কবিতা

ধোঁয়াশার তামাটে রঙ

দীর্ঘ অবহেলায় যদি ক্লান্ত হয়ে উঠি বিষণœ সন্ধ্যায়Ñ
মনে রেখো এই পথ, আবাদি জমিন, সবুজ অরণ্য সুতীব্র বন্ধ্যায়,
ভুগে ভুগে ক্ষয়ে যাবে চাঁদ; অনন্তের মায়াহীন প্রবল ছায়াÑ
ঢালবে আঁধার, থামাবে সুখ : ছড়াবে দীঘল কায়া।
তখন পাখিরা খোয়াবে ডানা; পৃথিবী পড়বে ভীষণ রকম মন্দায়!

হিজলের মতো এত মুগ্ধতা ছড়ায় কে, রুক্ষ আঁধারে?
রাতদিন তন্নতন্ন খুঁজে সৌরভ কিংবা গৌরব বনবাদাড়েÑ
কে ছেড়েছে পশুর স্বভাব, কার হাতে বাজে সম্প্রীতির বীণা-বাঁশি?
কণ্ঠ নামেনি কারো, রুদ্ধ হলো না যুদ্ধ-হিংস্রতায়ভরা হাসিÑ
স্তব্ধ হয়নি চিরতরে : কালো চোখ কেন বারবার খোঁজে শাদারে!


রুদ্রর কবিতা উচ্চারণ থেকে কথনে
রুদ্রর বহির্মুখী চেতনারাশির ওপর তার ভাবকল্প ও সংরাগবহুলতার তোড় আছড়ে
বিস্তারিত
আলো জেলে রাখি কবিতার খাতায়
কী নীরব রাত! একা একা বসে লিখছি। লেখার মাঝে দুঃখগুলো
বিস্তারিত
কতিপয় বিচ্ছিন্ন মুহূর্তের টীকা
  ১. নিরন্তর শুষ্কতার বশে আমি এক মরুকাঠ; অথচ ঠান্ডাজলপূর্ণ কিছু
বিস্তারিত
রৈখিক রক্তে হিজলফুল
বৃষ্টি হৃদয় উঠোন ভিজিয়ে যায় বিপ্রতীপ বিভাবন আঁধারের ক্লান্তিলগ্নে চোখের
বিস্তারিত
অপারগতা
না তুষার ঝড় না মাইনাস ফোর্টি শীতের রাত তো, বুড়োটা কিছুক্ষণ
বিস্তারিত
যন্ত্রণার দীর্ঘশ্বাস
  অলীক স্বপ্ন, অসীম দহন, সমুখের হিসাব নিকাশ প্রদীপের শিখা ছিল
বিস্তারিত