মুমূর্ষুতা

মুমূর্ষুতা, বেঁচে থাকো; বাঁচা কোনো নাইটিঙ্গেলের ডানার 

অভ্যন্তরস্থ উষ্ণতার চেয়ে কম উপভোগ্য নয়। 
তবুও মানুষ দেখো, ভেতরের কলকব্জা শোনো। 
তবুও নার্সের কোনো হাত থেকে ইনজেকশন নিয়ে 
একবেলা বেশি দেখা যাবে হাসপাতালের দেয়াল, 
নিজের অধিক অসুস্থতাকে। 

দেখা যাবে স্বাস্থ্যময় চিকিৎসক কীভাবে কুঁকড়ে ওঠে স্ত্রীর টেলিফোন শুনে, আর নার্সকে ডেকে নিয়ে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়ার ছুতো অনুভব করা যাবে আরও তীব্রভাবে।

হাসপাতালের বারান্দায় প্রবেশ করা একটি পেয়ারা
গাছের ডাল কতটা সতেজ ধরে দেখতে অন্তত 
বেঁচে থাকো। মুমূর্ষুতা, তীব্রভাবে আরও বেঁচে থাকো।


আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী
সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া
বিস্তারিত
অমায়ার আনবেশে
সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি  হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
বিস্তারিত
শারদীয় বিকেল
ঝিরিঝিরি বাতাসের অবিরাম দোলায় মননের মুকুরে ফুটে ওঠে মুঠো মুঠো শেফালিকা
বিস্তারিত
গল্পের পটভূমি ইতিহাস ও বর্তমানের
গল্পের বই ‘দশজন দিগম্বর একজন সাধক’। লেখক শাহাব আহমেদ। বইয়ে
বিস্তারিত
ধোঁয়াশার তামাটে রঙ
দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ মনে রেখো
বিস্তারিত
নজরুলকে দেখা
আমাদের পরম সৌভাগ্য, এই উন্নত-মস্তকটি অনেক দেরিতে হলেও পৃথিবীর নজরে
বিস্তারিত