জাবালে নূরের মালিকসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কে বাসচাপায় নিহত দুই শিক্ষার্থী নিহতের ঘটনায় জাবালে নূর বাসের মালিক শাহাদাত হোসেনসহ ৬ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়া হয়েছে। দণ্ডবিধির ৩০৪ ধারায় আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয়া হয়।

বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির পরিদর্শক কাজী শরিফুল ইসলাম ঢাকার সিএমএম আদালতের সংশ্লিষ্ট শাখায় এ অভিযোগপত্র দাখিল করেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্টেট কায়সারুল ইসলাম দেখিলাম মর্মে সাক্ষর করেন।

চার্জশিটের আসামিরা হলেন- জাবালে নূরের ঘাতক বাসের মালিক মো. শাহদাত হোসেন আকন্দ (৬০), চালক মাসুম বিল্লাহ (৩০), মো. এনায়েত হোসেন (৩৮), মো. জোবায়ের সুমন (৩৬), মো. আসাদ কাজী (৪৫) ও মো. জাহাঙ্গীর আলম (৪৫)।

এদিকে মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে থাকা আসামি মো. সোহাগ আলী (৩৫) ও মো. রিপন হোসেনের (৩২) বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাদের অব্যাহতি প্রদানের আবেদন করা হয়েছে। চার্জশিটের প্রথম চারজন আসামি গ্রেপ্তার এবং পরের দুজন পলাতক রয়েছেন।

চার্জশিটটি বাংলাদেশ দণ্ডবিধির ২৭৯, ৩২৩, ৩২৫, ৩০৪ ও ৩৪ ধারায় দাখিল করা হয়েছে। চার্জশিটের ধারাগুলোর মধ্যে ৩০৪ ধারার খুন বলে গণ্য নয় এরূপ দণ্ডনীয় নরহত্যার সর্বোচ্চ শাস্তি যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

দাখিলকৃত চার্জশিটে মোট ৪১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে এবং ছয় প্রকার আলামত জব্দ দেখানো হয়েছে। যার মধ্যে ৩টি বাস এবং ৩টি ড্রাইভিং লাইসেন্স। চার্জশিটভুক্ত আসামিদের মধ্যে শাহদাত হোসেন, মাসুম বিল্লাহ ও জোবায়ের সুমন স্বীকারোক্তি দিয়েছেন।

মামলায় বলা হয়, গত ২৯ জুলাই জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর ঢাকা মেট্টো-১১-৯২৯৭ এর অজ্ঞাত চালক, আরও অজ্ঞাতনামা জাবালে নূর পরিবহনের কয়েকটি বাসের সাথে বেপরোয়া গতিতে বাসটি চালিয়ে হোটেল রেডিসনের বিপরীত পাশে জিল্লুর রহমান ফ্লাইওভারের পাশে বাসে ওঠার অপেক্ষায় থাকা শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট কলেজের ১৪/১৫ জন ছাত্র ছাত্রীর উপর গাড়িটি উঠাইয়া গুরুতর আহত করে চালক পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে গুরুতর আহতদের মধ্যে উক্ত কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিম ও বিজ্ঞান বিভাগের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র আব্দুল করিম রাজীব মারা যায়।

এ ছাড়া এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্র সোহেল রানা, দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র ইমরান চৌধুরী, মেহেদী হাসান জিসান, রাহাত, সজিব, জয়ন্তি, প্রথম বর্ষের ছাত্রী রুবাইয়া, এইচএসসি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী তৃপ্তাসহ আরও কয়েকজন বর্তমানে গুরুতর আহত অবস্থায় সিএমএইচ হাসাপতালসহ ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

স্থায়ী তদন্তে জানা যায়, উক্ত বাসের অজ্ঞাতনামা চালক জাবলে নূর পরিবহনের বাস যার রেজিস্ট্রেটশন নম্বর ঢাকা মেট্টো গ-১১-৭৫৮০, ঢাকা মেট্টো ব-১১-৭৬৫৭সহ আরো কয়েকটি অজ্ঞাতনামা বাসের চালকগণ হেলপারদের প্রত্যেকের উপস্থিতি ও উস্কানিতে প্রতিযোগিতামূলকভাবে বেপরোয়ানা ও দ্রুতগতিতে বাসগুলো চালিয়ে আসায় ঘাতক বাস ছাত্রছাত্রীদের উপর উঠাইয়া দেয়। প্রতিযোগিতায় লিপ্ত বাসগুলোর মধ্যে চারজন চালক ও হেলপারদের নাম প্রাপ্ত হয়ে তাদের র‌্যাবের সহায়তায় গ্রেপ্তার করা হয়। গত ২৯ জুলাই দিবাগত রাতে ক্যান্টনমেন্ট থানায় নিহত একাদশ শ্রেণির ছাত্রী দিয়া খানম মিমের বাবা জাহাঙ্গীর আলম এ মামলা দায়ের করেন।


সচিব হলেন পাঁচ কর্মকর্তা
প্রশাসনের পাঁচজন কর্মকর্তাকে পদোন্নতি দিয়ে সচিব করেছে সরকার। ভারপ্রাপ্ত সচিবের
বিস্তারিত
ভারত থেকে তেল আমদানি, পাইপলাইন
জ্বালানি তেল আমদানির জন্য ভারতের শিলিগুড়ি থেকে পার্বতীপুর পর্যন্ত ১৩০
বিস্তারিত
একনেকে ১২ হাজার ৫৪৪ কোটি
জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) আজ একনেকে ১২ হাজার
বিস্তারিত
‘অব্যাহত থাকবে বাংলাদেশ-ভারতের বন্ধুত্ব সম্পর্ক’
গত ১০ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ এবং ভারত যৌথভাবে ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ
বিস্তারিত
৯০ দিনের ছুটি পেলেন অসুস্থ
গুরুতর অসুস্থতার কারণে সংসদ সদস্য ও জনপ্রশাসন মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল
বিস্তারিত
উন্নয়ন ত্বরান্বিত করবে যৌথপ্রকল্প
বাংলাদেশ ও ভারত মিলে যে কর্মসূচি গ্রহণ করা হচ্ছে, তা
বিস্তারিত