বর্ষার নাভিমূলে

ঝরঝর বৃষ্টির দিন

অবিরল জলধারার মেঘময় আকাশ
সংকুচিত কদম্ব ফুলের গোপনতা নিয়ে যাবে কোন মেঘদূত
কোলাহল শহর যেন পড়ে আছে
অবাক নিস্তব্ধতায় নির্বিকার
এই তো সেখানে ছিল প্রাণচঞ্চল
এখন যেন শুধুই কেতকীর কাছে দেনার হিসাব
বর্ষার নাভিমূলে নিঃসৃত সুরভিবাহন। 

সে কোন সুগন্ধ ছিল! যেন, টাটকা আলোক মুকুল শোভায়
সুপ্ত আশাগুলোর বিবর্ণ পত্রপল্লব যেন,
পড়ন্ত বিকেলের বৃষ্টিতে কতোশত বিব্রত মানুষেরা
আকাশের দিকে
চাতকের মতো চেয়ে থাকে
অলৌকিক টানে।

মৃত্যু নেই আশাগুলোর; মৃত্যুকে করেছে অধীন
সজীব বৃক্ষেরা সব জলের প্রাবল্যে হয়েছে অতিশয় নিস্তব্ধ
স্মৃতিতে ভাস্বর সেই সব স্বপ্ন, অলোক জ্যোৎস্নার স্নিগ্ধকর রাত
বেদনার আঁধার ভেঙে
প্রত্যাশিত জীবনের মায়াময় জ্যোৎস্না
শুধুই ঘুরে ফিরে  
ঢলে পড়ে যুগল মনমিনারের 
কুঞ্চিত শিখরে।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত