বস্ত্র প্রকৌশলীদের মিলনমেলা

​উৎসবমুখর পরিবেশ আর বর্ণিল আয়োজনের মধ্য দিয়ে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ‘মিলনমেলা ২০১৮’ উদযাপিত হয়েছে। ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ ১৪২৫ সাবেক ও বর্তমান শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ক্যাম্পাস আনন্দে মুখর ছিল। সবার উপস্থিতিতে উপচে পড়েছিল আবেগ আর উচ্ছ্বাসের মাতাল হাওয়া। বাঙালির ইতিহাস আর ঐতিহ্যের ধারক বাংলা নববর্ষের সঙ্গে মিলনমেলা যুক্ত হওয়ায় এ দুই উপলক্ষকে কেন্দ্র করে ব্যানার, ফেস্টুন আর আলপনার বর্ণিল সাজে সেজেছিল পুরো ক্যাম্পাস। 

প্রথম ব্যাচ থেকে শুরু করে দশম ব্যাচ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে আয়োজনটি ছিল মনোমুগ্ধকর আর আকর্ষণীয়। সকাল থেকেই শিক্ষার্থীরা দলে দলে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। দীর্ঘদিনের বন্ধুকে কাছে পেয়ে খোশগল্পে মেতে ওঠে সবাই। মুহূর্তগুলো ধরে রাখতে ক্যামেরাবন্দিও করেন কেউ কেউ। আনন্দের এই দিনে বিটেক অডিটরিয়ামটি নান্দনিকতা ও খুশির বন্যায় ভাসছিল। 

সকাল ১০টায় আয়োজক কমিটির প্রধান মো. সাইফুল ইসলামের স্বাগত ব্যক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা হয়। এরপর সাবেক শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে মো. নুরুদ্দীন, আবদুল হক আকন্দসহ অনেকে স্মৃতিচারণমূলক বক্তব্য দেন, যা সাবেক সব শিক্ষার্থীকে পেছনে ফেলে আসা শিক্ষাজীবনের সেই সুন্দর দিনগুলো মনে করিয়ে দেয়; তাদের নিয়ে যায় স্মৃতির আঙিনায়। ২০০৭ সালে একটি মাত্র ডিপার্টমেন্টে ২০ শিক্ষার্থী নিয়ে টাঙ্গাইল টেক্সটাইল ইনস্টিটিউটে অস্থায়ী ক্যাম্পাসে যাত্রা শুরু। বর্তমানে ১৩ একর জায়গার ওপর অবস্থিত স্থায়ী ক্যাম্পাসে প্রতি বছর চার ডিপার্টমেন্টে ১২০ শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ রয়েছে। মিলনমেলায় সাবেক শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসে কাটানো মজার স্মৃতিমন্থনের পাশাপাশি নবাগতদের দিকনির্দের্শনামূলক পরামর্শ দেন। 

অনুষ্ঠানের মাঝপথে আনন্দের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিতে বর্তমানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী দেশের টপ রেটেট ফ্রিল্যান্সার আবু হায়াত কমিউনিটি ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন। নবীন-প্রবীণ সব শিক্ষার্থীর সর্বশেষ তথ্যসমৃদ্ধ এই আধুনিক সাইটে শিক্ষার্থীরা সহজে নিজেদের অবস্থান, সংবাদ ও নিয়োগসংক্রান্ত তথ্য আদান-প্রদান করতে পারবেন। এতে বন্ধুত্ব ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও সুদৃঢ় করে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার পথ সুগম করবে। 

এরপর শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন মিলনমেলার অন্যতম সমন্বয়ক আখতারুজ্জামান ও মো. কুতুব। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইঞ্জিনিয়ার মো. আবদুল মজিদ। সভাপতি তার বক্তব্যের মধ্যমে আয়ের দেশে পদার্পণে বস্ত্র প্রকৌশলীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। পাশাপাশি এক দশক সময় ধরে দেশের বস্ত্রশিল্পকে আরও বেগবান করতে এই প্রতিষ্ঠানের অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে দেন। আয়োজক কমিটিকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে প্রতি বছর বস্ত্র প্রকৌশলীদের মিলনমেলার আয়োজন করার আহ্বান জানান তিনি।  

মধ্যাহ্নভোজের বিরতির পর ছিল অনাবিল মুগ্ধতা ছড়ানো ক্যারিয়ার নির্দেশনামূলক পর্ব ‘ভয়েজ অফ বিটেকিয়ান’। ক্রমবর্ধমান বস্ত্র খাতের নানারকম চ্যালেঞ্জিং বিষয় নিয়ে আলোকপাত করেন কর্মক্ষেত্রে জ্যোতি ছড়ানো কিছু উজ্জ্বল নক্ষত্র। এ পর্বে নবীন বস্ত্র প্রকৌশলীদের মাঝে নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা শোনান লাকসা ইন্টারন্যাশনাল লিমিটেডের আইই অ্যান্ড প্ল্যানিং ম্যানেজার মিথুন দে, ওপেক্স অ্যান্ড সিনহা গ্রুপের ওয়াশিং ম্যানেজার সাইফুল বিলু ও এইচ অ্যান্ড এমের কোয়ালিটি কন্ট্রোলার আকমল হোসেন। পুরো অনুষ্ঠান সঞ্চালনার দায়িত্ব পালন করেন নুরিস্তা পারভীন, মো. কুতুব ও তানজীর হোসেন। বিকালে নবীন-প্রবীণ সবার অংশগ্রহণে এক প্রীতি ক্রিকেট ও ফুটবল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। এভাবে দিনভর আনন্দ আর উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শেষ হয় বস্ত্র প্রকৌশলীদের মিলনমেলা। ছবি : লেখক


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত