কে কারে করিবে ক্ষমা

তুমি এক অনন্তের পাখি। 

গাছে গাছে বনে বনে মনে মনে
আকাশের মেঘে মেঘে গান গাওÑ
পথে পথে বাঁধো হৃদয়ের রাখি।

তুমি উড়ে উড়ে দূরে চলে যাও
ফিরে ফিরে আসো, ভালোবাসো।
তবু তুমি কেন এত কষ্ট পাও? 
কেন তুমি আমাকে কাঁদাও?

তুমি রাধা নওÑ নও তো পাঞ্চালী।
তুমি বৃন্দাবনে খোলো না দেহের ভাঁজ;
নদীকুলেÑ গঙ্গা-যমুনার সুখে 
দেবী, তুমি সর্বদেহে মনে 
সমর্পিত নও পঞ্চপা-বের বুকে। 
কামরাঙা লাইলীর মতো তুমি একা মরে যাওÑ
একা ভেসে যাও প্রেমের সাগরে। 

তুমি এক আটপৌরে নারীÑ তুমি শঙ্খমালা;
তুমি সোনার প্রতীমা, শ্যামাÑসুন্দরের ছবি;  
তোমার নীরব চোখে অস্থির প্রতীক্ষা করে 
এক চ-ীদাসÑ শ্যামাঙ্গীর রূপমুগ্ধ কবি;

কোথায় হারিয়ে যেতে চাও তুমি?
জীবন সহজ হয়, মরণ সহজ তবু
প্রেম যদি অপরাধÑ তবে, প্রিয়তমা
কার এতো শক্তি বলো, এত স্পর্ধা কার? 
কে কারে করিবে ক্ষমা? 


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত