জাতীয় কবি

ছোট্টবেলায় বাবা মারা যান অসহায় হন ‘দুখু’

সংসারে তার হাল ধরা চাই বয়সটা ঐটুকু।
মনোবল যার দৃঢ় প্রত্যয় সাহস রয়েছে বুকে,
এগোতে গেলেই বাধার পাহাড় পায়ে পায়ে যেন ঠুকে।

মসজিদে নেন ইমামতির ভার, ‘চুরুলিয়া’ হয় থাকা,
ছক বাঁধা কোনো নিয়মে তাকে যায় না কখনও রাখা।
লেটোর দলে যোগ দিয়ে কবি হলেন সুরের পাখি,
লিখে লিখে গান নিজে গেয়ে যান সুরের মাখামাখি।

ইশকুলে যত মিস করা হতো নিয়মের শত বালাই
ভাবখানা তার এমন ছিল সুযোগ পেলে পালাই।
উচাটন মন সৃষ্টি কাজের দৃষ্টি যখন মেলে,
সুখ-সাঁতারে তীর খুঁজে পান ঢেউয়ের বহর ঠেলে।

কবিও পারেন যুদ্ধে যেতে তাই ‘সৈনিক’ বেশে
কাব্য মুখে সাহস বুকে যোগ দিয়েছেন শেষে।
লেখায় আবার কবি নিজেকে ব্যস্ত রাখেন খুব,
নব নব যত সৃষ্টি-খেলায় ভাবনায় দেন ডুব।

নতুন খেলার প্রতিপাদ্য গল্প-কবিতা-গান,
স্বপ্ন-দুয়ার খোলা কবির লেখায় পৌঁছে যান।
একটানা যিনি লেখার দৌড়ে সৃষ্টি-রাজ্য পেলেন,
‘বাকরুদ্ধ’ জীবন ঘিরে দারুণ হোঁচট খেলেন।

১১ জ্যৈষ্ঠ জন্ম কবির ১২ ভাদ্র আবার,
বাকরুদ্ধ জীবন শেষে পরপারে হলো যাবার।
‘মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই’
কবির চাওয়া মর্মবাণী পূর্ণ হলো তাই।

দুখু নজরুল ‘বিদ্রোহী কবি’ ‘জাতীয় কবি’ আজ
এ জাতি তাকে ভালোবাসা মাখা পরাল যে নয়া তাজ।


বন্ধু
আবুল বলল, ‘আমাগো ভুল বুইঝ না ভাই। আমরা আসলে...’, ‘তোরা
বিস্তারিত
হেমন্ত দিন
হেমন্ত দিন হরেক রঙিন হরেক রঙের খেলা বনে বনে ফুল-পাখিদের
বিস্তারিত
এলিয়েন এসেছিল
হামীম বসা থেকে দাঁড়িয়ে পড়ল। বললÑ কে তুমি? -হ্যাঁ আমি
বিস্তারিত
হেমন্ত এসেছে
মাঠে মাঠে সোনা ধানে প্রাণটা ফিরে পেল সেদ্ধ চালের গন্ধ
বিস্তারিত
বাংলা মায়ের সবুজ প্রাণ
ইস্টি কুটুম মিষ্টি পাখির দুষ্ট ছানা আকাশ নীলে মেলছে খুশির নরম
বিস্তারিত
হেমন্তের নেমন্ত
ধানের ছড়ায় ঝুলছে সোনা আসলো ঋতু হেমন্ত শিশির কণা চিঠি
বিস্তারিত