প্রচ-


 

ভোজালি ঢুকে ভাবছি, শরীর বেঁচে আছে তো! যদি আঁচ পেতাম, হাতপালা পৃথিবী নাড়াচ্ছে, কখনও আমাকেও। ফলাচ্ছে পাথর। তবু ঠান্ডা ব্যবহারে বুঝি, মানুষ আমাকে নিয়ে পার্কে চলে গেল। খুব ঘেঁষে এলোমেলো করে দিল দেহের গামা, বিটা। শুধু দেখা যায় বিচিত্রবাহু ছুটছে। হাতসমস্ত যেন কার অধিকার ছিন্ন হয়ে তারা তারা আকাশে আমাদের ইশারা করছে। প্রবর মাংসে স্রোত যেহেতু ঘাপটি করে আছে। আমি শিরিশিরি কাঁপছি। অপর শরীরের বেলকনিতে এসো, আঙুর ছুড়ে দাও। আমাদের রক্তের যা কিছু তুচ্ছ সব উগ্রতপাকে দিই। হোক অমূল্য, হোক বজ্রতূর্য, হোক সিপাহি-গৌরব।


প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত
জল : ০১
কাজল কাননে পায়ের আলোতে রবির ঘুম ভাঙে রোজ যাপিত সংসার সুখ-দুখে
বিস্তারিত
মাঝ রাতে মির্জা গালিবের শের
আরেক বার দেখা হলে অশুদ্ধ কিছু হবে না মহাভারত, চাই
বিস্তারিত
১৪ বছর বয়সি
রেখা এখন ক্লাস টেন, ক্লাস সিক্স থেকে শুরু হওয়া অপেক্ষা
বিস্তারিত
তুমি যদি এসে
এইসব শিশির ভেজা ফসলের মাঠ নতুন ভোরের সোনালি রোদ্দুর  কৃষকের হাসিমাখা
বিস্তারিত
দেহের নিমন্ত্রণে
কেউ ডাকে দেহের নিমন্ত্রণে কেউ প্রেমেরÑ সঙ্গোপনে কেউবা নিছক খেয়ালের বশে
বিস্তারিত