বঙ্গবন্ধুকে নিবেদিত পদাবলি

তিনি নেই, তিনি আজ অনেক বেশি আছেন


না প্রবল তুষার, না তেতে-ওঠা তেড়ে-আসা বালি
এক জীবনে কত আর তাবু পাল্টানো যায়?
কতবার শরণার্থী হতে পারে পোড় খাওয়া মানুষেরা?
ধৈর্য আর সাহস বুকে নিয়ে
মোটা ফ্রেমের ভাঙাচোরা চশমা
          আর ছিটকে-পড়া পাইপটিকেই
          তারা বাতিঘর বলে মেনে নিয়েছিল,
          মুক্তির মেলা পথ যে বাকি।
আচ্ছা, মৃত ব্যক্তি কীভাবে সাহায্য করবে,
          দেখাবে নির্ভুল পথ 
                      সঠিক গন্তব্য?

এভাবেই পথ চলা, আজ অব্দি থামাথামি নেই।

যারা কর্দমাক্ত, কলুষিত সোনার বাংলাকে
গভীর মমতা দিয়ে বুকে তুলে নিয়েছিলো
গলা উঁচু ক’রে গাঢ় স্বরে বলি,
           ‘আমার সোনার বাংলা
            আমি তোমায় ভালোবাসি...’।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত