মাছ শিকারি শঙ্খ চিল

তোমরা ভাবছ সাপ আবার কীভাবে খায়, যদি কামড় দেয়? আসলে সাপ খাওয়ার আলাদা কৌশল ওর জানা আছে। তাই সাপ কামড় দেওয়ার আগেই ও সাপকে খেয়ে ফেলে। এবার তোমরা প্রশ্ন করতে পার, পাখি হয়ে আরেক পাখি খায় কেন? আসলে এটা প্রকৃতির নিয়ম। একজন আরেকজনকে নির্ভর করে বাঁচে। যেমন বনের বাঘ হরিণ খেয়ে বাঁচে, কিংবা তোমরা যেমন মাছ, গরু, ছাগল বা মুরগির মাংস খাও, ঠিক তেমনি ওরাও
জেলে যেমন জাল দিয়ে পুকুরে মাছ শিকার করে, ঠিক তেমনি এরা পুকুরে মাছ শিকার করে পায়ের লম্বা নখ দিয়ে। তাই এর নামের আগে শিকারি কথাটি রয়েছে। অর্থাৎ এটি শিকারি পাখি। আর এ শিকারি পাখিটির নাম ‘শঙ্খ চিল’। এটি আমাদের সুলভ আবাসিক পাখি। অর্থাৎ বারো মাসই ও আমাদের দেশে স্থায়ীভাবে বসবাস করে। এছাড়া সুলভ হওয়ার কারণে বাংলাদেশের প্রায় সব বন ও অন্যান্য স্থানে একে উড়তে বা বসে থাকতে দেখা যায়। হয়তো তোমরাও ওকে তোমাদের পুকুরের আশপাশে দেখেছ। 
এরা উপকূলীয় এলাকা, প্যারাবন, ধানক্ষেত, নদীর মোহনা, জলাভূমি, আবর্জনার স্তূপ ও জেলেপল্লিতে বিচরণ করে। এদের খাদ্যতালিকায় রয়েছে মাছ, কাঁকড়া, ব্যাঙ, টিকটিকি, পোকা, মুরগিছানা, রোগাপাখি, মূষিক, ফেলে দেওয়া খাবার এবং ছোট সাপ। তোমরা ভাবছ সাপ আবার কীভাবে খায়, যদি কামড় দেয়? আসলে সাপ খাওয়ার আলাদা কৌশল ওর জানা আছে। তাই সাপ কামড় দেওয়ার আগেই ও সাপকে খেয়ে ফেলে। এবার তোমরা প্রশ্ন করতে পার, পাখি হয়ে আরেক পাখি খায় কেন? আসলে এটা প্রকৃতির নিয়ম। একজন আরেকজনকে নির্ভর করে বাঁচে। যেমন বনের বাঘ হরিণ খেয়ে বাঁচে, কিংবা তোমরা যেমন মাছ, গরু, ছাগল বা মুরগির মাংস খাও, ঠিক তেমনি ওরাও।
চলো এবার জেনে নিই এর শরীরের বর্ণনা। এর শরীরের দৈর্ঘ্য ৪৮ সেন্টিমিটার, ওজন ৬০০ গ্রাম, ডানা ৩৮ সেন্টিমিটার, ঠোঁট ৩.৬ সেন্টিমিটার, পা ৫.৫ সেন্টিমিটার ও লেজ ১৯.৩ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ডিসেম্বর থেকে এপ্রিল মাস এদের ডিমপাড়া ও বাচ্চা ফোটানোর সময়। তখন এরা বড় গাছে ডালপালা, জীর্ণকাপড় ও সবুজ পাতা বিছিয়ে এলোমেলোভাবে মাচার বাসা বানিয়ে ডিম পাড়ে। একসঙ্গে এরা দুই থেকে চারটি পর্যন্ত ডিম দিতে পারে। ডিমের রং সাদা এবং ডিমের আয়তন ৫.১ী৪.০ সেন্টিমিটার পর্যন্ত হয়ে থাকে। ২৬ থেকে ২৭ দিনের মাথায় এদের ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে।
এদের মাথার রং সাদা ও শরীর তামাটে রঙের। আমাদের যেমন ছেলে ও মেয়ের চেহারা আলাদা; কিন্তু এদের ছেলেপাখি ও মেয়েপাখির চেহারা একই রকম। এটি বাংলাদেশ ও বিশ্বে বিপদমুক্ত বলে বিবেচিত এবং বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী আইনে এ পাখিটিকে সংরক্ষিত ঘোষণা করা হয়েছে।

ছবি : লেখক


বন্ধু
আবুল বলল, ‘আমাগো ভুল বুইঝ না ভাই। আমরা আসলে...’, ‘তোরা
বিস্তারিত
হেমন্ত দিন
হেমন্ত দিন হরেক রঙিন হরেক রঙের খেলা বনে বনে ফুল-পাখিদের
বিস্তারিত
এলিয়েন এসেছিল
হামীম বসা থেকে দাঁড়িয়ে পড়ল। বললÑ কে তুমি? -হ্যাঁ আমি
বিস্তারিত
হেমন্ত এসেছে
মাঠে মাঠে সোনা ধানে প্রাণটা ফিরে পেল সেদ্ধ চালের গন্ধ
বিস্তারিত
বাংলা মায়ের সবুজ প্রাণ
ইস্টি কুটুম মিষ্টি পাখির দুষ্ট ছানা আকাশ নীলে মেলছে খুশির নরম
বিস্তারিত
হেমন্তের নেমন্ত
ধানের ছড়ায় ঝুলছে সোনা আসলো ঋতু হেমন্ত শিশির কণা চিঠি
বিস্তারিত