হজ তথ্য কর্নার

হজ গাইডের করণীয়

ষ নিজের দায়িত্বের আধীন সব হাজির ফোন নম্বরসহ ঠিকানা সংগ্রহ করে কাগজপত্র বুঝিয়ে দেওয়া এবং সময় মতো হজ ক্যাম্পে হাজির করা।

ষ হজ ক্যাম্পে, ব্যাংকে ও বিমানবন্দরের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্নে সহযোগিতা করা। 

ষ ওজু-ইস্তেঞ্জা, গোসল, ইহরাম পরা, বিমানে তায়াম্মুম, নামাজ, তালবিয়া পাঠ এবং প্রয়োজনীয় তালিমের ব্যবস্থা করা। 

ষ তালবিয়া অনেকেরই মুখস্থ নেই। তাই সময় নিয়ে সব হাজীকে তালবিয়ার সহিহ-শুদ্ধ মশকের ব্যবস্থা করবেন। 

ষ জেদ্দায় পৌঁছার পর মালপত্র সংগ্রহ, ইমিগ্রেশন পার করা, বাংলাদেশ মিশনের নির্ধারিত স্থানে সবাইকে একত্রিত করা এবং শান্তির্পূণভাবে লাগেজসহ নির্দিষ্ট বাসে উঠানো। এক বাসে যাত্রী আর অন্য বাসে লাগেজ উঠালে পরে পেতে সমস্যা হয়। 

ষ মক্কা শরিফে পৌঁছার পর হাতের বেল্ট ও গলার আইডি কার্ড সবাইকে সংরক্ষণ এবং বাইরে যাওয়ার সময় পরে থাকতে বলা। এরপর শান্তশিষ্টভাবে লাগেজসহ বাড়িতে নির্ধারিত রুমে পাঠানো এবং হারাম শরিফে যাওয়ার সময় ও ব্যবস্থা বলে দেওয়া। একা একা নতুন মানুষকে যেতে মানা করা। অভিজ্ঞ হাজী থাকলে প্রথম দিকে ৫-১০ জনের গ্রুপ করে দেওয়া ভালো। 

ষ জীবনের প্রথম সুন্নত ওমরা কোনো আলেম বা অভিজ্ঞ গাইড সঙ্গে থেকে করানো ভালো। ওজু করে তৈরি হওয়ার পর ওমরার আমলগুলো ফের সবাইকে বলে দেবেন। যেন কেউ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও ওমরা সমাপ্ত করে নির্দিষ্ট স্থানে বা বাসায় পৌঁছতে পারেন। 

ষ জমজমের পানির পাত্রগুলোতে ‘কোল্ড’ ও ‘নট কোল্ড’ লেখা থাকে। ‘নট কোল্ড’ বা ‘গাইরে মুবাররাদ’ ড্রাম থেকে নরমাল পানি পান করতে বলবেন। বহু মানুষ ঠান্ডা পানি পান করে সর্দি, জ্বর, গলাব্যথায় আক্রান্ত হয়ে নিজেও কষ্টে পতিত হন সাথীদেরও সফরের হালতে কষ্টের মধ্যে ফেলেন। 

ষ মহিলারা ওমরা পালন বা জরুরি না হলে ভিড়ের মধ্যে পুরুষদের সঙ্গে নামাজ আদায়ে যাওয়ার চেয়ে বাসায় নামাজ আদায় করা উচিত। কেননা, মহিলাদের জন্য জামাত ধরা ওয়াজিব নয়; কিন্তু পর্দা করা ফরজ। 

ষ কোনো হাজী রাস্তাঘাট না চিনলে তাকে কখনোই একাকি যেতে দেবেন না। দলবেঁধে যাওয়ার সময় বড় কোনো স্থাপনা বা ভবন ঠিক করে দেবেন যেখানে নামাজ বা তাওয়াফ-সাঈ শেষে সবাই একত্রিত হবে। 

ষ পরবর্তী দিনের করণীয় সব হাজীকে আগেই জানিয়ে দেবেন। মাসআলা-মাসায়েল হলে একজন অভিজ্ঞ মুফতি অথবা আলেম দ্বারা বয়ান করাবেন। বই দেখে মুজাকারা করবেন। 

ষ পর্দার আড়ালে মহিলাদের তালিম, জিকির ও বয়ানের ব্যবস্থা করবেন। বেশি বেশি আমলের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে কথা বলবেন। 

ষ পবিত্রতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ। এসব বিষয়ে একে অপরকে সহযোগিতা করবেন। কেউ যেন কারও কষ্টের কারণ না হন, এদিকে সবাই খুব খেয়াল রাখবেন। 

ষ সর্বদা হাজীদের খোঁজ-খবর রাখবেন। কেউ অসুস্থ হলে বাংলাদেশ হজ মিশনের চিকিৎসাকেন্দ্রে নিয়ে আসবেন। সাধারণ অসুখ হলে সঙ্গে থাকা ওষুধ-পথ্য খাইয়ে দেখতে পারেন। জটিল রোগ দেখা দিলে বা এক্সিডেন্ট করলে স্থানীয় লোকদের সঙ্গে বা বাড়ির হারেসের সঙ্গে কথা বলে হসপিটালে নিয়ে যাবেন। 

ষ হজের ৫ দিন প্রতিটি প্রোগ্রাম আগেই হাজীদের সঙ্গে আলোচনা করে কখন, কীভাবে কী করা হবে তা ঠিক করে নেবেন। সবাই মাশওয়ারার মাধ্যমে কাজগুলো করবেন। একসঙ্গে খাকার চেষ্টা করবেন। 

ষ মিনার তাঁবু নম্বর,  ব্লক নম্বর, গেট নম্বর, এরিয়ার পরিচিতিমূলক কোনো নিদর্শন সবাইকে বুঝিয়ে বা লিখে বের হতে দেবেন। এখানে হারালে ফিরে আসা একটু কঠিন। 

ষ আরাফা, মুজদালিফা ও মিনায় সব কাজ গাইডের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে করা নিরাপদ। না বলে কোনো দিকে না যাওয়া। 

ষ মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সব কাজ করা। 


অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে কোরবানি
মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা।
বিস্তারিত
অস্বচ্ছ লেনদেন এবং কোরবানি প্রসঙ্গ
বাবার হাতে ছেলে তার উপার্জনের টাকা তুলে দেবেÑ এতে আর
বিস্তারিত
জবাইসংক্রান্ত মাসআলা
মহিলার জবাই পুরুষের জবাইয়ের মতো। পুরুষের জবাইকৃত পশু যেমন হালাল,
বিস্তারিত
পশু কেনায় প্রতারণা থেকে বাঁচার
আসছে ঈদুল আজহা। এলাকায় এলাকায় বসবে পশুর হাট। মানুষ যাবে
বিস্তারিত
ইবরাহিম আদহামের জীবন কথা
ইবরাহিম আদহাম ছিলেন বলখের বাদশাহ। বলখের ভৌগলিক অবস্থান ছিল বৃহত্তর
বিস্তারিত
সুফিকোষ
আবদাল আরবি শব্দ। এটি বদল শব্দমূল থেকে গঠিত। আবদাল শব্দটি
বিস্তারিত