লক্ষ্য যখন পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট

বর্তমান প্রেক্ষাপটে কর্মমুখী শিক্ষা তথা ডিপ্লোমার গুরুত্ব অপরিসীম। এই শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যে উচ্চমানের দক্ষ জনশক্তি দরকার, তা সরবরাহ করে আসছে ডিপ্লোমা প্রতিষ্ঠানগুলো। একমাত্র ডিপ্লোমা শিক্ষাই দিচ্ছে এসএসসির পর মাত্র চার বছরের কোর্স গ্রহণ করে ক্যারিয়ার গড়ার সুযোগ। বেকারত্বের বিপরীতে চাকরির সহজলভ্যতার কারণে নতুন প্রজন্ম দিন দিন এ শিক্ষার দিকে ঝুঁকছে।

কর্মক্ষেত্র : ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স সম্পন্ন করে রয়েছে দেশের পাশাপাশি বিদেশে চাকরির অবারিত সুযোগ। বিশেষ করে পাওয়ার হাউজ, বিদ্যুৎ বিতরণ কোম্পানি, টেক্সটাইল, সিরামিক কারখানা, টেলিকমিউনিকেশন সেক্টর, হাউজিং অ্যান্ড বিল্ডিং রিসার্চ ইনস্টিটিউট, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষ, রাজউক, কৃষি, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়সহ অনেক সেক্টরে চাকরি করার সুযোগ পাবে শিক্ষার্থীরা। মনে রাখতে হবে, উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠানগুলো ভালো ফল ও প্র্যাকটিক্যাল এই দুটির মূল্যায়নই বেশি করে। চাইলে ডিপ্লোমার পর ব্যবসা করে আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টির সুযোগ রয়েছে।
ভর্তির যোগ্যতা : ভর্তি পরীক্ষা তুলে দিয়ে বর্তমানে এসএসসির ফল ও বিষয়ভিত্তিক পছন্দকে ভর্তির মানদ- হিসেবে বিবেচনা করা হয়। আবেদনের জন্য সাধারণ গণিত বা উচ্চতর গণিতে জিপিএ ৩.০০ সহ কমপক্ষে মোট জিপিএ ৩.৫০ থাকতে হবে। তবে মেয়েদের ক্ষেত্রে মোট জিপিএ ৩.০০ হলেই হবে। ও-লেভেলের যে-কোনো একটি বিষয়ে ‘সি’ ও ‘ডি’ গ্রেড পেয়ে উত্তীর্ণরা আবেদন করতে পারবে। চলতি বছর বাদেও পূর্ববর্তী দুই বছরে এসএসসি বা সমমান পাস করা শিক্ষার্থীরাই শুধু আবেদন করার যোগ্যতা রাখে। চলতি বছর ১৩ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। ৭ জুন ভর্তি ফলাফল প্রকাশ আর ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন করে ক্লাস শুরু হবে ১১ আগস্ট। ভর্তিসংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট িি.িঃবপযবফঁ.মড়া.নফ থেকে জানা যাবে।
পড়ার বিষয় : বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট রয়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলাশহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে এসব পলিটেকনিক। কারিগরি শিক্ষাবোর্ডের অধিভুক্ত এসব প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সিভিল, ইলেকট্রিক্যাল, মেরিন, ইলেকট্রনিক্স, টেক্সটাইল, কম্পিউটার, আর্কিটেকচার, ফুড, মেকানিক্যাল, কেমিক্যাল, অটোমোবাইল, এনভায়রনমেন্ট, রেফ্রিজারেশন অ্যান্ড এয়ার কন্ডিশনিং, ইনস্ট্রুমেন্টশন অ্যান্ড প্রসেস কন্ট্রোল, টেলিকমিউনিকেশনসহ বিভিন্ন বিষয় ভর্তির সুযোগ রয়েছে। চার বছরে মোট আটটি সেমিস্টারে পাঠদান করা হয়ে থাকে। আসনসংখ্যা ৪০ থেকে ১৬০ পর্যন্ত হয়ে থাকে। তবে অতিরিক্ত আরও ২০ শতাংশ শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হয়। চারশ’র বেশি বেসরকারি পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট থেকেও এ বিষয় পড়ার সুযোগ রয়েছে।
পড়াশোনার খরচ : সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা সম্পন্ন করতে প্রশাসনিক খরচ হবে কম বেশি ৫০ হাজার টাকা। বেসরকারি পলিটেকনিকে প্রতিষ্ঠান ও বিষয়ভেদে খরচ ৯০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে। তবে সব গরিব ও মেধাবী শিক্ষার্থীর আর্থিক সুবিধার জন্য বিশ্বব্যাংক ও কানাডার যৌথ উদ্যোগে রয়েছে মাসিক ৮০০ থেকে ১ হাজার টাকা পর্যন্ত বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা। ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের উচ্চশিক্ষার জন্য রয়েছে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি যে-কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, এমনকি দেশের বাইরে থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা যাবে।


ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা
ইউরোপিয়ান জীবনধারা এবং নরডিক অঞ্চলের গণতন্ত্রের সংমিশ্রণ দেখা যায় উত্তর
বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি
এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হলেও এখন বিশ্রাম নেওয়ার
বিস্তারিত
বিদেশে শিক্ষা প্রসারে নাঈমা খান
প্রবাসী বাঙালিদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে  নিউইয়র্ক সিটির ১৮টি স্থানে
বিস্তারিত
সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য করণীয়
প্রতিটি মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু স্বপ্ন থাকে। ক্যারিয়ার গড়া নিয়ে
বিস্তারিত
ক্যারিয়ার গড়তে পারেন কম্পিউটার সায়েন্সে
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে জনপ্রিয় বিষয়।
বিস্তারিত
প্রয়োজন মানসিক বিকাশ
তরুণরাই সব ক্ষমতার উৎস। তারুণ্যই শক্তি। আমাদের তরুণ অর্থাৎ যুবসমাজই
বিস্তারিত