বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত পদাবলি

তিনি নেই, তিনি আজ অনেক বেশি আছেন


না প্রবল তুষার, না তেতে-ওঠা তেড়ে-আসা বালি
এক জীবনে কত আর তাবু পাল্টানো যায়?
কতবার শরণার্থী হতে পারে পোড় খাওয়া মানুষেরা?
ধৈর্য আর সাহস বুকে নিয়ে
মোটা ফ্রেমের ভাঙাচোরা চশমা
          আর ছিটকে-পড়া পাইপটিকেই
          তারা বাতিঘর বলে মেনে নিয়েছিল,
          মুক্তির মেলা পথ যে বাকি।
আচ্ছা, মৃত ব্যক্তি কীভাবে সাহায্য করবে,
          দেখাবে নির্ভুল পথ 
                      সঠিক গন্তব্য?

এভাবেই পথ চলা, আজ অব্দি থামাথামি নেই।

যারা কর্দমাক্ত, কলুষিত সোনার বাংলাকে
গভীর মমতা দিয়ে বুকে তুলে নিয়েছিলো
গলা উঁচু ক’রে গাঢ় স্বরে বলি,
           ‘আমার সোনার বাংলা
            আমি তোমায় ভালোবাসি...’।


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত