মাদারীপুরে ধর্ষণমামলা তুলে নিতে বাদী পক্ষকে বেঁধে নির্যাতন

ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার হওয়ায় বাদীর আত্মীয়স্বজনকে আটকে রেখে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে আসামি পক্ষের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার দুপুরে মাদারীপুর সদর উপজেলার রাস্তি ইউনিয়নের পশ্চিম রাস্তি গ্রামে।

নির্যাতনের স্বীকার হয়ে এলাকা ছাড়া হয়েছে বাদীর আত্মীয় স্বজনরা।

শুক্রবার সকালে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সাব্বির নামে এক বখাটে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে প্রেমের সম্পর্ক করে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে অভিযোগ করেছে এক কিশোরী। দুই বছর হয়ে গেলেও বিয়ে না করায় ১৯ জুলাই রাতে সদর মডেল থানায় সাব্বিরকে প্রধান আসামি করে ৪ জনের নামে একটি নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেছে ভুক্তোভুগী কিশোরী।

এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রচার হওয়ায় দুপক্ষের সম্মতিতে বিয়ে হলেও মেয়েটিকে মেনে নেয়নি ছেলের পরিবার। তাই মামলাও তুলে নেয়নি বাদী পক্ষ। এর পরিপ্রেক্ষিতে মামলার ২ মাস পর প্রধান আসামি গ্রেফতার হলেও আসামি পক্ষ থেকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেয়া জন্য।

বৃহস্পতিবার দুপুরে আসামি পক্ষের স্বজনেরা বাদীর মামা বারেক মোড়ল ও তার পরিবারের সকল সদস্যকে আটকে রেখে অমানবিক নির্যাতন করছে বলে অভিযোগ করেছে। এরপর পুলিশকে বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

তারপর থেকে নির্যাতনের ভয়ে বারেক মোড়ল (বাদীর মামা) সহ তার পরিবার এলাকাছাড়া হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

ধর্ষণ মামলার বাদী বলেন, প্রধান আসামি গ্রেফতারের পর থেকে আমার দুলাভাইকে বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে মামলা তুলে নেয়ার জন্য। আমি সাব্বিরের ৯ মাসের সন্তান গর্ভে নিয়ে অসহায় হয়ে দুলাভাইয়ের বাসায় আশ্রয় নিয়েছি। আমি ও আমার গর্ভের সন্তানের ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চাই।

বাদীর ভগ্নীপতি সেলিম আহম্মেদ বলেন, আমাদের মামলা তুলে নেয়ার জন্য বিভিন্নভাবে হুমকি-ধামকি দিচ্ছে আসামি পক্ষের লোকজন। রাস্তি এলাকায় মামা-মামি ও তার মেয়েকে পার্শ্ববর্তী একটি ইটের ভাটায় আটকে রেখে বিভিন্নভাবে নির্যাতন করেছে। এরপর ৩-৪ ঘণ্টা পর পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে। তারা এখন ভয়ে এলাকা ছেড়ে সবার সাথে যোগাযোগ বন্ধ রেখেছে। তাই কোনো অভিযোগ করতে পারছি না। তাদের পেলেই আইনগতভাবে অভিযোগ দেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে ধর্ষণের অভিযোগে অভিযুক্ত সাব্বিরের বাবা মতলেব সরদার বলেন, আমিতো সবকিছু মেনে নিয়েছি। তারপরও কেন আমার ছেলেকে গ্রেফতার করলো। তাছাড়া আমরা কাউকে মারধর করি নাই। শুনছি স্থানীয় একটি ক্লাবের লোকজন ওদেরকে নিয়ে গিয়েছিল এর বেশি আমি জানি না।  

মাদারীপুর সদর থানা এসআই বিল্টু দাস জানান, ধর্ষণের অভিযোগে থানায় একটি মামলা হওয়ার পর গত ৭ সেপ্টেম্বর আসামি সাব্বিরকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। বাদী পক্ষের মামা-মামিকে বেঁধে রেখে মারধর করার কথা শুনি নাই। শুনেছি ওই এলাকা একটি শালিস বসেছিল সেখানে একটু হাতাহাতি হয়েছে। আমরা গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বাদী পক্ষের লোকজনকে ওই খান থেকে নিয়ে আসি।

মাদারীপুর পুলিশ সুপার সুব্রত কুমার হালদার জানান, যদি এরকম ঘটনা ঘটে থাকে তাহলে তারা থানায় মামলা করলে আমরা আইনগত সহয়তা করবো।


মাদারীপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
মাদারীপুর সদর উপজেলার শিড়খারা এলাকায় সোমবার ভোরে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আলিম মোল্লা
বিস্তারিত
ভূঞাপুরে মিনা দিবস পালিত
“মায়ের দেয়া খাবার খাই, মনের আনন্দে স্কুলে যাই’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে
বিস্তারিত
শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বাড়েছে ছাত্রলীগের
ইতিবাচক ধারা আরো গতিশীল হওয়ায় সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে ছাত্রলীগের গ্রহণযোগ্যতা
বিস্তারিত
মিরপুরে বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১
মিরপুরে র‍্যাবের সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধে আসাদুল নামে এক যুবক নিহত
বিস্তারিত
এমপি রনজিতের বিরুদ্ধে স্থানীয় আওয়ামী
যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রনজিৎ রায় কুমার রায়ের বিরুদ্ধে ঢাকায়
বিস্তারিত
গাজীপুরে শ্রমিকদের বিক্ষোভ, মহাসড়ক অবরোধ
বকেয়া বেতনের দাবিতে রোববার (২৩ সেপ্টেম্বর) সকালে গাজীপুর মহানগরীর ডেকেরচালা
বিস্তারিত