মুসলমানের পাঁচ কালেমা


কালেমা ইসলামের মৌলিক বিশ্বাসসংবলিত কয়েকটি আরবি পঙ্ক্তির নাম। এর মাধ্যমেই ইসলামের প্রথম স্তম্ভ পূর্ণতা পায়। ইসলামে কালেমার গুরুত্ব ও মর্যাদা অনেক। কালেমার মূল অবকাঠামো হচ্ছে বিশ্বাস। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি এমতাবস্থায় মারা যায় যে, সে জানে আল্লাহ ছাড়া কোনো সঠিক উপাস্য নেই, সে জান্নাতে যাবে।’ (মুসলিম : ১/৫৫)। নিচে ইসলামের পাঁচ কালেমার বাংলা উচ্চারণ ও অনুবাদ তুলে ধরা হলো।

কালেমায়ে তাইয়্যেবা
আরবি উচ্চারণ : লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।
বাংলা অর্থ : আল্লাহ এক, আর কোনো মাবুদ নেই। হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রেরিত রাসুল।

কালেমায়ে শাহাদৎ
আরবি উচ্চারণ : আশহাদু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু, ওয়াহ্দাহু লা শারিকালাহু, ওয়া আশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাসুলুহু।
বাংলা অর্থ : আমি সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, আল্লাহ ছাড়া অন্য কোনো প্রভু নেই। তিনি এক। তার কোনো অংশীদার নেই এবং আমি আরও সাক্ষ্য প্রদান করছি যে, নিশ্চয়ই হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহ প্রেরিত বান্দা ও রাসুল।

কালেমায়ে তামজিদ
আরবি উচ্চারণ : সুব্হানাল্লাহি ওয়াল হামদুলিল্লাহি ওয়া লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া-লা-হাওলা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহিল আলিইল আজিম।
বাংলা অর্থ : মহিমা ও সব প্রসংশা আল্লাহর জন্য, আল্লাহ ব্যতীত আর কোনো উপাস্য নেই। আল্লাহ মহান, সর্বশক্তিমান ও সর্বক্ষমতাবান। আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ নয়। তিনিই মহান।

কালেমায়ে তাওহিদ
আরবি উচ্চারণ : লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহ দাহু লা-সারিকা লা-হু, লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু, ইহহি ওয়া উমিতু বি ইয়াসি হিল খাইরু ওয়াহুওয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির।
বাংলা অর্থ : আল্লাহ এক আর কোনো মাবুদ নেই, তিনি এক তার কোনো অংশীদার নেই। সব সৃষ্টি জগৎ এবং সব প্রশংসা তারই। তিনি জীবন দান করেন আবার তিনিই মৃত্যুর কারণ। তার হাতেই সব ভালো কিছু এবং তিনিই সৃষ্টির সবকিছুর ওপর ক্ষমতাবান।

কালেমায়ে রদ্দে কুফর
আরবি উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিন্ আন্ উশিকা বিকা শাইআওঁ, ওয়া আনা আলামু বিহি, ওয়া আস্তাগফিরুকা লিমা আলামু বিহি, ওয়ামা লা-আলামু বিহি, তুব্তু আন্হু ওয়া তাবাররাতু মিনাল কুফরি ওয়াশ শিরকি ওয়াল মায়াছি কুল্লিহা, ওয়া আসলামতু ওয়া আমানতু ওয়া আকুলু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ।
বাংলা অর্থ : হে আল্লাহ! আমি তোমার কাছে আকাক্সক্ষা করছি যে, আমি যেন কাউকে তোমার সঙ্গে শরিক না করি। আমি আমার জ্ঞাত ও অজ্ঞাত পাপ থেকে ক্ষমা প্রার্থনা করছি এবং তা থেকে তওবা করছি। কুফরি, শিরক ও অন্য সব পাপ থেকে দূরে থাকছি। এবং স্বীকার করছিÑ আল্লাহ এক আর কোনো মাবুদ নেই। হজরত মুহাম্মদ (সা.) আল্লাহর প্রেরিত রাসুল।


ইসলামে নারীর অর্থনৈতিক অধিকার
ইসলামের আগমনের আগে গোটা পৃথিবী নারী জাতিকে অপ্রয়োজনীয় মনে করে
বিস্তারিত
বাইয়ে ঈনা ও প্রচলিত সমিতি
‘বাইয়ে ঈনা’ শব্দটির অর্থ হলো বাকি। বাইয়ে ঈনা মূলত দুই
বিস্তারিত
দেনমোহর নারীর অধিকার
দ্বিতীয় খলিফা হজরত ওমর (রা.) এর শাসনকাল। বিয়ের দেনমোহর নিয়ে
বিস্তারিত
আল্লাহর মাস মহররমের মর্যাদা
মহররমের রোজা শ্রেষ্ঠ নেকি ও সেরা আমল। ইমাম মুসলিম তার
বিস্তারিত
আশুরায় করণীয় বর্জনীয়
‘রাসুল (সা.) মদিনায় হিজরত করে ইহুদিদের আশুরার রোজা রাখতে দেখে
বিস্তারিত
আলেম বিদ্বেষের ভয়াবহ পরিণাম
উম্মাহর ক্রান্তিলগ্নে ঝড়ের রাতে মাঝ নদীতে একজন দক্ষ নাবিকের ভূমিকা
বিস্তারিত