ঋদ্ধতার গান

এখন রুমি, উনিশতম রাত্তিতে 
এমন একটা কক্ষে আমি আছি
যেখানে কৃত্রিম আলো হাওয়ার মাঝে 
মানুষের উচ্ছ্বাস সযতেœ ঘুমিয়েছে

মনে পড়ছে হাজার প্রাণের উচ্চারণসমÑ
আমাদের শ্রমণ, সেদিন দেহকে মাটি পর্যন্ত ছুঁতে দেয়নি 
তুমিও তো সোনা, আমিও তো 

অথচ অশান্ত আয়ু-অবধি 
এই আক্রান্ত মাংস-মজ্জার রাগে
এখন কী করে ঘুমাই বলো
এমন তো পরিচ্ছন্ন পরাগ নেই
যা তোমার দেহ থেকে উপচে পড়েছে
এমন তো মখমল বুঝি না 
যা সেদিন জাপটে ধরেছিল মমতায়

এরকম সুন্দর বয়ান কীভাবে পড়া হয় 
সহ্যহীন, যন্ত্রণাহীনÑ অনঙ্গ নিয়মে!
তাই স্পর্শাতীত কিছুমাত্র শব্দবিধিতে 
লিখে যাচ্ছি রুমি
শেষ ঋদ্ধতার কথা

যে নৃত্য-হলাহল ছিঁড়ে ফেলে ধ্যানির আসন
রাজার অহং দিত মুছেÑ 
সে তোমার গভীর কামনা  
না না আর বুঝি না 
আর তো জানি না, না... 


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত