রমজানরে আলোয় কাটুক সারা বছর

জুহদ ও তাকওয়া র্অজনরে, সওয়াব ও নকেি কামানোর বসন্তকাল রমজানুল মোবারক এরই মধ্যে বদিায় নয়িছে।ে এ মাসরে প্রতটিি ক্ষণ, প্রতটিি মুর্হূত ছলি জাহান্নাম থকেে দূরে সরার এবং জান্নাতরে নকিটর্বতী হওয়ার বশিষে অনুশীলনকাল। রমজান আমাদরে শক্ষিা দয়িে গছে,ে পাপ পরহিার এবং বন্দগেরি পাবন্দগেরি। খাঁটি মোমনি বান্দা সারা বছর রমজানরে নূরে নূরান্বতি থাকব,ে এর আলোয় উদ্ভাসতি হব।ে এ নূর তাকে অন্ধকারে আলোর দশিা দবে।ে রমজানে মোমনি বান্দা যে অনুশীলন করছেে তার প্রয়োগকাল সারাটি বছর, সারাটি জীবন। কনেনা তার যাত্রা তো অসীমরে পথ,ে অসীমরে সীমায় পা রাখা র্পযন্ত মোমনি বান্দা রবরে সন্তুষ্টি র্অজনরে লক্ষ্যে আমল করে যাব,ে ইবাদত-বন্দগেতিে নজিকেে নয়িোজতি রাখব।ে আল্লাহ তায়ালা এরশাদ করনে, ‘আর তুমি তোমার রবরে ইবাদত করো তোমার মৃত্যু আসা র্পযন্ত।’ (সূরা হজির : ৯)। ‘হে ঈমানদাররা! তোমরা আল্লাহকে যথাযথভাবে ভয় করো আর মুসলমি না হয়ে মৃত্যুবরণ করো না।’ (সূরা আলে ইমরান : ১০২)। 

