শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল

প্রেস ব্রিফিং করছেন কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার

বহুল আলোচিত কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলা মামলার অভিযোগপত্র দাখিল করেছে পুলিশ। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা আরিফুর রহমান প্রায় দুই বছর পর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। বুধবার বিকেলে পুলিশ সুপার মাশরুকুর রহমান খালেদ সংবাদ সম্মেলনে এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অভিযোগপত্রে মোট ২৪ জন আসামির নাম উল্লেখ করা হলেও ১৯ জন আসামি দেশের বিভিন্ন স্থানে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছে এবং বাকি ৫ আসামি কারাগারে রয়েছে বলে জানানো হয়। 

কারাগারে আটক পাঁচ আসামি হলেন- কিশোরগঞ্জের জাহিদুল হক তানিম, চাঁপাইনবাবগঞ্জের মিজানুর রহমান ওরফে বড় মিজান, কুষ্টিয়ার আব্দুস সবুর খান ওরফে সোহেল মাহফুজ, গাইবান্দার জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজিব গান্ধি ও আনোয়ার হোসেন।
অভিযোগপত্রে মামলার সাক্ষী হিসেবে ৭৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয়।

কিশোরগঞ্জের পুলিশ সুপার আজ বিকেলে এ সংক্রান্তু প্রেস ব্রিফিংয়ে জানান, হামলার মূল পরিকল্পনাকারী হলেন জাহাঙ্গীর আলম ওরফে রাজিব গান্ধি ও তামিম। এছাড়া কেউ অর্থের যোগানদাতা, কেউ বাসা ভাড়া ঠিক করে দেওয়াসহ বিভিন্নভাবে সম্পৃক্ত রয়েছেন।

উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই ঈদুল ফিতরের দিন শোলাকিয়া ঈদগাহের কাছে জঙ্গি হামলায় দুজন পুলিশ সদস্য, স্থানীয় এক গৃহবধূ ও হামলাকারী এক জঙ্গি নিহত হন।

অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০১৬ সালের ৭ জুলাই সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটের সময় পুলিশ চেকপোস্টে দায়িত্ব পালনকালে মসুল্লিবেশে জঙ্গি আবির রহমান ও জঙ্গি শরীফুল ইসলাম অতর্কিতভাবে চেকপোস্টে নিয়োজিত পুলিশের ওপর পরপর দুটি গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায়। জঙ্গিদের ছোঁড়া গ্রেনেডে পুলিশ সদস্য জহিরুল ইসলাম ও আনসারুল হক গুরুতর আহত হয়। পরে এ দুই পুলিশ সদস্যকে জঙ্গিরা কুপিয়ে হত্যা করে।

এ সময় ঘটনাস্থলে পুলিশের সাথে জঙ্গিদের গোলাগুলি হয়। এতে জঙ্গিদের ছোঁড়া গুলিতে গৃহবধূ ঝরণা রাণী ভৌমিক বসতঘরে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মারা যান। আর পুলিশের গুলিতে সরাসরি হামলায় জড়িত জঙ্গি আবির রহমান মারা যায়। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশের সাথে গোলাগুলিতে জড়িত জঙ্গি শরীফুল ইসলাম ওরফে শফিউলকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পুলিশ আটক করে। পরে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা শেষে কিশোরগঞ্জে আনার পথে নান্দাইল এলাকায় র‌্যাবের সাথে বন্দুকযুদ্ধে সে নিহত হয়। 

এ মামলায় আরো ১৯ জন জঙ্গি জড়িত থাকলেও তারা মারা যাওয়ায় তাদের মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। 
মামলা থেকে অব্যাহতিপ্রাপ্তরা হলেন, শরীফুল ইসলাম, আবির রহমান, তানিম আহাম্মদ চৌধুরী, নুরুল ইসলাম, সারোয়ার জাহান, মো. বাশারুজ্জামান, মেজর অব. জাহিদুল ইসলাম, রোহান ইবনে ইমতিয়াজ, নিব্রাস ইসলাম, মীর সামেহ মোবাশ্বের, খায়রুল ইসলাম, শফিকুল ইসলাম উজ্জল, রায়হানুল কবির রায়হান, সাদ্দাম হোসেন, তানভীর কাদেরী, মাহফুজুর রহমান, নজরুল ইসলাম, বদর ওরফে হালিম ও মো. ফরিদুল ইসলাম ওরফে আকাশ।


ফেসবুকে পরকীয়া: বিমানবন্দরে স্ত্রীর হাতে
ফরিদগঞ্জ উপজেলার রুপসা উত্তর ইউনিয়নের গাব্দের গাঁও গ্রামের গোফরান মিয়ার
বিস্তারিত
বিয়ের প্রলোভনে কলেজছাত্রীকে ধর্ষণ, বিষের
বগুড়ার শেরপুরে মোবাইলে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠার পর বিয়ের কথা
বিস্তারিত
ওসি ওবাইদুল হক সাময়িক বরখাস্ত
পাবনায় গণধর্ষণের শিকার গৃবধূকে অভিযুক্ত এক ধর্ষকের সাথে থানায় বিয়ে
বিস্তারিত
৯ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে
বগুড়ার কাহালু থানা পুলিশ ৯ম শ্রেণীর মাদ্রাসাছাত্রী ধর্ষণ মামলায় ৭ম
বিস্তারিত
রূপগঞ্জে বিআইডব্লিউটিএ’র উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। বুধবার
বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জে শিশু স্কুলছাত্রী ধর্ষিত, গ্রেফতার
সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার তামাই কুটিরাপাড়া গ্রামের এক শিশু স্কুলছাত্রী ধর্ষণের
বিস্তারিত