প্রচ-


 

ভোজালি ঢুকে ভাবছি, শরীর বেঁচে আছে তো! যদি আঁচ পেতাম, হাতপালা পৃথিবী নাড়াচ্ছে, কখনও আমাকেও। ফলাচ্ছে পাথর। তবু ঠান্ডা ব্যবহারে বুঝি, মানুষ আমাকে নিয়ে পার্কে চলে গেল। খুব ঘেঁষে এলোমেলো করে দিল দেহের গামা, বিটা। শুধু দেখা যায় বিচিত্রবাহু ছুটছে। হাতসমস্ত যেন কার অধিকার ছিন্ন হয়ে তারা তারা আকাশে আমাদের ইশারা করছে। প্রবর মাংসে স্রোত যেহেতু ঘাপটি করে আছে। আমি শিরিশিরি কাঁপছি। অপর শরীরের বেলকনিতে এসো, আঙুর ছুড়ে দাও। আমাদের রক্তের যা কিছু তুচ্ছ সব উগ্রতপাকে দিই। হোক অমূল্য, হোক বজ্রতূর্য, হোক সিপাহি-গৌরব।


পাঠক কমছে; কিন্তু সেটা কোনো
দুই বাংলার জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়। অন্যদিকে বাংলাদেশের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক
বিস্তারিত
মনীষা কৈরালা আমি ক্যান্সারের প্রতি কৃতজ্ঞ,
ঢাকা লিট ফেস্টের দ্বিতীয় দিন ৯ নভেম্বরের বিশেষ চমক ছিল
বিস্তারিত
এনহেদুয়ান্নার কবিতা ভাষান্তর :
  যিশুখ্রিষ্টের জন্মের ২২৮৫ বছর আগে অর্থাৎ প্রায় সাড়ে ৪ হাজার
বিস্তারিত
উপহার
  হেমন্তের আওলা বাতাস করেছে উতলা। জোয়ার এসেছে বাউলা নদীতে, সোনালি
বিস্তারিত
সাহিত্যের বর্ণিল উৎসব
প্রথম দিন দুপুরে বাংলা একাডেমির লনে অনুষ্ঠিত হয় মিতালি বোসের
বিস্তারিত
নিদারুণ বাস্তবতার চিত্র মান্টোর মতো সাবলীলভাবে
এ উৎসবের অন্যতম আকর্ষণ ছিল ভারতের প্রখ্যাত পরিচালক নন্দিতা দাস
বিস্তারিত