মুমূর্ষুতা

মুমূর্ষুতা, বেঁচে থাকো; বাঁচা কোনো নাইটিঙ্গেলের ডানার 

অভ্যন্তরস্থ উষ্ণতার চেয়ে কম উপভোগ্য নয়। 
তবুও মানুষ দেখো, ভেতরের কলকব্জা শোনো। 
তবুও নার্সের কোনো হাত থেকে ইনজেকশন নিয়ে 
একবেলা বেশি দেখা যাবে হাসপাতালের দেয়াল, 
নিজের অধিক অসুস্থতাকে। 

দেখা যাবে স্বাস্থ্যময় চিকিৎসক কীভাবে কুঁকড়ে ওঠে স্ত্রীর টেলিফোন শুনে, আর নার্সকে ডেকে নিয়ে ব্যবহারিক ক্লাস নেওয়ার ছুতো অনুভব করা যাবে আরও তীব্রভাবে।

হাসপাতালের বারান্দায় প্রবেশ করা একটি পেয়ারা
গাছের ডাল কতটা সতেজ ধরে দেখতে অন্তত 
বেঁচে থাকো। মুমূর্ষুতা, তীব্রভাবে আরও বেঁচে থাকো।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত