চিতার আগুনে

বিস্তীর্ণ ঘুমের অন্দরে

নিয়তির নিষ্ঠুর খেলার ছলে
এই প্রান্তরের ধূলিমাখা মেঠোপথে
লতা-পাতা-ঘাস-সবুজ গাছপালা
ভোরের আলোর সাথে করে খেলা
ধূমল ধূসর পূজার গন্ধ
সবই রয়ে যাবেÑ
দিগন্তময় নিশ্বাসে প্রশ্বাসে।

আমার এ চিরচেনা শহর-বন্দর-মাঠ
আঙিনার কামরাঙা গাছ
বিকেলের বন্ধু আর কোলাহল খেলার মাঠ
শিশুর তুলতুলে গালে চুমুমাখা পরশ
রবে কি তারা শব্দের প্লাবনে?

আমি কীÑ
হেমন্তের রিক্ত মাঠে পড়ে রবো
নিরন্ন পথের কিনারে
পাথরের মতোÑ
জোনাকির মিটিমিটি আলো-আঁধারে
রাতের শিশিরের সাথে মিশে
জীর্ণ ঝরাপাতার মতো
ঊষা রাঙা ভোরের প্রহরে
চিরকাল জ্বলে জ্বলে ছাইভষ্ম হব
চন্দন কাঠের চিতার আগুনে?


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত