আমি জানি এ সময় কেমন হয়

অনলাইন নিপীড়নের বিরুদ্ধে কাজ করছেন মনিকা লিউনস্কি

প্রায় এক দশক পর অনলাইন নিপীড়নের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৬ সালের মধ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন হোয়াইট হাউসের কর্মচারী মনিকা লিউনস্কি। তিনি দেশটির ৪২তম প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের শাসনামলে ইন্টার্ন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। হঠাৎ কেন তিনি এ নিয়ে মেতেছেন? এমন প্রশ্ন এখন সবার মুখে মুখে। অনেকেই বলছেন, দেশটির মার্কিন নির্বাচনে রিপাবলিকানদের সুবিধা দিতেই প্রচারণায় নামেন তিনি। ১৯৯৮ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন মনিকা। সেসময় কোনো ফেসবুক, টুইটার বা ইনস্ট্রাগ্রাম না থাকলেও গাল-গপ্প, সংবাদ ও বিনোদনভিত্তিক ওয়েবসাইটগুলোর কমেন্ট সেকশন ও ই-মেইলের মাধ্যমে হরহামেশাই সেগুলো ছড়িয়েছিল। এরপর অনলাইনভিত্তিক পীড়নের সমাপ্তি ঘটাতে প্রচার চালানোর ঘোষণা দেন ৪২ বছর বয়সী মনিকা।
৯ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) ‘নিরাপদ ইন্টারনেট দিবসে’ কেন তিনি অনলাইন নিপীড়ন নিয়ে কাজ করছে ও ইমোজি কিবোর্ড (একটি ছোট ডিজিটাল ইমেজ বা আইকন, যা ইলেক্ট্রনিক যোগাযোগের মাধ্যমে চিন্তা, আবেগ, ইত্যাদি প্রকাশ করে) কীভাবে তাকে সাহায্য করছে এ নিয়ে একটি সাক্ষাৎকার দেন মনিকা। টেলিগ্রাফের সংবাদকর্মী এমা বারনাটকে দেয়া ওই সাক্ষাৎকারটি পাঠকদের জন্য উপস্থাপন করা হল।
এমা বারনাট : প্রায় এক দশক পর প্রথমবারের মতো অনলাইন পীড়ন নিয়ে আপনি জনসম্মুখে মুখ খুলছেন। কেন?
মনিকা লিউনস্কি : অনলাইনের মাধ্যমে নিপীড়িত হয়ে গ্লানি ও লজ্জার স্বীকার হওয়া মানুষের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। বিশেষ করে যুবক-যুবতীদের মধ্যে এ সংখ্যা বেড়ে তা আত্মহত্যায় রূপ নিচ্ছে। নিজেকে নিপীড়নের ‘রোগী নম্বর শূন্য’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমার অভিজ্ঞতা জনসম্মুখে প্রচার করে তাদের আশা জাগানো উচিত।
এমা বারনাট : আপনি এ প্রাচরণায় ‘দিয়ানা এওয়ার্ড’ ও ‘বাইস্টান্ডার্ড রিভ্যুলেশনে’র অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন, কেন?
মনিকা লিউনস্কি : আমি আমার মতো ভুক্তভোগীদের লজ্জা ভুলে নতুন জীবনের সন্ধান দিতে কাজ করছি। আমি জানি ঠিক এ সময় একজন ব্যক্তির মানসিক অবস্থা কেমন হতে পারে।
এমা বারনাট : এ ব্যাপারে ভোডাফোনে চালু করা ‘ইমোজি’ কিবোর্ড কতটুকু সাহায্য করছে?
মনিকা লিউনস্কি : সাইবার-পীড়নের মতো হৃদয়স্পর্শী বিষয়ে ‘ইমোজি’ কিবোর্ডের সাহায্য নেয়া একটি সাধারণ পন্থা। এর মাধ্যমে অতি দ্রুত মানুষের মন স্পর্শ করা সম্ভব।
এমা বারনাট : আপনি কি মনে করেন, সাইবার নিপীড়ন বাস্তবই রয়েছে? এটা কি মানুষের কাছে অধিকতর মন্দ বিষয়?
মনিকা লিউনস্কি : এটি বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত বিষয়ের একটি, যার মাধ্যমে মানুষ উপযুক্ত সাহায্য পেতে পারে। এটি মানুষের জন্য নির্দয়, নির্মমতা ও বেদনাদায়ক একটি বিষয়। এ নিপীড়নের স্বীকার হওয়া প্রায় ২০ শতাংশ মানুষ আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়।
এমা বারনাট : কীভাবে পিতামাতা প্রথম থেকেই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিতে পারেন?
মনিকা লিউনস্কি : ইন্টারনেট নিরাপত্তার ব্যাপারে সন্তানদের সম্যক জ্ঞান দিতে হবে। এ ধরনের কোনো হয়রানির স্বীকার হলে সন্তানদের উচিত পিতামাতাকে তা জানানো। প্রায় ৪০ শতাংশ যুবক-যুবতী পিতা-মাতার কাছে তা প্রকাশ করেন না।

 


নারীদের রাইড শেয়ারিং চালু করল
আগামী শনিবার থেকে নারী রাইডারদের নিয়ে নারীদের জন্য বিশেষ সেবা
বিস্তারিত
মহিলাদের তাড়াতাড়ি মৃত্যুর ঝুঁকি বাড়ছে
সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, টানা বেশ কয়েক বছর বিষণ্ণতায়
বিস্তারিত
জেনে নিন উকুন দূর করার
বাড়িতে যে কারোর মাথায় উকুন থাকলেই তা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে
বিস্তারিত
হিজাবে অনন্যা নারী
ইসলাম ধর্মে নারীদের পর্দা করার র্নিদেশ রয়েছে। পর্দা নারীর সৌন্দর্য
বিস্তারিত
মায়েরা যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন
মা হবার অনুভূতি তুলনাহীন। নিজের শিশুর যত্ন নিতে ভালবাসেন মায়েরা।
বিস্তারিত
পাবনায় শুটকি চাতালে নারী শ্রমিকেরা
পাবনার চলনবিল অঞ্চলে শুরু হয়েছে শুটকি মাছের মৌসুম। বিলপাড়ে ইতোমধ্যে
বিস্তারিত