়েছে পরিশ্রম

পরিশ্রম উন্নতির চাবিকাঠি। সৌভাগ্য নিয়ে পৃথিবীতে কোনো মানুষের জন্ম হয় না। কর্মের মাধ্যমে মানুষকে নিজের ভাগ্য গড়ে নিতে হয়। পরিশ্রমই সৌভাগ্য বয়ে আনে। উদ্যম, চেষ্টা ও শ্রমই জীবনে উন্নতির হাতিয়ার, সৌভাগ্যের চাবিকাঠি। কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে কঠিন কাজও সহজ হয়। 
জীবনে উন্নতি করতে হলে পরিশ্রমের কোনো বিকল্প নেই। পরিশ্রম ছাড়া কেউ কখনও তার ভাগ্য গড়ে তুলতে পারেনি, পারে না। জীবনে খ্যাতি, যশ, অর্থ, প্রতিপত্তি কোনোটাই পরিশ্রম ছাড়া অর্জন করা সম্ভব নয়। তাই বলা হয়Ñ পরিশ্রম সৌভাগ্যের প্রসূতি।
পরিশ্রমের মাধ্যমে কঠিন কাজও সহজ হয়। যে জাতি যত বেশি পরিশ্রমী, সে জাতি তত বেশি উন্নত। কোনো কাজ একবার শুরু করলে তা নিয়ে দ্বিধান্বিত হওয়া উচিত নয়। সফল হওয়ার অদম্য ইচ্ছা আর পরিশ্রম দিয়ে সেই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত করে যেতে হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু প্রতিভা দিয়েই সফলতা অর্জন হয় না; সফলতার জন্য প্রতিভার সঙ্গে প্রয়োজন ধৈর্য, প্রচ- ইচ্ছাশক্তি ও কঠোর পরিশ্রম। একাগ্রচিত্তে পরিশ্রম করলে সফলতা একদিন দরজায় কড়া নাড়বে। যদি আপনি জীবনে সফল হন, তাহলে আপনার ন্যায়নিষ্ঠা, একাগ্রতা ও নিপুণতা অন্যদের উৎসাহ-উদ্দীপনা ও প্রেরণা জোগাবে। তাই বড় কিছু অর্জনের জন্য যতটা সম্ভব কঠোর পরিশ্রম করতে হবে। 
মার্কিন লেখক সনডা রাইমস বলেছেন, জীবনে যা করবে, তা-ই ফেরত পাবে। যতটুকু করবে ততটুকুই ফেরত পাবে। যারা বসে থেকে পারফেকশন খোঁজে, তারা এগোতে পারে না। কাজটা শুরু করার আগে ‘আমি বোধহয় পারব না’ এমনটা ভেবো না। তোমার চেষ্টাটা তুমি অব্যাহত রাখ। যদি ভুল হয়, তাহলে কাজের সঙ্গে ভুলটাও থাকুক; অস্থির হওয়ার কিছু নেই।

বিখ্যাত মনীষী রালফ ওয়ালডো এমারসন বলেছেন, ‘জীবন হলো অনেকগুলো শিক্ষণীয় বিষয়ের সমন্বয়, যে বিষয়গুলো জানতে পুরো জীবন পার করতে হবে।’ 

সনডা রাইমস আরও বলেছেন, সকাল থেকে সন্ধ্যাÑ এই পুরো সময়টাই আমি ব্যস্ত থাকি। অনেকেই আমাকে বলে, আপনি বেশ পরিশ্রম করতে পারেন। আমি বলি, পরিশ্রম কোথায়? আমি তো আনন্দ করছি। পরিশ্রম মনে করলে আমি টানা কাজ করতে পারতাম না। তাই প্রচুর পরিশ্রম করো, তবে অবশ্যই সেটাকে আনন্দে পরিবর্তিত করতে হবে। 

অন্যদিকে, ব্রিটিশ পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং মানুষটিই এক অনুপ্রেরণার নাম। গত ১৪ মার্চ তিনি মৃত্যুবরণ করেছেন। তিনি বলেছেন, জীবনটা যতই কঠিন মনে হোক না কেন, সবসময় তোমার নিশ্চয়ই কিছু না কিছু করার এবং সফল হওয়ার সুযোগ আছে।

তিনি আরও বলেছেনÑ প্রথমত, মাটির দিকে নয়, বরং আকাশের ওই তারাগুলোর দিকে চোখ রাখতে কখনও ভুলো না। দ্বিতীয়ত, তুমি যা-ই কর না কেন, হাল ছেড়ো না। তোমার কাজই তোমাকে জীবনের অর্থ আর উদ্দেশ্য খুঁজে পেতে সাহায্য করবে। কাজ ছাড়া জীবনটা নিরর্থক। তৃতীয়ত, তুমি যদি ভালোবাসা পাওয়ার মতো যথেষ্ট সৌভাগ্যবান হও, তবে এই ভালোবাসাকে কখনও ছুড়ে ফেলো না। তার (পদার্থবিদ স্টিফেন হকিং) কথা নিশ্চয়ই তরুণদের অনুপ্রেরণা দেবে।
আর জীবনে সফল হতে এবং স¦প্ন বাস্তবায়িত করতে হলে তরুণদের কঠোর পরিশ্রম করতে হবে।


ক্যারিয়ার গঠনে পরামর্শ
প্রতি বছর কলেজ এবং ইউনিভার্সিটির নতুন ডিগ্রিধারীরা বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক চাকরির
বিস্তারিত
‘তথ্যে তারুণ্যে নিত্য সত্যে’ প্রতিপাদ্য
‘তথ্যে তারুণ্যে নিত্য সত্যে’ প্রতিপাদ্য নিয়ে বর্ণাঢ্য আয়োজনে ১৯ সেপ্টেম্বর
বিস্তারিত
জাবির ২৫ শিক্ষার্থী জাপানে চাকরি
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৫ শিক্ষার্থীকে
বিস্তারিত
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে ‘টিআইবি-ডিআইইউ ইয়েস
ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ
বিস্তারিত
চট্টগ্রামে ১০ দিনব্যাপী রবি-দৃষ্টির বিতর্ক
চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমি অডিটরিয়ামে রবি-দৃষ্টির আয়োজনে ১০ দিনব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতা
বিস্তারিত
ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শীতকালীন সেমিস্টারের নবীনবরণ
নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে দেশের অন্যতম বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, ইস্টওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়
বিস্তারিত