মহান আয়াতগুলো আমাদরে বলে দচ্ছি,ে মোমনি বান্দার পুরো জীবনটাই হলো নকেি কামানোর এবং আখরোত বানানোর শস্যক্ষত্রে। রমজানরে কৃত আমলগুলোর ধারাবাহকিতা বজায় রাখার মধ্যইে রয়ছেে রমজান মাসরে প্রকৃত র্সাথকতা। পবত্রি কোরআন-হাদসি অধ্যয়ন করলে আমাদরে সামনে একটি বাস্তবতা স্পষ্টরূপে ফুটে ওঠ।ে তা হলো, কোনো আমল কবুল হওয়ার অন্যতম আলামত হলো, নয়িমতি সে আমল করতে পারা এবং সে আমলরে সঙ্গে সঙ্গে অন্যান্য আমল করার তওফকি লাভ করা। চুম্বক যমেন চুম্বক ও লোহাকে আর্কষণ করে তমেনি এক আমল অন্য আমলকে আর্কষণ কর,ে টনেে আন।ে গোনাহরে ক্ষত্রেওে এ সত্যটি প্রযোজ্য। সুতরাং রমজানে আমরা যে আমলগুলো করছেি তা কোনোভাবইে ছাড়া যাবে না। অন্যথায় সব চষ্টো-সাধনাই প- হয়ে যাব।ে আল্লাহ রাব্বুল আলামনি এরশাদ করনে, ‘আর তোমরা সে নারীর মতো হয়ো না যে শক্তভাবে রশি পাকানোর পর তা নষ্ট করে ফলে।ে’ (সূরা নাহল : ৯২)।
আমাদরে সারা বছররে প্রতটিি দনিরে অন্যতম র্কতব্য হলো, নয়িমতি জামাতে শামলি হয়ে সালাত আদায় করা। নবীজি (সা.) অন্তমি মুর্হূতওে সালাতরে ব্যাপারে অসয়িত করে গছেনে। র্অধজাহানরে খলফিা ওমর ফারুক (রা.) একবার ইসলামি খলোফতরে সবগুলো প্রদশেরে গর্ভনর, নগরর্কতা ও পদস্থ লোকদরে কাছে এ র্মমে ফরমান পাঠান য,ে ‘আমার কাছে আপনাদরে র্সবাপক্ষো গুরুত্বর্পূণ কাজ সালাত। যে ব্যক্তি সালাত হফোজত কর,ে তা আদায়ে যতœবান থাকে সে দ্বীন হফোজত করল; পক্ষান্তরে যে সালাত নষ্ট করল সে দ্বীনরে অন্যান্য বষিয় আরও নষ্ট করব।ে’ (মুআত্তা মালকি : ৫)। 
কাজইে কারও এ কথা ভাবার সুযোগ নইে য,ে আমার ওপর যহেতেু জাতরি অনকে বড় দায়ত্বি র্অপতি, তাই আমার জন্য নামাজে অবহলো করার সুযোগ রয়ছে।ে কখনও নয়! কনেনা যে নামাজে অবহলো করবে সে তো র্সবক্ষত্রেইে ঝামলো সৃষ্টি করব।ে
মাঝে মাঝে নফল রোজাও রাখা দরকার। বশিষেত শাওয়াল মাসরে ছয় রোজা, আরাফা, আশুরা, শববেরাত, আইয়ামে বজি তথা প্রতি মাসে চান্দ্র তারখি হসিাবে ১৩, ১৪, ১৫ তারখিরে রোজা এবং সম্ভব হলে প্রতি সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতবিার রোজা রাখা উচতি। এসব দনিে রোজা রাখার ব্যাপারে হাদসি শরফিে বশিষেভাবে তাগদি দওেয়া হয়ছে।ে বহু ফজলিতরে কথা ববিৃত হয়ছে।ে (দ্রষ্টব্য, মুসলমি : ১১৬২, ১১৬৩, ১১৬৪, তরিমজিি : ৭৪৫)। 
রমজানে আমরা যভোবে পবত্রি কোরআনরে সংর্স্পশে থকেছেি পবত্রি কোরআনরে সঙ্গে এখনও সে সর্ম্পক বজায় রাখতে হব।ে নয়িমতি কোরআন তলোওয়াত করা, কোরআনরে র্মম বোঝার চষ্টো করা এবং কোরআনরে নর্দিশেনার আলোকে জীবন গঠন করা প্রতটিি মুসলমানরে অবশ্যর্কতব্য। আফসোস, আজ কোরআনরে গলিাফে ময়লার আস্তর জমে যায়, অথচ তা পরষ্কিার করার জন্যও কাউকে পাওয়া যায় না।
রমজানরে সবচয়েে বড় প্রশক্ষিণ ছলি, তাকওয়া র্অজন করা, হারাম থকেে বঁেচে থাকা এবং হালালকে গ্রহণ করা। সুতরাং ওজনে কম দওেয়া, পণ্যে ভজোল মশোনো, চুর-িডাকাত,ি সুদ-ঘুষসহ সব ধরনরে অমানবকি ও অসামাজকি র্কমকা- থকেে বরিত থাকতে হব।ে
এরপর জীবন চলার পথে যদি ভুল হয়ইে যায়, গোনাহ হয়ে যায়, তা হলে বান্দার হক আদায় করে দয়িে আল্লাহর দরবারে তওবা করার দুয়ার তো খোলা আছইেÑ চোখ বন্ধ হওয়ার আগ র্পযন্ত। (সূরা জুমার : ৫৩-৫৪; মুসলমি : ২/৩৫৮)।
তাছাড়া দনৈন্দনি জীবনরে প্রতটিি কাজকইে শুধু দৃষ্টভিঙ্গরি পরর্বিতনরে মাধ্যমে সওয়াবরে এবং আখরেতরে কাজ বানয়িে ফলো যায়। সুতরাং চাই দৃষ্টভিঙ্গরি পরর্বিতন এবং বারবার নয়িতরে নবায়ন।


হজ আমাদের ধৈর্যের শিক্ষা দেয়
  চলছে হজ মৌসুম। শুরু হয়েছে হজ ফ্লাইট। আল্লাহর ঘরের
বিস্তারিত
হজ তথ্য কর্নার
      ষ বাংলাদেশ হজ মিশন : মক্কা শরিফ ও মদিনা শরিফে
বিস্তারিত
রাজত্বের চেয়ে প্রিয়তম যে সিজদা
হজরত সোলাইমান (আ.) এর রাজত্ব ছিল মানব-দানব, পশুপক্ষীর ওপর। একদা
বিস্তারিত
আবরার
‘আবরার’ আরবি শব্দ, পুংলিঙ্গ। আবরার শব্দটি বাররুন থেকে
বিস্তারিত
গোনাহ থেকে মুক্তি চাইলে
তওবা-ইস্তেগফার একজন মোমিনের এক বড় গুণ। গোনাহের অভিশাপ থেকে নিজেকে
বিস্তারিত
হজ তথ্য কর্নার
জেদ্দা এয়ারপোর্ট  - জেদ্দা শব্দের অর্থ মাতামহী। হজরত আদম (আ.) কে
বিস্তারিত