বন্ধকের শরয়ি হুকুম

দুবাই কমার্শিয়াল ব্যাংক

‘রহন’ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হলো যে কোনো কারণে কোনো বস্তুকে আটকে রাখা। শরিয়তের পরিভাষায় ‘রহন’ হলো কোনো দাবির বিপরীতে কোনো বস্তুকে এমনভাবে আটক রাখা, যাতে আটককৃত বস্তু দিয়ে দাবি, অধিকার বা পাওনা আদায় সম্ভব হয়। 

বন্ধক রাখার বিষয়টি ইসলামি শরিয়তে অনুমোদিত। আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যদি তোমরা সফরে থাক এবং কোনো লেখক না পাও তবে অধিকৃত বন্ধকি বস্তু নিজ দখলে রাখবে।’ (সূরা বাকারাহ : ২৮৩)। সূরা মুদ্দাচ্ছিরের ৩৮ নম্বর আয়াতে বলা হয়েছে, ‘প্রত্যেক ব্যক্তি নিজ কৃতকর্মের দায়ে আবদ্ধ (রহিনাহ)।’ রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে এক ইহুদি থেকে বাকিতে কিছু খাদ্য ক্রয় করেছিলেন এবং সেই ঋণের গ্যারান্টি হিসেবে তার বর্মটি ইহুদির কাছে রহন (বন্ধক) রেখেছিলেন।

হজরত আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যবের বিনিময়ে তার বর্ম বন্ধক রেখেছিলেন। আমি একবার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খেদমতে যবের রুটি এবং দুর্গন্ধযুক্ত চর্বি নিয়ে গেলাম, তখন তাকে বলতে শুনলাম, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরিবার-পরিজনের কাছে কোনো সকাল বা সন্ধ্যায় এক সা’ এর অতিরিক্ত (কোনো খাদ্য) দ্রব্য থাকে না। (আনাস রা. বলেন) সে সময়ে তারা মোট নয় ঘর (নয় পরিবার) ছিলেন।

সুতরাং বন্ধক রাখা ইসলামি শরিয়তে স্বীকৃত একটি বিষয়। এ বিষয়ে উম্মতের ফুকাহায়ে কেরাম বিভিন্ন উক্তির মাধ্যমে বিষয়টিকে আরও স্পষ্ট করেছেন। আল্লামা মারগিনানি (রহ.) তার লিখিত হিদায়া কিতাবের ‘রহন’ অধ্যায়ে বলেছেন, রহন (বন্ধক) রাখা জায়েজ হওয়ার ব্যাপারে ইজমা রয়েছে। রহন (বন্ধক) হচ্ছে নিজের পাওনা উসুল নিশ্চিত করার নিমিত্তে সম্পাদিত একটি চুক্তি।

ইসলামি শরিয়তে বন্ধক প্রথা মূলত ঋণের গ্যারান্টির জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে বন্ধক সাধারণত জমির ক্ষেত্রে, বাকি বেচাকেনাতে ও করজে হাসানার ক্ষেত্রে হয়ে থাকে। বন্ধকের কয়েকটি চিত্র নিম্নরূপ। 

উদাহরণ-১

রাশেদ খালেদের কাছ থেকে ব্যবসার জন্য পাঁচ লাখ টাকা ধার নিয়েছেন। পরিশোধের নিশ্চয়তাস্বরূপ খালেদের কাছে ১৫ ভরি স্বর্ণ বন্ধক রেখেছেন। দুই বছর হয়ে গেছে। এখনও রাশেদ সেই টাকা পরিশোধ করতে পারছেন না। তাই স্বর্ণগুলো এখনও বন্ধক রয়ে গেছে। 

উদাহরণ-২

কোনো সমিতির কাছে সমিতির কিছু টাকা জমা আছে। এখন সমিতিটির লোকজন চাচ্ছে সেগুলো কোনো কাজে খাটিয়ে মুনাফা অর্জন করতে। তারা একটি দোকান/ঘর এভাবে বন্ধক নিতে চাচ্ছে, এক লাখ টাকা দোকান মালিককে দিয়ে তার থেকে দোকান বুঝে নেবে। অতঃপর সে দোকানটিকে দোকানের মালিক বা অন্য কারও কাছে ভাড়া দিয়ে দোকানের মাসিক ভাড়া সমিতির ক্যাশে রাখবে। অতঃপর যখন মালিক এক লাখ টাকা দিয়ে দেবে তখন সমিতি তার দোকান তাকে বুঝিয়ে দেবে।

উদাহরণ-৩

এক ব্যক্তি রাশেদের কাছ থেকে তিন বছরের জন্য ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন। রাশেদ তার থেকে বন্ধক হিসেবে তার স্ত্রীর কিছু স্বর্ণ-গহনা নিয়েছেন। 

