এইউডব্লিউ এর প্রযুক্তি উৎসব

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দেশের তরুণদের অবদান নজরকাড়ার মতো। নিজস্ব মেধা আর প্রয়াসকে কাজে লাগিয়ে দুরন্ত গতিতে ছুটে চলেছে তারা সাফল্যের সোপানে। প্রযুক্তির চাকাকে গতিশীল রাখতে তাদের কঠোর সাধনা আর নিরলস পরিশ্রম বিশ্বজুড়ে দারুণ সমাদৃত ও প্রশংসিতও হচ্ছে। আর এসব তরুণ শিক্ষার্থীর বিস্তর চিন্তাভাবনা, গবেষণার প্ল্যাটফরম করে দিতে ভার্সিটি পর্যায়ে নানা সময়েই উদ্যোগ নেওয়া হয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতা আয়োজনের। যেখানে বিকশিত হয় সুপ্ত প্রতিভার, চর্চা হয় জ্ঞানের। এরই ধারাবাহিকতায় সম্প্রতি চট্টগ্রামের এশিয়ান ইউনিভার্সিটি ফর উইমেনে (এইউডব্লিউ) চতুর্থবারের মতো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল আইসিটি ফেস্ট-২০১৮। এইউডব্লিউ আইটি ক্লাবের আয়োজনে আইইউটি, চুয়েট, চবিসহ ১০টি প্রতিষ্ঠান থেকে শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন এতে। তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আগ্রহ বৃদ্ধি ও নেটওয়ার্ক তৈরিই ছিল আয়োজনটির মূল লক্ষ্য।
ভার্সিটির ২০ জি রুফটপ হলরুমে দুই দিনব্যাপী আয়োজিত ফেস্টটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ও শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কম্পিউটার সায়েন্স-আইসিটি ডিপার্টমেন্ট প্রধান ও ক্লাবের উপদেষ্টা প্রফেসর আমিনা আকতার। এবারের আসরে মোট তিনটি বিভাগে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। বিভাগগুলো হলোÑ ডিবাগিং, পাজল হিরো এবং আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট। প্রথম দিন ডিবাগিংয়ের মধ্য দিয়ে হাতেখড়ি হয় এবারের আসরের আর দ্বিতীয় দিন পাজল হিরো ও আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট বিভাগে অংশ নেয় দলগুলো।
বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসা দলগুলো চারজন বিচারকের সমন্বয়ে গঠিত প্যানেলের সামনে তাদের যৌক্তিক আইডিয়া ও কর্মপন্থা উপস্থাপন করে। হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে সব দলকে পেছনে ফেলে পাজল হিরো বিভাগে জয় ছিনিয়ে নেয় ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব চিটাগাংয়ের (আইআইইউসি) টিম ক্রিপ্টিক, আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্টে ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজির (আইইউটি) টিম ক্যাপটিভেটরস এবং ডিবাগিং বিভাগে প্রথম স্থান অধিকার করেন আইআইইউসির মো. সাদরুল মুত্তাকিন হক নাজাত। বিজয়ীরা জানান, তাদের অর্জন আর উৎসবের তাৎপর্য নিয়ে। বলেন, সেতুবন্ধন তৈরি ও ডিজিটাইজেশনের এই যুগে আলোকিত মানুষ গড়তে এ ধরনের প্রযুক্তি উৎসব আয়োজনের বিকল্প নেই। প্রতিটি বিভাগের টাস্কগুলো ছিল আলাদা ও উত্তেজনাপূর্ণ।
ফেস্টে প্রধান অতিথি হিসেবে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিএসই ডিপার্টমেন্টের প্রফেসর হানিফ সিদ্দিকী উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া বিচারক হিসেবে ছিলেন উইমেন ইন ডিজিটালের ফাউন্ডার আছিয়া খালেদা নিলা, ডিরেক্টর ও বন্ডস্টেইনের জেনারেল কাউন্সিল জাফির শাফি চৌধুরী, টেলিনর হেলথের সিনিয়র সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার আনাম আহমেদ। 
পুরস্কার হিসেবে ডিবাগিং ও পাজল হিরো চ্যাম্পিয়ন টিমকে নগদ ৫ হাজার আর আইসিটি ফর ডেভেলপমেন্ট চ্যাম্পিয়ন টিমকে ১০ হাজার টাকা ও সনদপত্র তুলে দেন অতিথিরা। সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পর্দা নামে এবারের প্রযুক্তি উৎসবের।
গ্রন্থনা : খালিদ


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত