বিএনপির জনসভায় মির্জা ফখরুল

‘দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর মাধ্যমেই বিএনপির জন্ম’

দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র চালুর মাধ্যমেই বিএনপির জন্ম হয়েছে বলে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘দেশ স্বাধীন হওয়ার পর একদলীয় শাসন কায়েম করা হয়। সেই একদলীয় শাসন থেকে দেশকে মুক্ত করে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র কায়েম করেন জিয়াউর রহমান।’

শনিবার (১ সেপ্টেম্বর) বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর নয়াপল্টনে আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘দেশে আবারও একদলীয় শাসন কায়েমের চেষ্টা চলছে। আর সেই চেষ্টা সফল করার জন্যই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে মিথ্যা মামলা দিয়ে একটি পরিত্যক্ত জায়গায় রাখা হয়েছে। বিএনপি চেয়ারপারসনকে কারাগারে নেয়ার পর থেকেই তিনি অসুস্থ। তার চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হচ্ছে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের হাজার হাজার নেতাকর্মীকে কারাবন্দি করা হয়েছে। সরকার মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের হয়রানি করছে। হত্যা, গুম করে দেশে দুঃশাসন কায়েম করার চেষ্টা চালাচ্ছে। আমাদের শপথ করতে হবে, আমরা অবশ্যই দেশকে এই দুঃশাসন থেকে মুক্ত করব।’

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের নেতারা দুঃস্বপ্ন দেখে আসল-আসল বিএনপি আসল, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান আসল। এই নিয়ে তাদের ঘুম হয় না। ২৪ ঘণ্টায় তাদের ভীতি কাজ করে। এ থেকে রক্ষা পেতে এখন ইভিএম নিয়ে ষড়যন্ত্র শুরু করেছে, কারণ তারা জানে এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হলে তাদের আর শেষ রক্ষা হবে না।’


ফখরুল বলেন, ‘আওয়ামী লীগ সব সময় বলত আওয়ামী লীগ হচ্ছে যুবকদের দল, তরুণদের দল। কিন্তু বর্তমানে তরুণ সমাজ আওয়ামী লীগের দুঃশাসনে হাঁপিয়ে উঠেছে। তারা এই দুঃশাসন থেকে মুক্তি চায়।’

বর্তমানে আওয়ামী লীগ দেশকে বাকরুদ্ধ করতে চাই উল্লেখ করে মহাসচিব বলেন, ‘এখন সরকারের বিরুদ্ধে সত্য কথা বললেও তাকে কারাবন্দি করা হচ্ছে। রিমান্ডে নিয়ে তাদের অমানুষিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আন্তর্জাতিক পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব শহীদুল আলমকে মারতে মারতে কারাগারে নেয়া হয়েছে। রিমান্ডে নিয়ে তার ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। বর্তমান সরকারকে অবৈধ বলাই তার দোষ।’

বিএনপি মহাসচিব দেশের জনগণের প্রতি আকুল আবেদন জানিয়ে বলেন, ‘দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করার দায়িত্ব আপনাদেরই। আপনারা খালেদা জিয়াকে মুক্ত করুন।’

এর আগে বিএনপির ৪০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নয়াপল্টনে দলটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ট্রাকের ওপর একটি অস্থায়ী মঞ্চ স্থাপন করে জনসভা শুরু হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। সভাপতিত্ব করেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

শনিবার দুপুর ২টায় জনসভা শুরু হলেও অনেক আগে থেকেই দলের অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা নয়াপল্টনে জড়ো হতে থাকেন। হাজার হাজার নেতাকর্মীরা এসে জনসভায় যোগ দেন। মূল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার আগেই ফকিরাপুল মোড় থেকে নাইটেঙ্গল মোড় পর্যন্ত লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।


১ অক্টোবর থেকে আন্দোলন
দলীয় নেতাকর্মীদের আগামী ১ অক্টোবর থেকেই আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত হতে
বিস্তারিত
রাজধানীতে জনসভা করবে বিএনপি
আগামী বৃহস্পতিবার ঢাকার সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অথবা দলীয় কার্যালয়ের সামনে জনসভা
বিস্তারিত
বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য টিকবে না:
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল
বিস্তারিত
সংবিধান অনুযায়ী ডিসেম্বরে নির্বাচন হবে:
আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক বলেছেন, নির্বাচনের সময় থাকবে নির্বাচনকালীন সরকার।
বিস্তারিত
আওয়ামী লীগের মনোনয়ন দৌড়ে তরুণরা
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশীদের
বিস্তারিত
‘ঐক্য হচ্ছে ষড়যন্ত্রের, গণতন্ত্রের ঐক্য
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ও ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন গণফোরাম
বিস্তারিত