দরদ, বড় হোস না বাবা


 

কুটুমের নিয়মাবলির চতুষ্কোণ বেষ্টনীতে
মনকে একটা ছদ্মবেশের দীর্ঘ তালিম মদের গ্লাসে,
শুকনো পাতায় মুড়িয়ে দরদের পাখোয়াজে বেড়ে ওঠা বাড়ি
বস্তুগত উপস্থিতি কিছু ভয়ংকর দৃশ্যাবলি
ছড়িয়ে ছিটিয়ে অমানিশার নামতায় অপেক্ষাস্নাত।

যেন আমি নেই বলেই সিলিংজুড়ে জলধি-বাতাস
জড়িয়ে ধরেছে লম্বা চুলের ছায়ায় সস্তায় লিখলে আমার অনুপস্থিতিতে অন্য শরীর

আমার না থাকা রংগুলো বেশ নন্দন কম্পোজিশনে
দরদের আঁকার দেয়ালে ঝুলছে
পরিচিত সম্পর্কগুলো দার্জিলিংয়ের হাইওয়ের দুপাশের
হরিৎ মাঠের মতো সাদা।

আমার চোখ সামলাতে পারে না এসব
পালানোর প্রতিশব্দে মধ্য আকর্ষণের যাত্রায় সিঁড়ি বেয়ে উঠি ফুটপাতে

কত সব করবার না করবার মধ্য দিয়ে
ঘামের স্পর্শে ভেজা মাথার ক্যাপটা এপাশ-ওপাশ করি
দরদও কোলে উঠে এভাবেই মাতে, আমার ক্যাপের গুহায়, 
অল্প চুলের খেলনায়।


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত