দরদ, বড় হোস না বাবা


 

কুটুমের নিয়মাবলির চতুষ্কোণ বেষ্টনীতে
মনকে একটা ছদ্মবেশের দীর্ঘ তালিম মদের গ্লাসে,
শুকনো পাতায় মুড়িয়ে দরদের পাখোয়াজে বেড়ে ওঠা বাড়ি
বস্তুগত উপস্থিতি কিছু ভয়ংকর দৃশ্যাবলি
ছড়িয়ে ছিটিয়ে অমানিশার নামতায় অপেক্ষাস্নাত।

যেন আমি নেই বলেই সিলিংজুড়ে জলধি-বাতাস
জড়িয়ে ধরেছে লম্বা চুলের ছায়ায় সস্তায় লিখলে আমার অনুপস্থিতিতে অন্য শরীর

আমার না থাকা রংগুলো বেশ নন্দন কম্পোজিশনে
দরদের আঁকার দেয়ালে ঝুলছে
পরিচিত সম্পর্কগুলো দার্জিলিংয়ের হাইওয়ের দুপাশের
হরিৎ মাঠের মতো সাদা।

আমার চোখ সামলাতে পারে না এসব
পালানোর প্রতিশব্দে মধ্য আকর্ষণের যাত্রায় সিঁড়ি বেয়ে উঠি ফুটপাতে

কত সব করবার না করবার মধ্য দিয়ে
ঘামের স্পর্শে ভেজা মাথার ক্যাপটা এপাশ-ওপাশ করি
দরদও কোলে উঠে এভাবেই মাতে, আমার ক্যাপের গুহায়, 
অল্প চুলের খেলনায়।


আয়না সিরিজ
এনাম রাজু     এক   রাত কাটেÑ জলশূন্য মাছের মতো অথচ-আমি গাছে গাছে ঘুরি, চিৎকার আর্তনাদ নীরবতা
বিস্তারিত
আমরা হাঁটি শহীদ মিনারের দিকে
বিধ্বস্ত রক্ত ভেজা পলি, এভাবে গড়াগড়ি খায়Ñ হরিণির সাড়ে বারোহাত লাফ,
বিস্তারিত
নতুন যুগ
নতুন যুগ, তুমি তোমার ভালোবাসা দিয়ে আমাদের কাপড়, জ্বালানির কষ্ট মুছে
বিস্তারিত
প্রেমিক হব
প্রেমিক হওয়ার শখ? প্রেমিক হও, সন্ন্যাসি হও, বৈষ্ণব হও বিরহি হও, বাধা
বিস্তারিত
কবিতার বই ‘নিমগ্ন দহন’
বেশ কিছু কবিতা দিয়ে সাজানো হয়েছে ফখরুল হাসানের কবিতার বই
বিস্তারিত
প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত