প্রচ-


 

ভোজালি ঢুকে ভাবছি, শরীর বেঁচে আছে তো! যদি আঁচ পেতাম, হাতপালা পৃথিবী নাড়াচ্ছে, কখনও আমাকেও। ফলাচ্ছে পাথর। তবু ঠান্ডা ব্যবহারে বুঝি, মানুষ আমাকে নিয়ে পার্কে চলে গেল। খুব ঘেঁষে এলোমেলো করে দিল দেহের গামা, বিটা। শুধু দেখা যায় বিচিত্রবাহু ছুটছে। হাতসমস্ত যেন কার অধিকার ছিন্ন হয়ে তারা তারা আকাশে আমাদের ইশারা করছে। প্রবর মাংসে স্রোত যেহেতু ঘাপটি করে আছে। আমি শিরিশিরি কাঁপছি। অপর শরীরের বেলকনিতে এসো, আঙুর ছুড়ে দাও। আমাদের রক্তের যা কিছু তুচ্ছ সব উগ্রতপাকে দিই। হোক অমূল্য, হোক বজ্রতূর্য, হোক সিপাহি-গৌরব।


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত