হজ তথ্য কর্নার

হজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

 

আরাফায় সূর্যাস্ত পর্যন্ত অবস্থান

- ৯ জিলহজ আরাফার মাঠে অবস্থান করা হজের প্রধান ফরজ। দুপুর (অর্থাৎ সূর্য পশ্চিমাকাশে হেলে পড়ার পর) থেকে অবস্থানের সময় শুরু হয়। আর সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করা ওয়াজিব। যদি কেউ দুপুর হয়ে যাওয়ার পর আরাফার মাঠে প্রবেশ করেন তাহলেও তার ফরজ আদায় হয়ে যাবে। তবে দুপুর হওয়ার আগে কিংবা পরে যখনই কেউ আরাফায় প্রবেশ করেন, সূর্যাস্তের আগে আরাফার মাঠ ত্যাগ করা বৈধ নয়। কিন্তু অনেককে দেখা যায়, আসরের পরই আরাফার মাঠ ছেড়ে যাওয়ার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত হয়ে পড়েন। বাসে ওঠা নিয়ে হুড়োহুড়ি শুরু হয়। বাস যদিও সরকারি নিয়মানুসারে সূর্যাস্তের পর ছাড়ে তবু কেউ কেউ হেঁটেই সূর্যাস্তের আগে আরাফার মাঠ ত্যাগ করেন। এতে দোয়া-কান্নাকাটির পরিবেশ ও রুচিÑ দুটোই নষ্ট হয়। অথচ এই সময়টিই দোয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও উপযুক্ত।

 

মুজদালিফায় যাওয়ায় বিলম্ব হলে পথেই নামাজ পড়ে নেওয়া

- আরাফার পরবর্তী গন্তব্য মুজদালিফা। সূর্যাস্তের পর আরাফা থেকে রওনা হয়ে মুজদালিফায় গিয়ে মাগরিব ও এশার নামাজ একত্রে পড়তে হয়। হেঁটে গেলে ঝুঁকিমুক্তভাবেই মুজদালিফায় গিয়ে রাতযাপন করা যায়। কিন্তু গাড়িতে গেলে যানজটের কারণে কখনও কখনও মুজদালিফায় পৌঁছার আগেই রাত শেষ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। নামাজ কাজা হওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি হলে রাত শেষ হওয়ার আগে পথেই নামাজ পড়ে নিতে হবে।

 

কোরবানির টাকা ব্যাংকে জমা দেওয়া

- কোরবানি হজের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যারা ‘হজে তামাত্তুু’ কিংবা ‘কিরান’ করেন, তাদের জন্য কোরবানি করা ওয়াজিব। কিন্তু আমাদের অনেক কাফেলাপ্রধানের বিরুদ্ধে কোরবানির টাকা খেয়ানত করার মতো চরম অভিযোগ ওঠে। এ তিক্ত পরিস্থিতির কারণে মুয়াল্লিম ও কাফেলাপ্রধানদের অনেকেই কোরবানির দায়িত্ব নেন না; বরং তা হাজীদের নিজেদের দায়িত্বে ছেড়ে দেন। হাজীরা তখন যেখানে-সেখানে যোগাযোগ করে কোনোরকম বিশ্বস্ততা ও নিশ্চয়তা ছাড়াই সরলমনে যে কাউকে দায়িত্ব দেন। আত্মসাতের অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধেও। 

- সৌদি সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাংকে কোরবানির টাকা জমা নেওয়া হয়। টাকা জমা নেওয়াকালে কোরবানির সময় উল্লেখ করে একটি সিøপ দেওয়া হয়। তবে এতেও কিছু জটিলতা রয়েছে। ১০ জিলহজ মুজদালিফা থেকে যাওয়ার পর তিনটি আমল করতে হয়Ñ প্রথমে কঙ্কর নিক্ষেপ করা, এরপর কোরবানি, সবশেষে মাথা কামিয়ে হালাল হওয়া। হানাফি মাজহাবের ফকিহদের বক্তব্য অনুসারে এ ধারাবাহিকতা রক্ষা করা জরুরি। ধারাবাহিকতা ভঙ্গ হলে দম দিতে হবে। কিন্তু যারা ব্যাংকের কোরবানি ব্যবস্থাপনার সঙ্গে যুক্ত তাদের কাছে এর ধারাবাহিকতা জরুরি নয়। তারা কোরবানির সময় লিখে দিয়ে যে সিøপ সরবরাহ করেন, বাস্তবে কোরবানি হতে হতে এর চেয়ে দেরি হয়ে যেতে পারে। 

- এজন্য যারা নিজে কিনে কোরবানি করতে পারেন কিংবা হারামে অবস্থানরত নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত কাউকে দিয়ে কোরবানি করাতে পারেন, তাদের জন্য এটাই সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। আর যদি নিজে করতে না পারেন কিংবা এমন বিশ্বস্ত কাউকে না পাওয়া যায়, তাহলে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়াই অধিক নিরাপদ। তবে সতর্কতামূলক সিøপে লিখে দেওয়া সময়ের চেয়ে একবেলা বা ছয় ঘণ্টা দেরি করে মাথা হলক করা উচিত।

 


২০১৯ সালে হজে গমনেচ্ছুরা এখনই
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, যারা ২০১৯
বিস্তারিত
নির্মল ও পবিত্র হৃদয়ের অধিকারী
রাসুলুল্লাহ (সা.) কে বলা হলো, সবচেয়ে উত্তম মানুষ কে? তিনি
বিস্তারিত
নবীজিকে নিয়ে অনুভূতি
প্রিয় পাঠক, দুই সপ্তাহ আগে আমরা রবিউল আউয়াল মাস উপলক্ষে
বিস্তারিত
রাসুল (সা.) থেকে এক বিরল
মানবতার দিশারী রাসুলে করিম (সা.) জীবনে কোনো দিন কাউকে কষ্ট
বিস্তারিত
নির্বাচনি ইশতেহারে ইসলামের প্রেরণা
ইশতেহারে বিচারবহির্ভূত হত্যাকা- বন্ধের ব্যাপারে স্পষ্ট বক্তব্য দেখতে পাওয়া যায়
বিস্তারিত
মানুষ মানুষের জন্য
শুক্রবার মানেই সাপ্তাহিক ছুটি। ছুটির দিন নানাজন নানাভাবে কাজে লাগিয়ে
বিস্তারিত