আমি কবি, আর কিছু নই

একটি কবিতা লেগে আছে বুকের কাছে

তার কণ্ঠের ধ্বনি শুনি আমি মাঝে মাঝে
ছোঁয়া যায় নাকো, ধরা যায় নাকো
বুকের কাছে ঠিক মাঝখানে
অমরতা সঞ্চারী চেয়ে থাকি
তার ফেরানো মুখের পানে
নানান ছন্দে নানাবিধ গানে গানে

আমি জানি নাকো সে জানে সে তো সবই জানে
তাকে ছুঁতে চাই, স্পর্শের জাদুমন্ত্রে
সে আছে বলেই আমি তো আর একা নই,

আছি দুইজনা খেলার ছলে,
বক্ষে জ্বলে অমরতা

আমি কবি, আর কিছু নই
কথা বলি তার মুখপানে চেয়ে
একা নই আমি জোড়বাঁধা ভূতলে

আমি কবি, আর কিছু নই।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত