ক্যাম্পাসে রোজার আমেজ

সেরা বিদ্যাপীঠগুলোয় চলতি বছর একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী রমজান মাসের বেশিরভাগ সময়জুড়েই রয়েছে ক্লাস-পরীক্ষার ব্যস্ততা। তাই ছাত্রাবাসেই অবস্থান করছে অধিকাংশ শিক্ষার্থী। আর রমজানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ সাহরি আর ইফতার ঘিরে একটু ভিন্নরূপে সাজে শিক্ষার্থীদের আবাসস্থলগুলো। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর প্রায় সব হলের ডাইনিংয়ে সাহরির ব্যবস্থা আছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রমজানে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি সত্ত্বেও তুলনামূলক উন্নত খাবার পরিবেশন করা হয় বলে মিলচার্জ একটু বেশি ধার্য করা হয়। পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রোহানুল ফাহিম জানন, রাত ৩টায় ডাইনিং বয় প্রতি ফ্লোরে সাইরেন বাজিয়ে ঘুম ভাঙানোর চেষ্টা করেন। যথাসম্ভব দ্রুত উঠে ডাইনিংয়ে আসতে হয়। দেরি হলে খাবার না পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তবে মেয়েদের হলের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। নিজেরাই রান্না করে খেতে পছন্দ করলেও অনেকের ক্ষেত্রে সে সুযোগ থাকে না। টাঙ্গাইলের মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফিওনা রাহি জানান, লাইনে দাঁড়িয়ে সাহরির সময় খাবারের টোকেন নিতে হয়। আর ৩টার দিকে চাপ বেশি থাকে। দেরিতে উঠলে তো দাঁড়িয়েই সাহরি করতে হয়। আর ভাগ্য খারাপ হলে না খেয়েই রোজা রাখতে হবে। ইফতার ঘিরে ক্যাম্পাসে আয়োজনটা একটু বেশিই থাকে। দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় এবং কলেজ ক্যাম্পাসে রমজানের প্রতিদিনই ইফতারের পসরা সাজিয়ে বসে দোকানিরা। সাধারণত রুমমেট বা সাত-আটজন মিলে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা তুলে ইফতারসামগ্রী কিনে থাকে। ইফতারির মধ্যে থাকে বিভিন্ন ধরনের চপ, পিঁয়াজু, বেগুনি, জিলাপি, শরবত, খেজুর, বুন্দিয়া এবং নানা রকম মৌসুমি ফল। খাওয়ার ধরনটাও অনেকটা একই রকম। পেঁয়াজ-মরিচ কেটে ছোলাবুট, বুন্দিয়া মিশিয়ে মুড়ি বানানো। তবে আগে থেকেই সবাই ইফতারির মেনু নির্ধারণ করে রাখে। বরিশালের ব্রজ মোহনের (বিএম) শিক্ষার্থী নাজিয়া, জান্নাতি আর মহুয়া। কলেজ বন্ধ থাকার পরেও প্রাইভেট থাকার কারণে বাড়ি যাওয়া হচ্ছে না ওদের। বাড়ির বাইরে ইফতার করাটা তাদের জন্য একেবারেই নতুন। প্রথম প্রথম অনেক কষ্ট হলেও এখন মানিয়ে নিয়েছে। বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দঘন পরিবেশে সবার অংশগ্রহণে ইফতার পরিবারের কষ্ট কিছুটা ভুলিয়ে দিয়েছে। এমন অভিজ্ঞতা তাদের মতো অনেকেরই। এছাড়াও ক্যাম্পাসে প্রায়ই ঘটা করে আয়োজন করা হয় ‘ইফতার পার্টি’র। অনেক সময় বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীর অংশগ্রহণে এসব ইফতার পার্টি রূপ নেয় ‘মিলনমেলায়’। ডিবেটিং ক্লাব, সাংবাদিক ফোরাম, সাহিত্য পরিষদ, বিভিন্ন আঞ্চলিক সংগঠন প্রভৃতি এর আয়োজক। তবে সবকিছু ছাপিয়ে সবার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য সৃষ্টিকর্তার সন্তুষ্টি অর্জন।


ফিনল্যান্ডে উচ্চশিক্ষা
ইউরোপিয়ান জীবনধারা এবং নরডিক অঞ্চলের গণতন্ত্রের সংমিশ্রণ দেখা যায় উত্তর
বিস্তারিত
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির প্রস্তুতি
এইচএসসি পরীক্ষা শেষ হয়েছে। পরীক্ষা শেষ হলেও এখন বিশ্রাম নেওয়ার
বিস্তারিত
বিদেশে শিক্ষা প্রসারে নাঈমা খান
প্রবাসী বাঙালিদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করতে  নিউইয়র্ক সিটির ১৮টি স্থানে
বিস্তারিত
সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য করণীয়
প্রতিটি মানুষের ভবিষ্যৎ নিয়ে কিছু স্বপ্ন থাকে। ক্যারিয়ার গড়া নিয়ে
বিস্তারিত
ক্যারিয়ার গড়তে পারেন কম্পিউটার সায়েন্সে
কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে জনপ্রিয় বিষয়।
বিস্তারিত
প্রয়োজন মানসিক বিকাশ
তরুণরাই সব ক্ষমতার উৎস। তারুণ্যই শক্তি। আমাদের তরুণ অর্থাৎ যুবসমাজই
বিস্তারিত