সাহরি বরকতময় খাবার

সাহরি শুধু খাবার নয়, বরং বরকতময় খাবার। সাহরি খাওয়া সুন্নত। সাহরি ছাড়া রোজা রাখা কষ্টকর। এ খাবার রোজা পালনকারীর সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখে। শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে

সাহরি খাওয়ার মাধ্যমে মুসলমানরা দিনের বেলায় রোজা রাখার প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এ খাবার সুবহে সাদিকের আগে খেয়ে থাকে। এর পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত খানা থেকে বিরত থাকে। ইসলামের দৃষ্টিতে সাহরি বরকতময় খাবার। এ খাবার রোজাদারকে সারাদিন উপোস অবস্থায় রোজা রাখার শক্তি বৃদ্ধি করে। সাহরি অর্থ প্রভাত বা ভোর। শরিয়তের পরিভাষায় রোজা রাখার নিয়তে ভোররাতে এবং সুবহে সাদিকের আগে যে খাবার খাওয়া হয়, তাকে সাহরি বলে। সাহরি খাওয়া মোমিনদের জন্য সুন্নত। পবিত্র কোরআনে সাহরি খাওয়ার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন বলেন, ‘আর তোমরা পানাহার করো, যতক্ষণ রাতের কালো রেখা হতে ঊষার শুভ্র রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হয়। অতঃপর রাতের আগমন পর্যন্ত রোজা পূর্ণ করো।’ (সূরা বাকারা : ১৮৭)। 

সাহরি বরকতময় খাবার 
সাহরি খেয়ে মুসলমানরা দিনের বেলা রোজা রাখেন। সাহরি শুধু খাবার নয়, বরং বরকতময় খাবার। সাহরি খাওয়া সুন্নত। সাহরি ছাড়া রোজা রাখা কষ্টকর। এ খাবার রোজা পালনকারীর সহায়ক হিসেবে ভূমিকা রাখে। শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তাই সাহরি রোজাদারের জন্য বরকতময় হওয়ার পাশাপাশি দেহের শক্তি বৃদ্ধির উৎসও বটে। এ মর্মে রাসুল (সা.) বলেন, তোমরা সাহরি খাবে। কেননা সাহরিতে বরকত রয়েছে। (বোখারি : ১৯৫৭; মুসলিম : ২৬০৩)।
হাদিসে আরও বর্ণিত হয়েছে, হজরত ইরবাজ (রা.) বলেন, একদিন রমজানে রাসুল (সা.) আমাকে সাহরি খাওয়ার জন্য ডাকলেন এবং বললেন, এসো এই মোবারক খানার দিকে। (আবু দাউদ : ২৩৪৬)। 
সাহরি মুসলমানের রোজার পরিচয় 
সাহরি মুসলমানের রোজার পরিচয় বহন করে। কারণ ইহুদি-খ্রিষ্টানরা সাহরি না খেয়ে রোজা রাখে। আর মুসলমানরা সাহরি খেয়ে রোজা পালন করে। তাই মুসলিম-অমুসলিম উভয়ের রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি। এর দ্বারা প্রমাণিত হলো যে, ইসলামি শরিয়তে সাহরির গুরুত্ব অপরিসীম। সুতরাং ইচ্ছাকৃতভাবে সাহরি খাওয়া বর্জন করা একজন মুসলমানের পক্ষে কখনও ঠিক হবে না। তবে শারীরিক অসুস্থতার দরুন তা ছেড়ে দেওয়া যাবে। এতে কোনো গোনাহ হবে না। এ ছাড়া প্রত্যেক রাতে সাহরি খাওয়া একজন মোমিনের ঈমানি দায়িত্ব। এ প্রসঙ্গে রাসুল (সা.) বলেন, আমাদের রোজা ও আহলে কিতাবদের (ইহুদি-খ্রিষ্টানদের) রোজার মধ্যে পার্থক্য হলো সাহরি খাওয়া। (মুসলিম : ২৬০৪)।


ইবরাহিম আদহামের জীবন কথা
ইবরাহিম আদহাম ছিলেন বলখের বাদশাহ। বলখের ভৌগলিক অবস্থান ছিল বৃহত্তর
বিস্তারিত
সুফিকোষ
আবদাল আরবি শব্দ। এটি বদল শব্দমূল থেকে গঠিত। আবদাল শব্দটি
বিস্তারিত
কোরবানির বিধিবিধান
‘কোরবানি’ অর্থÑ নৈকট্য, সান্নিধ্য, উৎসর্গ। ঈদুল আজহার দিনগুলোতে আল্লাহর সন্তুষ্টি
বিস্তারিত
পশু কোরবানিতে দুনিয়া ও আখেরাতে
ইসলামি জীবনবিধানের প্রত্যেক দিকনির্দেশনা পালনে দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণ লাভ
বিস্তারিত
কোরবানির পরিচয় ও প্রকারভেদ
  কোরবানির আভিধানিক অর্থ হলো, কাছে যাওয়া বা নৈকট্য অর্জন করা।
বিস্তারিত
হজ তথ্য কর্নার
হজের সফরে নারীদের জরুরি জ্ঞাতব্য   - বাইতুল্লাহর হজ। আল্লাহর ডাকে সাড়া
বিস্তারিত