নেপালকে কাঁদিয়ে ফাইনালে মালদ্বীপ

সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের ১২তম আসরেও ফাইনালে খেলার স্বপ্ন পুরণ হলো না নেপালের। ভাগ্যের সহায়তায় সেমিফাইনালের টিকেট পাওয়া মালদ্বীপের কাছে হেরে বিদায় নিল বাংলাদেশকে কাঁদিয়ে শেষ চারের টিকেট পাওয়া নেপাল। বুধবার (১২ সেপ্টেম্বর) বিকালে বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত টুর্নামেন্টের প্রথম সেমিফাইনালে হিমালয়ের দেশটিকে ৩-০ গোলে উড়িয়ে দিয়েছে দ্বীপ দেশটি।

অথচ চলতি সাফ ফুটবলে গ্রুপ পর্বের কোন ম্যাচেই জয় পায়নি মালদ্বীপ। শুধু মাত্র শ্রীলঙ্কারর সঙ্গে ড্র করেই টস নামের লটারী ভাগ্যে জিতে সেমিফাইনালের টিকেট পেয়েছে দলটি। অবশ্য সাফে কখনোই নেপালের কাছে হারের রেকর্ড নেই মালদ্বীপের। এর আগে ছয় বারের লড়াইয়ে চার বার জয় আছে দ্বীপ দেশটির। আর দুই ম্যাচ ছিল ড্র। তাই পরিসংখ্যানে এগিয়ে থেকেই নেপালের বিপক্ষে মাঠে নেমেছিল মালদ্বীপ।

সর্বশেষ ২০০৯ সালে সাফ চ্যাম্পিয়নশীপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে জায়গা পেলেও সেবার ট্রফি জেতা হয়নি মালদ্বীপের। ভারতের কাছে হারতে হয়েছিল তাদের। ঢাকায় অনুষ্ঠিত ঐ ফাইনালে টাইব্রেকার শুট আউটে ৩-১ গোলে হারে তারা।

এদিন ম্যাচ শুরুর ৩০ মিনিট আগে শুরু হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির কারণে মাঠ পিচ্ছিল হয়ে উঠেছিল। ফুটবলাররা নিজেদের স্বাভাবিক খেলাটা খেলতে পারছিলেন না। তারপরও গ্রুপ পর্ব থেকে ভাগ্যের সহায়তায় শেষ চারে আসা মালদ্বীপ এগিয়ে যায় ম্যাচের ৯ মিনিটেই। গোলের নায়ক অধিনায়ক আকরাম আব্দুল ঘানি। বক্সের ঠিক বাইরে থেকে বাঁ পায়ে বুদ্ধিদীপ্ত ফ্রি-কিক নেন। নেপালি ডিফেন্ডার সুমন আরিয়াল বল প্রতিহত করতে গিয়েও পারেননি। তার দু’পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে প্রবেশ করে (১-০)। বোকা বনে যান গোলরক্ষক কিরন কুমার। হয়তো ভেবেছিলেন সুমন দলকে বিপদমুক্ত করতে পারবেন।

কিছু সময় পর আবারো অঝোরে বৃষ্টি শুরু হয়। ২৬ মিনিট পর্যন্ত ম্যাচ চলার পর ম্যাচ কমিশনার চেং লিয়ান চেং বজ্রপাত বিরতি দেন। দীর্ঘ ৩৪ মিনিটের বিরতির পর ফের মাঠে গড়ায় ম্যাচটি। ম্যাচের ৩৭ মিনিটে হতাশ হতে হয় নেপালকে। দারুণ একটি আক্রমণ রচনা করেছিল তারা। কিন্তু অধিনায়ক ভরত খাওয়াজের নেয়া শটটি খুঁজে পায়নি জালের ঠিকানা। ফলে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় মালদ্বীপ।

দ্বিতীয়ার্ধে মাঠে নামার মাত্র ৪ মিনিটের মধ্যেই নেপালের ভিত আরো একবার কাঁপিয়ে দেয় মালদ্বীপ। ইব্রাহিম হোসেন পাস থেকে বল পেয়ে এক ডিফেন্ডারকে কাঁটিয়ে গোলরক্ষক কিরন কুমারকে একা পেয়ে গিয়েছিলেন হাসান। কিন্তু তার নেয়া শট আর জালের ঠিকানা পায়নি। গোলরক্ষকের পায়ে লেগে বল বাইরে চলে যায়। অথচ ঠান্ডা মাথায় শট নিলে ব্যবধান দ্বিগুন করে ফেলতে পারতেন এ ফরোয়ার্ড।

নেপাল গোল পরিশোধ করতে না পারলেও ম্যাচ শেষ হওয়ার ৬ মিনিট আগে গোলের গ্রাফটা ঠিকই উপরে নিয়ে যায় মালদ্বীপ। গোল করেন ইব্রাহিম হাসান। ডানদিক থেকে বদলী হিসেবে মাঠে নামা আসাদুল্লাহর মাইনাস নেপালের ডিফেন্ডার দিনেশ ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ হলে বক্সে দাঁড়ানো ইব্রাহিমের পায়ের সামনে এসে যায় বল। ঠান্ডা মাথার জোড়ালো শটে নিশানা ভেদ করেন এ ফরোয়ার্ড(২-০)। দুই মিনিট পর মালদ্বীপের হয়ে তৃতীয় ও ব্যাক্তিগত দ্বিতীয় গোলটি করেন ইব্রাহিম (৩-০)।


বিরাট-আনুশকার অভিনব বিবাহবার্ষিকী পালন!
এই দু’জনের রসায়ন নিয়ে কোনও কথা হবে না। যোগ্য সঙ্গী
বিস্তারিত
নিউজিল্যান্ডে টি-২০ ম্যাচে লংকা দলের
শ্রীলংকা ক্রিকেটে নেতৃত্ব যেন মিউজিক্যাল চেয়ারে পরিণত হয়েছে। বোর্ড, নির্বাচক,
বিস্তারিত
তিন ফরম্যাটেই অভিষিক্ত সিলেট ক্রিকেট
শুক্রবার বাংলাদেশ-ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের তৃতীয় খেলা আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিশ্বের
বিস্তারিত
উইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে জয়ের উৎসবে টাইগাররা
সিলেট স্টেডিয়ামে ওয়ানডে ম্যাচে উইন্ডিজকে গুঁড়িয়ে দিয়ে জয়ের উৎসবে মেতেছে
বিস্তারিত
উইন্ডিজকে ২০০ রানের আগেই আটকাল
ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের গল্পটি আগের ম্যাচের মতোই। অসাধারণ এক সেঞ্চুরি
বিস্তারিত
মাশরাফির সামনে রেকর্ডের হাতছানি
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচে টস করতে নেমেই
বিস্তারিত