খালেদা জিয়ার চিকিৎসা জেল কোড অনুযায়ী: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

‘গুরুতর অসুস্থ’ বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালের কাছে প্রস্তাব দিয়েছেন দলটির নেতারা। এর প্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, জেল কোড অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সরকারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান তিনি সাংবাদিকদের জানান।

রোববার (৯ সেপ্টেম্বর) বিকাল তিনটার কিছু আগে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যান বিএনপি নেতারা। প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলটির নেতা জমির উদ্দিন সরকার, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, নজরুল ইসলাম খান, মির্জা আব্বাস, ড. আবদুল মঈন খান, রফিকুল ইসলাম মিয়া।

বৈঠকের পর সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে বিএনপি মহাসচিব বলেন, খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তাকে বিশেষায়িত একটি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার কথা বলেছি আমরা। জানিয়েছি খালেদা জিয়ার পছন্দ ইউনাইটেড হাসপাতাল। সেখানে যেন নেওয়া হয় তাকে। জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাদের জানিয়েছেন, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলে এ বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় পাঁচ বছরের দণ্ড পাওয়া বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া গত ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে পুরান ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দী আছেন। সেখানে থাকা অবস্থায় গত ২৮ মার্চ খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবর ছড়ায়।

এর পরদিন কারাগারে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল খালেদা জিয়ার দেখা করতে গেলেও সাক্ষাৎ করতে পারেননি। কারা কর্তৃপক্ষ কারণ হিসেবে খালেদার অসুস্থতার কথা জানায়। পরে সেদিনেই কারাগারে ঢাকার ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জনের নেতৃত্বে একটি চিকিৎসক দল দেখে আসে বিএনপি নেত্রীকে। আর ১ এপ্রিল ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চার জন চিকিৎসককে দিয়ে গঠন হয় মেডিকেল বোর্ড। সেদিন কারাগারে গিয়ে তার নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হয়। ৭ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে আনা হয়। সেখানে পরীক্ষা নীরিক্ষা করার পর চিকিৎসক জানান, বেগম জিয়ার ঘাড়ে ও কোমরের হাড়ে কিছুটা সমস্যা আছে। তবে রক্তের রিপোর্টগুলো ভালো, স্বাভাবিক আছে।

কারাগারে নেয়ার পর থেকে অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে খালেদা জিয়া অন্য কোনো মামলায় হাজিরা না দিলে পুরনো কেন্দ্রীয় কারাগারে বসানো হয় আদালত। গত বুধবার আদালতে হাজির হয়ে খালেদা জিয়া তার অসুস্থতার কথা জানান। বিচারকের উদ্দেশে খালেদা বলেন, আমার হাতের অবস্থা ভালো না। ডাক্তার বলছে, পা ঝুলিয়ে রাখলে ফুলে যাবে। রিপোর্ট দেখলে বুঝতেন আমার শরীরের অবস্থা কী। সুতরাং আমি আর আসতেই পারব না।

গত শুক্রবার সকালে নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছিলেন, কারাবন্দী বেগম খালেদা জিয়ার সুচিকিৎসার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান বিএনপি নেতারা। এ জন্য দলটির পক্ষ থেকে চিঠিও দেয়া হয়েছে। পরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি মিললে সচিবালয়ে যায় বিএনপির প্রতিনিধিদল।


বাজেটে আয়-ব্যয়ে বিশাল ফারাক
প্রস্তাবিত বাজেটে (২০১৯-২০) আয় ও ব্যয়ের মধ্যে বিশাল ফারাক রয়েছে
বিস্তারিত
গুলশানে জরুরি বৈঠক ডাকছে বিএনপি
দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির জরুরি বৈঠক ডেকেছে
বিস্তারিত
বাজেটের ব্যাপকতা বিএনপির পক্ষে বুঝা
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের
বিস্তারিত
বাজেট উচ্চাভিলাষী, আয়ের সামর্থ্য কম:
আগামী ২০১৯-২০ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটকে উচ্চাভিলাষী আখ্যা দিয়ে বিএনপির মহাসচিব
বিস্তারিত
আগের চেয়ে অনেকটাই সুস্থ রিজভী
দীর্ঘদিন যাবত দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অবস্থান নেয়া বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম
বিস্তারিত
‘শাজাহান খানকে আর মনোনয়ন দেবে
উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর বিরোধীতা করায় সাবেক নৌমন্ত্রী শাজাহান
বিস্তারিত