উদাহরণ-৪

ফাতেমা একটি বাড়ির ২টি ফ্লোর ৩ বছর মেয়াদে বন্ধক নিয়ে বাড়ির মালিককে ৪০ লাখ টাকা প্রদান করতে চান। বিনিময়ে ২ ফ্লোরের ভাড়া নিয়ে তিনি লাভবান হবেন। মেয়াদ শেষে তিনি সম্পূর্ণ টাকা ফেরত পাবেন।

উদাহরণ-৫

আবদুল্লাহর কিছু দোকান আছে। সে সেগুলো ১ বছর বা তার চেয়ে বেশি সময়ের জন্য ভাড়া দিয়ে থাকে। ভাড়া দেওয়ার সময় ভাড়া গ্রহীতা থেকে দোকানের সাইজ হিসাবে দুই-তিন লাখ টাকা সিকিউরিটি মানি নিয়ে থাকে। 

উল্লেখ্য, ভাড়াগ্রহীতা থেকে ভাড়া চুক্তির সময় অগ্রিম কিছু অর্থ গ্রহণের দুটি পদ্ধতি প্রচলিত রয়েছে। 

১. ভাড়াদাতা জামানত হিসেবে ভাড়া গ্রহীতা থেকে একটি অঙ্কের অর্থ গ্রহণ করে থাকে। ভাড়া-চুক্তি শেষে তা আবার ভাড়া গ্রহীতাকে ফেরত দিয়ে দিতে হয়। যাকে সিকিউরিটি মানি বলে। ২. ভাড়ার অগ্রিম হিসেবে ভাড়া গ্রহীতা থেকে এককালীন কিছু অর্থ গ্রহণ করা হয় এবং প্রতি মাসেই এর থেকে কিছু কিছু করে ভাড়া কাটা হয়। যাকে অ্যাডভান্স বলে। সিকিউরিটি মানি তথা জামানত হিসেবে যে অর্থ ভাড়াদাতার কাছে জমা রাখা হয় তা বন্ধক হিসেবে থাকে।

ঋণ দিয়ে জমি বন্ধক রাখা, বাকিতে বেচাকেনাতে কোনো জিনিস ঋণের গ্যারান্টিস্বরূপ বন্ধক রাখা, করজে হাসানা দিয়ে স্বর্ণ-গহনা বন্ধক রাখা ও বন্ধক রেখে বন্ধকি বস্তু ভাড়ায় দিয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে তা থেকে উপকৃত হওয়ার জন্য বন্ধক রাখা ইত্যাদি আমাদের সমাজের বন্ধকের কিছু উদাহরণ। 

বন্ধক রাখা হয় মূলত ঋণের গ্যারান্টিস্বরূপ। ঋণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিশ্বস্ততার অভাব দেখা দিলে গ্যারান্টি রাখতে হয়।  ইসলামি শরিয়তের একটি বড় মূলনীতি হলো, ঋণ দিয়ে কোনো কিছু গ্রহণ করা ইসলামের দৃষ্টিতে সুদ হিসেবে গণ্য। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, ‘যেসব ঋণ প্রদানের কারণে ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি থেকে কোনো ধরনের উপকার বয়ে নিয়ে আসে সেটা সুদ হবে।’ (আল-মাতালিবুল আলিয়া বি-যাওয়ায়িদি মাসানিদি ছামানিয়া, ১৪৮৪; সুনান আল কুবরা, বায়হাকি, ৫/৫৭৩, হা. ১০৯৩৩; বাগিয়্যাতুল বাহেস আন যাওয়ায়িদিল মুসনাদিল হারেস ১/৫০০০, হা. ৪৩৭; আল মুগনি আনিল হিফজি ওয়াল কিতাব, পৃ. ৮১)। 

উক্ত হাদিসে ‘নাফউন’ শব্দের অর্থ উপকার, লাভ, মুনাফা ইত্যাদি। এই লাভ ও মুনাফা ব্যাপক। চাই তা অর্থ দ্বারা হোক বা অন্য যে কোনো উপায়ে অর্জিত হোকÑ সবই এর অন্তর্ভুক্ত। তদ্রƒপ চাই তা চুক্তিতে শর্তযুক্ত হোক বা সামাজিক প্রথা ও রীতির ভিত্তিতে শর্তযুক্ত হোকÑ সবটাই উদ্দেশ্য।

সুতরাং বন্ধককৃত বস্তু থেকে উপকৃত হলে ঋণ দিয়ে উপকার গ্রহণ করা হয় বিধায় বন্ধককৃত বস্তু থেকে উপকার হাসিল করা জায়েজ নয়। মুহাম্মাদ ইবনে সিরিন (রহ.) থেকে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) এর নিকট এক ব্যক্তি এসে বলল, আমার কাছে এক ব্যক্তি একটি ঘোড়া বন্ধক রেখেছে। আমি এতে আরোহণ করেছি। (এর কী হুকুম?) তখন আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) বললেন, তুমি এর পিঠ থেকে (আরোহণ করে) যে উপকৃত হয়েছ তা সুদের অন্তর্ভুক্ত। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা. ১৫০৭১)।

তাই টাকাওয়ালার জন্য ঋণ দিয়ে কোনো কিছু বন্ধক রেখে তা ভোগ করা, বাকি বেচাকেনায় বিক্রেতার জন্য বন্ধককৃত বস্তু থেকে উপকার হাসিল করা অনুরূপ করজে হাসানাদাতার জন্য বন্ধককৃত বস্তু থেকে উপকৃত হওয়া সুদের অন্তর্ভুক্ত বিধায় হারাম। 

আমাদের দেশের জমি বন্ধক রাখার যে প্রচলন রয়েছে তা ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে হারাম। কারণ টাকাওয়ালা ঋণ দিয়ে বন্ধক হিসেবে যে জমিটি পান তা তিনি ভোগ করে থাকেন। অথচ ঋণ দিয়ে বিনিময়ে গ্রহীতা থেকে কোনো ধরনের উপকৃত হওয়াকেই সুদ বলা হয়। অতএব বন্ধকি জমি থেকে কোনো প্রকার উপকৃত হওয়া জায়েজ হবে না। 

ফুকাহায়ে কেরাম এর বিকল্প হিসেবে বলেছেন, ঋণদাতা জমি বন্ধক রাখার পরিবর্তে জমিটি লিজ বা ভাড়ায় রাখবে। এতে জমিটি তার জন্য ভোগ করা জায়েজ হবে। তবে এর জন্য শর্ত হলো দুটি।  

ক. জমির ভাড়ার চুক্তিটি ঋণের চুক্তি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা হতে হবে। একটির জন্য অপরটি প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ কোনোভাবেই শর্ত থাকতে পারবে না। সুতরাং ঋণ প্রদানের পর যদি ঋণগ্রহীতা তার জমি ভাড়ায় দিতে অস্বীকার করে তাহলে তাকে চাপ প্রয়োগ করা যাবে না। 

খ. জমির ভাড়া সমাজের প্রচলন অনুযায়ী ন্যায়সঙ্গত হতে হবে। লামছাম হলে চলবে না। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা, হা. : ২১০৭৮ ১৩/৬৪৮; আন-নুতাফ ফিলফাতাওয়া ২৯৬; বাদায়েউস সানায়ে ৬/৫১৮; ফাতাওয়া খানিয়া ৩/৫৯৬; ফাতাওয়া বাযযাযিয়া ৬/৭৪; রদ্দুল মুহতার ৬/৫২৩; আলফাতাওয়াল ওয়ালওয়ালিজিয়া ৫/৬৯; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস : ৩৭৮৩; ফাতহুল কাদির ৬/৮০-৮১)।

মোটকথা, ঋণের গ্যারান্টির জন্য সাধারণ বেচাকেনা ও করজে হাসানার ক্ষেত্রে রহন বা বন্ধক রাখাতে কোনো সমস্যা নেই। তবে অবশ্যই বন্ধকি বস্তু থেকে কোনো ধরনের উপকার হাসিল করা যাবে না। 

হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.), আবদুল্লাহ ইবনে উমর (রা.), ইবরাহিম নাখায়ি (রহ.), শাবী (রহ.) প্রমুখ সাহাবা-তাবেয়ি থেকে বর্ণিত আছে, তারা বলেন, আগাম বিক্রিতে বিক্রেতা থেকে বন্ধক নিলে তাতে কোনো অসুবিধা নেই। (মুসান্নাফে আবদুর রাযযাক, হা. ১৪০৮৬, ১৪০৮৭, ১৪০৯০; কিতাবুল আসার, হা. ৭৪২; সুনানে কুবরা বাইহাকি, ৬/১৯)।

তবে ক্রেতার জন্য ওই বন্ধক থেকে কোনোভাবে উপকৃত হওয়া বৈধ হবে না। (কিতাবুল আছল ২/৩৮৩; ফাতাওয়া হিন্দিয়া ৫/৪৪৯; শরহুল মাজাল্লাহ ৩/২১২; রদ্দুল মুহতার ৬/৪৮২)।

