কে কারে করিবে ক্ষমা

তুমি এক অনন্তের পাখি। 

গাছে গাছে বনে বনে মনে মনে
আকাশের মেঘে মেঘে গান গাওÑ
পথে পথে বাঁধো হৃদয়ের রাখি।

তুমি উড়ে উড়ে দূরে চলে যাও
ফিরে ফিরে আসো, ভালোবাসো।
তবু তুমি কেন এত কষ্ট পাও? 
কেন তুমি আমাকে কাঁদাও?

তুমি রাধা নওÑ নও তো পাঞ্চালী।
তুমি বৃন্দাবনে খোলো না দেহের ভাঁজ;
নদীকূলেÑ গঙ্গা-যমুনার সুখে 
দেবী, তুমি সর্বদেহে মনে 
সমর্পিত নও পঞ্চপা-বের বুকে। 
কামরাঙা লাইলীর মতো তুমি একা মরে যাওÑ
একা ভেসে যাও প্রেমের সাগরে। 

তুমি এক আটপৌরে নারীÑ তুমি শঙ্খমালা;
তুমি সোনার প্রতীমা, শ্যামাÑ সুন্দরের ছবি;  
তোমার নীরব চোখে অস্থির প্রতীক্ষা করে 
এক চ-ীদাসÑ শ্যামাঙ্গীর রূপমুগ্ধ কবি;

কোথায় হারিয়ে যেতে চাও তুমি?
জীবন সহজ হয়, মরণ সহজ তবু
প্রেম যদি অপরাধÑ তবে, প্রিয়তমা
কার এত শক্তি বলো, এত স্পর্ধা কার? 
কে কারে করিবে ক্ষমা? 


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত