যুক্তরাজ্যে ফোজিতের আলোকচিত্র প্রদর্শনী

আলোকচিত্রী ফোজিত শেখের ক্যামেরায় ফুটে উঠেছে রোহিঙ্গা শিশুদের করুণ মুখ

মিয়ানমারের রাখাইন অঞ্চলে নির্বিচারে বর্বরোচিত নির্যাতন, ধর্ষণ, গণহত্যা ও উচ্ছেদ অভিযানের শিকার হয়ে জীবন বাঁচাতে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে ৮ লাখ রোহিঙ্গা। বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের জীবনযুদ্ধ নিয়ে দৈনিক আলোকিত বাংলাদেশের আলোকচিত্রী ফোজিত শেখ বাবুর দুটি আলোকচিত্র প্রদর্শনী লন্ডন শিল্পকলা একাডেমি এবং এজ হিল ইউনিভার্সিটিতে সম্প্রতি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের অবস্থা এতই মর্মস্পর্শী ও হৃদয় বিদারক যে, তা কারও বিবেককে নাড়া না দিয়ে পারে না। তাদের মানবেতর পরিস্থিতি অন্য সবার মতোই নাড়া দিয়েছে বাংলাদেশের ফটো সাংবাদিক ফোজিত শেখ বাবুকেও। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক রোহিঙ্গা সমাগম তার ছেলেবেলায় যখন বহুসংখ্যক রোহিঙ্গা প্রথম বাংলাদেশে আসতে শুরু করে সে সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তাই তো তার ক্যামেরায় ওঠে এসেছে রোহিঙ্গাদের করুণ জীবনের প্রতিচ্ছবি।
অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রচ্ছন্ন আকাক্সক্ষা ফোজিতের কর্মকাÐে ও অবস্থানে অটল রেখেছে। তিনি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় কক্সবাজার জেলায় আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের দুর্ভোগ, রোগ, পীড়াদায়ক পরিস্থিতির সব প্রমাণ তার ক্যামেরায় বন্দি করেছেন। এ ধরনের কাজের জন্য তাকে দিনের পর দিন রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে পরিশ্রম করতে হয়েছে। তিনি রোহিঙ্গাদের অপরিমেয় সহিষ্ণুতার অগ্নিপরীক্ষার চিত্র আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরতে পেরেছেন।
ফোজিত তার প্রদর্শনী নিয়ে স্মৃতিচারণ করে বলেন, ‘প্রদর্শনীর চিত্রগুলো মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর নৃশংস হত্যাকাÐের বিবরণ তুলে ধরে। অনেক চিত্রে ফুটে উঠেছে দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গা শিশু, যাদের মা-বাবাকে হত্যা করার পর তারা যাযাবরের মতো ঘুরে বেড়াচ্ছে। ছবিতে ফুটে উঠেছে সেসব মা-বোনের চিত্র মিয়ানমার বাহিনীর হাতে নৃশংসভাবে ধর্ষিত হয়ে যারা নিজেদের মুখ ঢেকে রাখেন, আশ্রয়হীন বয়োবৃদ্ধদের বাঁশের মাচায় ঠাঁই নেওয়ার চিত্র। প্রকৃতপক্ষে তারা অভিভাবকহীন এক সম্প্রদায়।’
ফোজিত জানান, ক্যাম্প পরিদর্শনকালে তিনি ড. তাসলিম সাকুরের মতো ধী-শক্তিসম্পন্ন ব্যক্তিত্বের সান্নিধ্য লাভ করেন। ড. শাকুর মনে করেন, পশ্চিমা দেশগুলো বর্তমান রোহিঙ্গা সংকট নিয়ে তেমন সচেতন নয়। ড. শাকুরই ফোজিতকে যুক্তরাজ্যে আলোকচিত্র প্রদর্শনী করায় উদ্বুদ্ধ করেন।
‘প্লিজ হেল্প ফর রোহিঙ্গা’ সেøাগান নিয়ে ‘হু আর দ্য নিউ বোট পিপল?’ শীর্ষক আলোকচিত্র প্রদর্শনী যুক্তরাজ্যের দুটি স্থানে দুটি সময়ে প্রদর্শিত হয়। ১ থেকে ১৪ জুন প্রদর্শনী চলে লন্ডনের এজ হিল ইউনিভার্সিটিতে। ৩১ মে এজ হিল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর ড. জন ক্যাটার ইউনিভার্সিটির আর্ট সেন্টারে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন। লন্ডন শিল্পকলা একাডেমিতে ৮ থেকে ১১ জুন পর্যন্ত চার দিনব্যাপী প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন আবদুল গাফ্ফার চৌধুরীসহ অতিথিরা।


আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ পেলেন ৯০ প্রাণী
পোলট্র্রির বিজ্ঞানসম্মত স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা, সঠিকভাবে রোগবালাই নির্ণয়, চিকিৎসা এবং রোগ
বিস্তারিত
সবার উপরে বাবা-মা
যে-কোনো মানুষের গায়ে হাত তোলাই অপরাধ। আর সন্তান হয়ে বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
স্মৃতির মানসপটে যুক্তরাজ্য সফর
বিদেশে যাওয়ার অভিজ্ঞতা হয়তো অনেকেরই হয়ে থাকে। তবে কলেজের প্রতিনিধি,
বিস্তারিত
ব্যবসার ধারণা : গড়তে চাইলে
নিজের পায়ে দাঁড়াতে হলে আপনাকে উদ্যোগী হতে হবে। আর উদ্যোক্তা
বিস্তারিত
৭৫ শতাংশ বৃত্তিতে আইটি ও
বিভিন্ন কারণে যারা আইটিতে দক্ষতা উন্নয়নের সুযোগ থেকে বঞ্চিত তাদের
বিস্তারিত
লক্ষ্য যখন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়
ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার বিপরীতে ক্রমাগত উর্বরা জমির পরিমাণ কমছে। জনসংখ্যার এ
বিস্তারিত