ছিন্নমূল মানুষের পাশে সম্রাট

ধরে দৈনিক দেড় হাজার ছিন্নমূল মানুষকে খাবার সরবরাহ করছেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট। অসহায় মানুষের সুখ দুঃখর অংশীদার হতে এই গত তিন মাস আগ থেকে এই ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন হাতে নিয়েছেন। আগামী এই কার্যক্রম অব্যাহত রাখবেন তিনি।

সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজধানীর কাকরাইলের যুবজাগরণ কেন্দ্রের সামনে নানা শ্রেণী পেশার কয়েক’শ সুবিধা বঞ্চিত মানুষের ভিড়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে রাতের খাবার খেতে আসছেন তারা। তাদের খাবারের মেন্যুতে থাকে ভাত, মাংস, ডাল ও সবজি। 
একদিকে লাইনে দাড়িয়ে খাবার সংগ্রহ করছেন, অন্যদিকে খাবার খেয়ে যে যার গন্তব্যে চলে যাচ্ছেন। তাদেও প্লেটে খাবার বেরে দিচ্ছেন যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। প্রতিদিন রাত আটটা থেকে দশটা পর্যন্ত চলে এ খাওয়া-দাওয়ার কার্যক্রম।

রাত আনুমানিক ন’টায় দেখা যায়, খাবার খেয়ে রিক্সার যাত্রীর আসনে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন রিক্সাচালক গনি মিয়া। মগবাজারের একটি বস্তিতে থাকেন তিনি। পাঁচ জনের সংসারে তিনিই একমাত্র আয়ের উৎস। রিক্সা চালিয়ে যা আয় হয় তা দিয়ে কোনভাবে ডাল-ভাত খেয়ে বেঁচে থাকেন। মাংস দিয়ে এক বেলা পেট পুড়ে খাওয়া তার কাছে স্বপ্নের মতো। তবে গত তিন মাস যুবজাগরণ কার্যালয়ের সামনে নিয়মিত খাচ্ছেন বলে জানান। 

পঞ্চাশ ঊর্ধ্ব ওই রিক্সাচালক বলেন, প্রতি রাতে বাসায় ফেরার আগে রিক্সাটা থামিয়ে এখানে এসে খাবার খাই। সম্রাট স্যার আমাদের জন্য এ খাবারের ব্যবস্থা করেন। মাঝে মাঝে এসে কথা বলেন। আমি তার জন্য দোয়া করি। উনি অন্য নেতাদের থেকে আলাদা।

যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বলছেন, প্রতিদিন বাড়ছে সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভিড়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা থেকে সুবিধা বঞ্চিত মানুষরা এখানে এসে নিয়মিত রাতের খাবার খাচ্ছেন।

এ বিষয়ে কথা হয় ঢাকা মহানগর যুবলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আরমান হক বাবুর সাথে। তিনি জানান, ক্ষুধামুক্ত রাজধানীর গড়ার লক্ষ নিয়ে সম্রাট ভাইয়ের নেতৃত্বে এই কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। এর কর্মসূচি গ্রহণের ফলে আমরা প্রতিদিন অন্তত কিছু মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারছি। 

যুবলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি ইসমাঈল চৌধুরী সম্রাট নিজের গৃহীত এই পদক্ষেপের বিষয়ে জানান, আমাদের মতো সুবিধা বঞ্চিত মানুষদেরও একটু ভালো খাবার খেতে মন চায়। কিন্তু তারা এক বেলা ভালো খাবার খেতে পারেন না। সেজন্য তাদের জন্য একবেলা ভালো খাওয়ার ব্যবস্থা করি। প্রতি রাতে দেড় হাজার সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট তার নেতা-কর্মীদের কাছে যুববন্ধু হিসেবে পরিচিত। ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের একাধিক নেতা-কর্মী বলেন, এর আগে সুবিধা বঞ্চিত মানুষদের জন্য এ রকম ব্যতিক্রমী আয়োজন কেউ কখনো করেননি। ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট শুধু যুবসমাজের জাগরণেই কাজ করেন না, সুবিধা বঞ্চিত মানুষের দুঃখও বোঝেন। তার যুবজাগরণ কার্যালয়ে পেট ভরে খেয়ে সুবিধাবঞ্চিত মানুষরা তার জন্য দোয়া করে। মানুষের দোয়ায় তিনি বেঁচে থাকবেন। আমাদের প্রত্যাশা, আসন্ন নির্বাচনে শেখ হাসিনা ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট ভাইকে ঢাকা-৮ আসন থেকে মনোনায়ন দিয়ে মানুষের সেবা করার সুযোগ দিবেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ইসমাইল চৌধুরী সম্রাট বলেন, আমি জননেত্রী শেখ হাসিনার একজন বিশ্বস্ত কর্মী হিসেবে থাকতে চাই। নেত্রী আমাকে ভালোবাসেন, এটাই আমার সবচেয়ে বড় পাওয়া। তিনি যা ভালো মনে করেন, তাই করবেন। দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের নেতা-কর্মীদের নিয়ে প্রতি ওয়ার্ড ভিত্তিক শক্তিশালী টিম গঠন করা হয়েছে। আসন্ন নির্বাচনকে লক্ষ্য রেখে তারা কাজ করছে। আশা করি, আসন্ন নির্বাচনে আমরা শেখ হাসিনাকে আবারও নির্বাচিত করতে সক্ষম হবো

যুবলীগের এই নেতা আরো জানান, সাধারণ মানুষের কাছে যুবদল যেমন আতংকের কারন ছিল, টেন্ডার বাজি, বাসস্ট্যান্ড গুলো বেদখল ও চাঁদাবাজির কারনে অতিষ্ঠ ছিলো, সামান্য ওয়ার্ড নেতা পুলিশের গায়ে হাত তুলত। তবে আমি বলতে পারি আমার প্রান প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের প্রত্যেক সদস্য তাদের কাজের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের পাশে দাড়িয়ে কাজ করছে এবং সাধারণ মানুষের আতঙ্ক যুবলীগের কর্মীরা দূর করে এক কাতারে আগামী নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে নৌকা মার্কায় ভোট দিয়ে জননেত্রীকে আবারো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে সংসদে পাঠাবে। বিশ্বের অনেক বড় বড় নেতা স্বীকার করেন যে, শেখ হাসিনা বিশ্বের মধ্যে শ্রেষ্ঠ ও বিচক্ষণ প্রধানমন্ত্রী। তিনি ভালোভাবে জানেন কোথায় কাকে নমিনেশন দিতে হবে সে নিয়ে আমার কোন কথা নেই। 

তিনি জানান, নেত্রী যাকে নৌকা মার্কা দিবেন তার পিছনে কাজ করতে হবে এবং আগামীতেও আবারো যোগ্য নেত্রীত্ব প্রদানের মাধ্যমে এই বাংলার সাধারণ মানুষের পাশে শেখ হাসিনা কে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে। সেই লক্ষে ইতিমধ্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিন যুব লীগ আগামী একাদশ জাতিয় সংসদ নির্বচন সামনে রেখে নির্বচন কেন্দ্র ভিত্তিক এক শতটি নির্বাচন পরিচালনা কমিটি করা হয়েছে। যে কমিটি ইতিমধ্যে বাংলদেশ আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত চেয়ারম্যান এর নির্দেশ ক্রমে কার্যক্রম শুরু করেছে। আমার সংগঠনের প্রত্যেকটি সদস্য জঙ্গীবাদ, মাদক মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার জন্য কাজ করে যাবে। 

সম্রাট জানান, দীর্ঘদিন বাংলাদেশের রাজধানীর গুরুত্বপূর্ন একটি সংসদ এলাকার মানুষ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ছায়ায় নিচে নেই। যেহেতু মহাজটের সংসদ থাকলেও নীতি ও আদর্শ এক না। তবে আমার বিশ্বাস এলাকার সাধারণ মানুষের জন্য আমরা কাজ করছি সাধারন মানুষের অতি দ্রুত কর্মসংস্থান হবে, কর্ম পেলে মানুষ কাজ করবে তখন এই রাজমনি সিনেমা হলের সামনে আর কোন খাবারের জন্য লাইন থাকবে না।


টেকনাফে ইয়াবা ও ট্রাকসহ চালক-হেলপার
কক্সবাজারের টেকনাফে ১০ হাজার পিস ইয়াবা বড়িসহ ট্রাক চালক ও
বিস্তারিত
মির্জাপুরে উদ্বোধনের আগেই সেতুর সংযোগ
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ঝিনাই নদীর ওপর নবনির্মিত একটি সেতু উদ্বোধনের আগেই
বিস্তারিত
নাটোরে ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগে
নাটোরের লালপুরে ভেজাল গুড় তৈরির অভিযোগে পাঁচজনকে জরিমানা করা হয়েছে। বুধবার
বিস্তারিত
চৌগাছায় প্রচারণার বিল বোর্ডের পেরেকে
গাছও কাঁদে। ওদের গায়ে ব্যথা অনুভব করে। প্রাণি জগতের মতো
বিস্তারিত
চৌদ্দগ্রামে বিষপানে দুই সন্তানের জননীর
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বুধবার সকালে বিষপানে আছমা বেগম (৩০) নামের দুই
বিস্তারিত
নাব্যতা সংকটে পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় যানবাহনের দীর্ঘ
কাঠালবাড়ী-শিমুলিয়া নৌরুটে নাব্যতা সংকটের ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ার কারণে গত
বিস্তারিত