সুস্থ শিশুকে হাসপাতালে ভর্তি করে প্রতারণা: তদন্ত কমিটি গঠন

নবীগঞ্জের আউশকান্দি বাজারে অরবিট প্রাইভেট হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রতারণার মাধ্যমে সুস্থ শিশুকেঅন্য হাসপাতালের চিকিৎসকের কাছে পাঠানোর ঘটনা তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে। নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে তদন্ত কমিটি গঠনের জন্য দায়িত্ব দিয়েছেন হবিগঞ্জের সিভিল সার্জন ডাঃ সুচিন্ত চৌধুরী।

বিষয়টি এমপি অ্যাডভোকেট মোঃ আবু জাহিরের নজরে আসে। তিনি রোববার জেলা আইনশৃঙ্খলা সভায় বিষয়টি উত্থাপন করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে সিভিল সার্জন তদন্ত কমিটি গঠনের উদ্যোগ নেন। 

সিভিল সার্জন ডাঃ সুচিন্ত চৌধুরী জানান, ৩ সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করার জন্য নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা গোলাম মোস্তফাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। কমিটি তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেলে চিকিৎসকদের রিুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে। 

সভায় জেলা প্রশাসক মাহমুদুল কবীর মুরাদ জানান, তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর চিকিৎসকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সূত্র জানায়, নবীগঞ্জ উপজেলার গজনাইপুর ইউনিয়নের ফুলতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা প্রাণ কোম্পানির শ্রমিক রুবেল মিয়া ও শিরিনা আক্তারের ৪০ দিন বয়সী শিশু ইসমত নাহার জিবার ঘন ঘন হেঁচকি হচ্ছিল। মা শিরিন আক্তার মনের সন্দেহ দূর করতে ৩১ আগস্ট সকালে শিশুসন্তান জিবাকে নিয়ে যান স্থানীয় আউশকান্দি বাজারের অরবিট হসপিটালের নবজাতক ও শিশু-কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ এ.এইচ.এম খায়রুল বাশারের কাছে। 
ডাঃ বাশার ৫০০ টাকা ভিজিট রেখে কিছু ঔষধ লিখে দেন এবং পরদিন শিশুটিকে আবার নিয়ে দেখানোর পরামর্শ দেন ওই চিকিৎসক। কিন্তু পরদিন শিশুটিকে নিয়ে গেলে ডাঃ খায়ররুল বাশার শিশুটির অবস্থা আশঙ্কাজনক উল্লেখ করেন এবং মৌলভীবাজারের মামুন হসপিটালে ভর্তি করে সেখানের ডাঃ বিশ্বজিতের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। বলে দেন সেখানে গিয়ে ডাঃ বিশ্বজিতের সাথে ফোনে কথা বলিয়ে দেয়ার জন্য। শিশুর প্রাণ রক্ষার্থে মৌলভীবাজার ছুটে যান শিশুর মা শিরিনা আক্তার। সেখানে যাওয়ার পর খোঁজে বের করেন ডাঃ বিশ্বজিতকে। এমনকি তার সাথে শিরিনা আক্তারের মোবাইল ফোন দিয়ে কথা বলেন ডাঃ খায়রুল বাশার। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ডাঃ বিশ্বজিত মোবাইল ফোনে ডাঃ খায়রুল বাশারকে জানান, শিশু জিবা পুরো সুস্থ আছে। কিন্তু এ সময় সম্পূর্ণ সুস্থ জিবাকে হাসপাতালে ভর্তি করার পরামর্শ দেন ডাঃ খায়রুল বাশার। সে অনুযায়ী রাতে ওই ক্লিনিকে ভর্তি করা হয় জিবাকে। মোবাইল ফোনে তাদের কথোপকথনে শিশুর মা শিরিনা আক্তারের মনে নানা সন্দেহের দানা বাঁধে। শিরিনা আক্তারের মোবাইল ফোনে অটোকল রেকর্ড এপস ইনস্টল করা ছিল। তা জানত না ওই দুই চিকিৎসক। পরে জিবার মা মোবাইলে রেকর্ড করা দুই ডাক্তারের বক্তব্য শুনেন। চিকিৎসার নামে এমন প্রতারণার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেছেন শিরিনা বেগম।


স্পেন আওয়ামী লীগের কর্মী সমাবেশ
সর্ব ইউরোপীয়ান আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সভাপতি এম নজরুল ইসলাম ও
বিস্তারিত
বার্সেলোনায় কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশনের অভিষেক
গত ২১ এপ্রিল স্পেনের বার্সেলোনা শহরে কুলাউড়া ওয়েলফেয়ার এসোসিয়েশন এন
বিস্তারিত
যুবলীগ নেতা হত্যা মামলার আসামি
যুবলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেল হত্যা মামলার আসামি জাবেদ পুলিশের সঙ্গে
বিস্তারিত
মোটরসাইকেলের বেপরোয়া গতি, প্রাণ গেল
কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আতা ইলাহী (২৮) নামের এক মোটরসাইকেল
বিস্তারিত
রোগ যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ট্রেনের
রোগ যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ট্রেনের নিচে ঝাপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে
বিস্তারিত
বৈশাখী মেলায় চড়কঘুরলি
মাঠ জুড়ে হাজার হাজার মানুষের ভিড়। মাঠের মধ্যে স্থাপন করা
বিস্তারিত