মন-ফেরিঅলা

মেয়ে তুমি মাছি মারো; না বসে বসে মন খুন করো

চারপাশে মন-ফেরিঅলা হৃদয় বিনিময়ের জন্য দাঁড়িয়ে

তাকানোর প্রয়োজন নেই কি শরতের কাশফুল, তোর?

 

শ্রাবণের কাঁচা তালের মতো কবির প্রেম নয়

কবি তো ঠাট্টায় পুড়ে যাওয়া আবেগের বাহক

আর্তনাদের সুতোয় গাঁথা ভয়ঙ্কর মুহূর্ত আর এমন রাতকানা, 

স্বপ্ন হাতড়ে বেড়াতে বেড়াতে যার দুরবস্থা

কবির আকুতিতে গোখরা সাপের মতো ফোঁস ফোঁস করো?

সারা অঙ্গে কবিতার ঢেউ বয়ে বেড়াও দিন থেকে রাতে

অথচ তুমি হ্যাঁ বললেই কবি রাজি জীবনকে তালাক দিতে 

কারণ, তোমার মুচকি হাসিই শতাব্দীর শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য।


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত