হজরত উযায়ের (আ.) এর অভিজ্ঞতা

হজরত উযায়ের (আ.) সম্রাট বুখতে নসরের আক্রমণ-পরবর্তী যুদ্ধবিধ্বস্ত বাইতুল মুকাদ্দসের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। এ সময় এ এলাকার সব লোক মৃত্যুবরণ করেছিল এবং ঘর-বাড়িগুলো ছাদসহ ধসে পড়েছিল। এলাকার বিপর্যস্ত এই অবস্থা দেখে হজরত উযায়ের (আ.) অবাক বিস্ময়ে বিমূঢ় হয়ে চিন্তা করতে লাগলেন যে, আল্লাহ তায়ালা এই মৃত জনপদকে কীভাবে জীবিত করবেন? তখন আল্লাহ তায়ালা দুনিয়ায় থাকা অবস্থায়ই তাকে মৃতকে জীবিত করার বিষয়টি প্রত্যক্ষ করান। মহাগ্রন্থ আল কোরআনে ঘটনাটি এভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, ‘তুমি কি সে লোককে দেখনি যে এমন এক জনপদ দিয়ে যাচ্ছিল যার বাড়িঘরগুলো ভেঙে ছাদের ওপর পড়ে ছিল? সে বলল, কেমন করে আল্লাহ মরণের পর একে জীবিত করবেন? অতঃপর আল্লাহ তাকে মৃত অবস্থায় রাখলেন ১০০ বছর। তারপর তাকে উঠালেন। বললেন, কতকাল এভাবে ছিলে? বলল, আমি ছিলাম, একদিন কিংবা একদিনের কিছু কম সময়। বললেন, তা নয়; বরং তুমি তো ১০০ বছর ছিলে। এবার চেয়ে দেখ নিজের খাবার ও পানীয়ের দিকেÑ সেগুলো পচে যায়নি এবং দেখ নিজের গাধাটির দিকে। আর আমি তোমাকে মানুষের জন্য দৃষ্টান্ত বানাতে চেয়েছি। আর হাড়গুলোর দিকে চেয়ে দেখ যে, আমি এগুলোকে কেমন করে জুড়ে দিই এবং সেগুলোর ওপর মাংসের আবরণ পরিয়ে দিই! অতঃপর যখন তার ওপর এ অবস্থা প্রকাশিত হলো, তখন বলে উঠলÑ আমি জানি, নিঃসন্দেহে আল্লাহ সর্ববিষয়ে শক্তিমান।’ (সূরা বাকারা : ২৫৯)।


বুদ্ধির হেরফেরে তিন মাছের পরিণতি
সাগরকূলে পরিত্যক্ত ঘেরে তিনটি বড় মাছ আশ্রয় নিয়েছিল। পড়ন্ত বিকেলে
বিস্তারিত
মিথ্যা সব গোনাহের মূল
ঘড়ির কাঁটা দুপুর ১২টা ছুঁই ছুঁই। আমি সাতরাস্তার মোড় থেকে
বিস্তারিত
সুফিকোষ
  ‘গাঊছ’ শব্দটি আরবি, বাংলায় গাওছ, গওছ বা গাউস ও গওস
বিস্তারিত
সত্যবাদী ও সত্যবাদিতা
মানুষ সৃষ্টির সেরা জীব। মানুষের অঙ্গগুলো সুন্দরভাবে সঠিক পথে চলতে
বিস্তারিত
আদর্শ শিক্ষকের দায়িত্ব ও মর্যাদা
শিক্ষকতা পেশা হলো পৃথিবীর সমুদয় পেশার মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট ও শ্রেষ্ঠ।
বিস্তারিত
আত্মহত্যা প্রতিরোধে ইসলাম
জাতীয় পর্যায়ে আত্মহত্যা রোধ করতে হলে অবশ্যই জাতীয় পর্যায়ে প্রত্যেকটি
বিস্তারিত