মার্কিন বোমায় বিপর্যস্ত ইয়েমেন

নিউইয়র্ক টাইমসের একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, ইয়েমেনে সৌদি নেতৃত্বাধীন দীর্ঘমেয়াদি যুদ্ধ পরিস্থিতিতে সম্মিলিত জোটশক্তি এখন বেশ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অস্ত্র জোগান ও মিত্রশক্তিকে সহায়তার দায়ভার বহন করবে সম্মিলিত জোট। মধ্যপ্রাচ্যের এই যুদ্ধপরিস্থিতি অবনতির জন্য মার্কিন বিমানবাহিনী প্রধানের প্রতি অভিযোগ তোলা হচ্ছে, যা ইয়েমেনের শহরগুলোতে তার নির্দেশিত প্রাথমিক আক্রমণের মাধ্যমে শুরু হয়ে এক সপ্তাহ যাবৎ সৌদি নেতৃত্বাধীন রক্তক্ষয়ী বিমান হামলার কারণে সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যমের ভাষ্যমতে, এই পরিস্থিতি শান্ত করতে সৌদি জোটকেই প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে। সংবাদ সূত্রগুলো আরও জানিয়েছে, শুধু এই শক্তিই যথেষ্ট নয় বরং আমেরিকার একমত হওয়ার জন্য প্রয়োজনে কঠোর অবস্থান জরুরি, আঞ্চলিক বিচারে যা সবাইকে একতাবদ্ধ করতে পারে। এটা এখন নতুন একটি আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। গেল শুক্রবারের আলোচিত বিমান হামলায় ২২ শিশু ও ৪ মহিলা নিহত হয়, যারা যুদ্ধকবলিত এলাকা ত্যাগ করছিল। এরকম আরও অনেক হামলায় হাজার হাজার শহরবাসী শহর ত্যাগ করেছে খাদ্যঘাটতি ও চিকিৎসাসেবা না থাকায়। সেদিনের আক্রমণ ছিল খুবই ভয়ঙ্কর। স্কুল বাসটির ওপর হামলাকারী বিমানটি ছিল আমেরিকার তৈরি, যা ছোট ছোট শিশুদের হত্যা করেছে। 

একটি সূত্রে এ সংবাদ জানা গেছে যে, সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা সৌদি আরবের সঙ্গে যে অস্ত্র বিক্রয়চুক্তি নিষিদ্ধ করেছিলেন ট্রাম্প প্রশাসন ২০১৭ সালের মার্চে সে চুক্তি ভঙ্গ করেছে। ফলে দু-পক্ষের মাঝে স্বাভাবিক অস্ত্র সরবরাহ ও মজুত অব্যাহত রয়েছে। আরও অভিযোগ রয়েছে, যুদ্ধবিষয়ক মার্কিন উপদেষ্টা পরিষদ কর্তৃক চিহ্নিত কিছু প্রকাশ্য সমালোচনাকারী ইয়েমেনের শহরবাসীর ক্ষতিকে এই অনিশ্চিত যুদ্ধের প্রতিশোধ হিসেবে ধরে নিচ্ছে। তবুও এই বক্তব্য যথেষ্ট নয় বলেই বিবেচিত হবে। সময় এসেছে যেন সম্মিলিত জোটশক্তি এবং পশ্চিমা মিত্রশক্তি অস্ত্র বিক্রয়, আক্রমণ এবং সৌদি জোটকে সামরিক সহায়তা করা বন্ধ করে দেয়। 
জরিপে আরও দেখা গেছে, সৌদি এবং মিত্রশক্তি বোমা হামলায় নারী-শিশু নিহত হওয়ায়  নিজেদের দোষী ভাবছে না, বরং আরও দীর্ঘ যুদ্ধের জন্য বোমা ও অস্ত্র ক্রয় ও মজুত করছে। এজন্য বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য আঞ্চলিক বিচারের দিকেই নির্ভর করছে। সংবাদ সূত্র আরও জানিয়েছে যে, ট্রাম্প প্রশাসনের সৌদির ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের সম্ভাবনা নেই। বরং এরই মধ্যে তারা মার্কিন সামরিক উপদেষ্টাদের সমর্থন আদায় করা শুরু করেছে এবং কংগ্রেস দৌড়ঝাঁপে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এখন সেখানে রাজনৈতিকভাবে দুই দলকে একীভূত করতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মাইক বোম্বেওয়ের সম্মতির অপেক্ষা করা হচ্ছে যে, তিনি শান্তিচুক্তির উদ্যোগ গ্রহণ করবেন। সামনের পদক্ষেপে জরুরি হলো সৌদির পক্ষ থেকে সামরিক সহায়তা বন্ধ করা, যাতে ইয়েমেনের ওপর সবরকম হামলার সমাপ্তি ঘটে। সর্বশেষ সংবাদে জানা যায়, সৌদি জোট অবশেষে বোমা আক্রমণে শিশুদের হত্যার দায় স্বীকার করে নিয়েছে। ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা দিয়েছে বলেও মিডিয়ায় এসেছে। প্রশ্ন হলো, এভাবে আর কতদিন তারা নিরীহ মানুষ হত্যা করতে থাকবে? 

ি সূত্র : আল জাজিরা


পরস্পর দয়া প্রদর্শনে উপদেশ দিন
উসামা বিন জায়েদ (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবীজির মেয়ে
বিস্তারিত
যিনি ধনীদের মধ্যে সর্বপ্রথম জান্নাতে
আবদুর রহমান বিন আউফ (রা.) এর স্মৃতি জর্দানের রাজধানী আম্মানের উত্তরের
বিস্তারিত
কীভাবে বুঝবেন আল্লাহ আপনার প্রতি
আল্লাহর সন্তুষ্টি প্রতিটি বিশ্বাসী হৃদয়ের একান্ত চাওয়া। কিন্তু কীভাবে বুঝবেন
বিস্তারিত
আল্লাহর অন্যতম নেয়ামত মাছ
প্রকৃতিজুড়ে এখন চলছে হেমন্তের রাজত্ব। নতুন ধানের নবান্ন উৎসবের পাশাপাশি
বিস্তারিত
রূপে ভরা হেমন্ত
প্রকৃতিতে শীতের আগমনী বার্তা বয়ে নিয়ে এসেছে হেমন্ত। শিশির বিন্দু
বিস্তারিত
প্রাণীবন্ধু গাসসান রিফায়ি
টানা ৩০ বছর বাইতুল মুকাদ্দাস চত্বরের বিড়াল ও পাখিদের খাবার
বিস্তারিত