বন্ধকি বস্তু বন্ধকগ্রহীতার কাছে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তা বন্ধকদাতার মালিকানায় থাকে। সুতরাং মালিক যখন তার বন্ধক রাখা বস্তুটি ফিরে পাবে তখন তাকে তার বিগত বছরের জাকাত দিতে হবে। অবশ্য মালিক চাইলে বন্ধক থাকা অবস্থায়ই ওই বন্ধকি বস্তুর জাকাত বছরে বছরে আদায় করে দিতে পারেন। (কিতাবুল আছল ৩/১৭৫; মাবসুত, সারাখসি, ২১/১২২)।

কোনো সমিতির জন্য বন্ধক রেখে তা দ্বারা উপার্জন করা সম্পূর্ণরূপে একটি নাজায়েজ কাজ। কেননা বন্ধকি বস্তু থেকে উপকৃত হওয়া সুদের অন্তর্ভুক্ত। মুসলমানদের এ ধরনের কারবার থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাকা আবশ্যক। (খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৪২৩; আলমুহিতুল বুরহানি ৯/১৬৫; রদ্দুল মুহতার ৬/৪৮১-১৮৩)।

সিকিউরিটি মানি তথা জামানত হিসেবে যে অর্থ ভাড়াদাতার কাছে জমা রাখা হয় তা বন্ধক হিসেবে থাকে। 

সুতরাং ভাড়াদাতার জন্য সিকিউরিটি মানি ব্যবহার করা কোনোভাবেই জায়েজ  নয়। 

অনেকের ধারণা, এক্ষেত্রে সিকিউরিটির টাকা ভাড়া গ্রহীতা থেকে ঋণ হিসেবে নিলে তা ব্যবহার করা যাবে। এই ধারণাটি ভুল। কেননা সিকিউরিটি মানির টাকাকে ঋণ ধরা হলে যে ক্ষেত্রে সিকিউরিটি মানির কারণে ভাড়া কম নেওয়া হবে সেক্ষেত্রে ঋণের কারণে ভাড়া কম নেওয়া হয়েছে বলে ধর্তব্য হবে। আর ঋণের কারণে কোনো সুবিধা ভোগ করা সুদের অন্তর্ভুক্ত।

তাছাড়া এভাবে একটি চুক্তির সঙ্গে আরেকটি চুক্তি শর্তযুক্ত করে কারবার করাও নাজায়েজ। হাদিস শরিফে এ ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা এসেছে। তাই সিকিউরিটির টাকা ভাড়াগ্রহীতা থেকে করজ হিসেবে নেওয়ারও কোনো সুযোগ নেই। বরং ভাড়াদাতা নিজে ব্যবহারের জন্য ভাড়া গ্রহীতা থেকে এককালীন কিছু অর্থ নিতে চাইলে তা অ্যাডভান্স তথা অগ্রিম ভাড়া হিসেবে নিতে পারবে। যা চুক্তি অনুযায়ী ভাড়া হিসেবে কর্তিত হবে। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস ৬৬২৮; শরহুল মাজাল্লা, খালিদ আতাসি ৩/১৪৫, ১৯৬; মাবসুত, সারাখসি ১৪/৩৫, ২১/১০৮; কিতাবুল আসল ৩/১৬৩; মাজাল্লাতুল আহকামিল আদলিয়া, মাদ্দাহ : ৪৬৮)।

 

লেখক : সহকারী মুফতি, জামিয়া রহমানিয়া সওতুল হেরা, টঙ্গী, গাজীপুর


ইসলামে মালিকানার স্বাধীনতা
মালিকানা যদি অবৈধ পন্থায় বা উপায়ে অর্জিত  হয়, তাহলে ইসলাম তার
বিস্তারিত
অর্থনীতির সমৃদ্ধিতে মহানবী (সা.) এর
বিশ্ববাসীর কল্যাণ ও বেঁচে থাকার কথা চিন্তা করে মানবতার নবী
বিস্তারিত
এই দোয়া পড়লে ‌‘মৃত্যু’র আযাব
এই দোয়া পড়লে ‌- একজন মুমিন মুসলিমের জীবন মৃত্যুর আগ
বিস্তারিত
হকিকতে পৌঁছার সাধনার পথ
এমন বিশ্বস্ত পথপ্রদর্শক পেতে হলে তোমাকে কোমরে গামছা বেঁধে নামতে
বিস্তারিত
হিংসা নয় ভালোবাসা অটুট থাকুক!
কাজী সুলতানুল আরেফিন আমাদের মধ্যে অনেকেই আছেন, যারা অপরের ভালো কিছু
বিস্তারিত
ধনী ও দরিদ্রের মধ্যে পার্থক্য
হাসান বসরি (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ওমর ইবনুল খাত্তাব
বিস্তারিত