নারীর প্রতি বৈষম্য বিলোপে মাহবুবুল এ খালিদের গান

কনভেনশন অন দ্যা ইলিমিনেশন অব অল ফর্ম অব ডিসক্রিমিনেশন এগেইনস্ট ওমেন (সিইডিএডব্লিউ বা সিডও) দিবস ৩ সেপ্টেম্বর। সিডও হলো নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ। নারীর মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই সনদটি গৃহীত হয়। ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে সনদটি কার্যকর হতে শুরু করে। 

নারীর যথাযথ স্বীকৃতিদানই হচ্ছে সিডও সনদের মূলকথা। প্রয়োজনীয় সকল ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের মধ্যে সমতা স্থাপন করা। মানুষ হিসেবে নারীর উন্নয়ন ও বিকাশের প্রয়োজনীয় পরিবেশ তৈরি করার জন্য আইন প্রণয়ন করা। প্রচলিত আইনের সংস্কার এবং আইন প্রয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি তথা প্রশাসনিক ভিত্তি স্থাপন করা। নারীর অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দান করা এই সনদের লক্ষ্য।

বিশ্বসাহিত্যের বিশাল একটি অংশ জুড়েই আছে নারী। তাদের নিয়ে লেখা হয়েছে অনেক গান-কবিতা। নারীর প্রতি সকল বৈষম্য বিলোপ করে তাদের অধিকার রক্ষার আবেদনে মানবদরদী কবি, গীতিকার ও সুরকার মাহবুবুল এ খালিদ লিখেছেন বেশ কয়েকটি গান। যার মধ্যে ‘কন্যা বলে করো না হেলা’, ‘নারী কি এতই নগণ্য’, ‘কে বলে নারী পরাধীন’, ‘বন্ধ করো ইভটিজিং’ বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

এগুলোর মধ্যে ‘কন্যা বলে করো না হেলা’ গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন ক্ষুদে গানরাজ-এর স্মরণ। ‘নারী কি এতই নগণ্য’ গানটি গেয়েছেন লুইপা। আর ‘কে বলে নারী পরাধীন’ গানের দুটি ভার্সন করা হয়েছে। একটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন মেহেদী হাসান। অন্যটিতে নন্দিতা। তিনটি গানেরই সুর দিয়েছেন জনপ্রিয় সুরকার আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল।

অন্যদিকে, ‘বন্ধ করো ইভটিজিং’ গানটিতে সুরারোপ করেছেন ইবরার টিপু। কণ্ঠও দিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে দ্বৈত কণ্ঠের গানটিতে সুর মিলিয়েছেন কনা।

সবগুলো গানই মাহবুবুল এ খালিদের নিজস্ব ওয়েবসাইট www.khalidsangeet.com-এ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়াও, ইউটিউবের ‘খালিদ সংগীত’ চ্যানেলে ছাড়া হয়েছে লিরিক্যাল ভিডিও।

কন্যাশিশুকে অবহেলা করতে নেই। কারণ একদিন সে হবে মা। ধারক বাহক হবে জাতির। পুত্রশিশুর চেয়ে কন্যাশিশু কোনো অংশেই কম নয়। সমান সুযোগ পেলে মেয়েরাও হতে পারে পিতা-মাতার গর্ব ও নির্ভরতার উৎস। ‘কন্যা বলে করো না হেলা’ গানটিতে এই বার্তা প্রকাশ পেয়েছে।

নারী জগৎ-জননী। যিনি সুখে-দুঃখে পাশে থাকেন। আদর, স্নেহ ও ভালোবাসা দিয়ে সবাইকে আগলে রাখেন। নারী শুধু ভোগের পণ্য নন। নারী মহাশূন্যে পাড়ি জমান। হিমালয়ও জয় করেন। যুদ্ধ কিংবা খেলাধুলায়ও নারীর সমান পদচারণা। নারীর নিপুণ হাতের যত্নে পৃথিবী হয়ে ওঠে আরও মধুর। এমন কথায় সাজানো হয়েছে ‘নারী কি এতই নগণ্য’ শিরোনামের গানটি।

‘কে বলে নারী পরাধীন’ গানে নারীর রূপ ও গুণের কথা বর্ণনা করা হয়েছে। নারীর রূপে পাগল পুরুষ তার প্রেমে উতলা হয়। তার মায়া চোখের মুগ্ধতায়, মুখর হাসির প্রখর ছোঁয়ায় পুরুষের হৃদয়ে ঝড় ওঠে। পুরুষের কাছে তখন চাঁদকেও মলিন মনে হয়। তবে নারী কিন্তু রহস্যময়ী। তাকে বোঝা সহজ নয়। অনেক সাধনায় পাওয়া যায় নারীর মন।

নারী উত্যক্তকরণ প্রতিরোধে প্রয়োজন বিপথগামী তরুণদের সঠিক দিক-নির্দেশনার, যাতে তারা এর ভয়াবহতা বুঝতে পেরে নিজেদের সংশোধন করে। পরিবার ও সমাজ থেকে সঠিক শিক্ষা পেলে বখাটেরা নারীদের সম্মান করতে শিখবে। এসিডে আর একটি মুখও ঝলসে যাবে না। বিপথগামী তরুণরা সঠিক পথে ফিরে এসে দেশের সম্পদে পরিণত হবে। ‘বন্ধ করো ইভটিজিং’ গানটিতে এমন বিষয়ে আলোকপাত করা হয়েছে।

এভাবে, মাহবুবুল এ খালিদের লেখা গানগুলোয় নারীর প্রতি বৈষম্য রোধ, নারীর সমান সুযোগ নিশ্চিত এবং তাদের যথাযোগ্য সম্মান ও মর্যাদা দেয়ার কথা বলা হয়েছে। তার লেখা গান শ্রোতাদের উদ্দীপ্ত করে, তাদের শিক্ষা দেয় এবং সত্য ও সুন্দর পথে চলতে অনুপ্রেরণা যোগায়। 


ছবিতে দীপিকা-রণবীরের বিয়ে
দীর্ঘ প্রেমের অবসান ঘটিয়ে বিয়ে করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন ও রণবীর
বিস্তারিত
পেট্রোল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে মারার
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান জাজ মাল্টিমিডিয়ার প্রযোজনায় নির্মিত সিনেমা ‘দহন’। কাজ শেষে
বিস্তারিত
শুভশ্রীর উদ্দাম নাচে মাতল নেটদুনিয়া
রাজ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিয়ের সময় তাদের দুজনের নাচের ভিডিও ভাইরাল
বিস্তারিত
আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন
চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেনের চিকিৎসার সব দায়িত্ব নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ
বিস্তারিত
সেরা চলচ্চিত্র বাংলাদেশের ‌‘সত্তা’
সেরা চলচ্চিত্র (বাংলাদেশ) পুরষ্কার দেয়া হয় সত্তা চলচ্চিত্রকে। পুরষ্কার গ্রহণ
বিস্তারিত
আমজাদ হোসেনের অবস্থার অবনতি
বিশিষ্ট চলচ্চিত্র নির্মাতা ও অভিনেতা আমজাদ হোসেন আইসিইউ’তে। আজ তার
বিস্তারিত