ভূমির আইন বিষয়ে পড়ালেখা


গতানুগতিক বিষয়গুলোর বাইরেও শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের বিষয় পড়ছেন, নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ নিচ্ছেন। দেশ-বিদেশে তৈরি হচ্ছে কাজের আরও নানা ক্ষেত্র। 
আমার প্রকৌশলে পড়ার খুব ঝোঁক ছিল ছোটবেলা থেকেই। কিন্তু স্বপ্নের বুয়েটে পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগই পেলাম না। কীভাবে, কেন, জানি না; সায়েন্সে পড়ার ইচ্ছাটাই চলে গেল। বিষয় পরিবর্তন করতে চাইলাম। আমার মতো মফস্বল এলাকার ছেলেমেয়েদের মধ্যে উচ্চমাধ্যমিকের পর ঢাকায় পড়তে যাওয়ার একটা হিড়িক পড়ে যায়। মনে হয় যেন ঢাকা শহরে না পড়লে এলাকায় আর মুখ দেখানো যাবে না! আমারও একই অবস্থা হয়েছিল। আমি রাজশাহী যেতে চাইনি। যা-ই হোক, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বি ইউনিট, অর্থাৎ আইন অনুষদের ফরম তোলা হয়েছিল। পরীক্ষা দিলাম। খুব যে আগ্রহ ছিল তা নয়।
কিন্তু পরীক্ষা দেওয়ার পর সবার মুখে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদের প্রশংসা শুনে শুনে নিজের মনের মধ্যেও সেখানে পড়ার একটা ইচ্ছা তৈরি হলো। ভাইভার ফল প্রকাশের পর দেখলাম, আমি সুযোগ পেয়েছি একটা নতুন বিভাগেÑ আইন ও ভূমি প্রশাসন। শুরুতে মনটাই খারাপ হয়ে গেল। ভাবলাম এখানে তো নিশ্চয়ই শুধু ভূমি নিয়ে পড়ানো হবে। আমার বোধ হয় আর বিচারক হওয়া হবে না।
ভুল ভাঙল প্রথম ক্লাসের পরই
আইন অনুষদে ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে নতুন এই বিভাগ খোলা হয়েছে, যার নাম ‘আইন ও ভূমি প্রশাসন’। যতদূর জানি, আমাদের দেশে জুডিশিয়াল সেকশনে যেসব মামলা হয়ে থাকে তার মধ্যে শতকরা ৮৫ ভাগই হয় জমিজমা-সংক্রান্ত। এটি মাথায় রেখেই ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভাগটি খোলা হয়। শুধু একাডেমিক পড়াশোনাই নয়, বিভিন্ন আইনের ব্যবহারিক জ্ঞান অর্জনের জন্য আমরা কমিউনিটি রিসার্চও করে থাকি। এটি আমাদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয়, উপভোগ্যও বটে। এর ফলে আমরা বিভিন্ন আইনের খুঁটিনাটি সম্পর্কে জানতে পারছি, পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের দক্ষতাও বাড়ছে। আমরা তাদের আইন সম্পর্কে সচেতন করতে পারছি।
একটা নতুন বিভাগের পথচলা শুরুর দিকে মসৃণ হয় না। কিন্তু আমরা ভাগ্যবান যে, ভীষণ আন্তরিক শিক্ষক পেয়েছি। শুধু পড়াশোনার ক্ষেত্রেই নয়, বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমে তারা যেভাবে আমাদের উৎসাহিত করেন, সেটা অনেক বড় পাওয়া। আমাদের যেভাবে পড়ানো হয়েছে, আমার বিশ্বাস, আমাদের ব্যাচের ছেলেমেয়েরা পাস করে বের হয়ে দেশের আইন সমাজে একটা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবে।
আমরা ছিলাম আইন ও ভূমি প্রশাসন বিভাগের দ্বিতীয় ব্যাচ। এবার চতুর্থ ব্যাচে ভর্তি হবে আরও কিছু নতুন মুখ (আসনসংখ্যা মাত্র ৫০)। নতুনদের জন্য শুভকামনা রইল।
 


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত