অমায়ার আনবেশে

সাদা মুখোশে থাকতে গেলে ছুড়ে দেওয়া কালি 

হয়ে যায় সার্কাসের রংমুখ, 
তবুও দাঁড়কাকের সৌভাগ্যে উঠোন মাড়ানো নতুন বউ 
দুমুঠো অন্ন ছড়ায় বেহুলাবাতাসে
দিগি¦দিক...

বাসি মাংসের মতো বুড়ি জংশন পাউরুটি চিবোয় আজও
তারই পাশে ফুটো টিনের নিচে রৌদ্দুর মেলে চোখ ঝলকে
গমের ক্ষেত মুখ ভ্যাংচায় কালো নখের দেয়ালজুড়ে,
সুপারিপাতার বাহনে দোল খায় প্রাচীন বাতাস, খেয়ালিপনায়। 
দৌড় ইতিহাস থমকে রেখে ডায়েরি ভাঁজের নিঃসঙ্গ গোলাপ 
একলা বাঁধে ঘর বর্ষাট্যাবুর পায়ের পাতায়।

অতঃপর, বহু ব্যবধান শেষের বাহুডোর ফেলে
জিহ্বার স্বাদে কড়া নেড়ে গেলে কাটাছেঁড়ার একটা জীবন 
বোধের আবাদে উর্বর হয়ে ওঠে আয়ুÑ ধিক্কারে!


আত্মজীবনী লিখলে ঘরে ও বাইরে
ঢাকায় বাতিঘর আয়োজন করে ‘আমার জীবন আমার রচনা’ শীর্ষক আলাপচারিতা।
বিস্তারিত
যে নদীর মন বোঝে
পদ্মা মেঘনার মতো দুই ভাগ হয়ে গেছে মানুষ চলে পাশাপাশি তবুও
বিস্তারিত
সেই তুমুল অঘ্রানলোকে
সবকিছু উগরে দিয়েছে ওরা  প্রীতি ও বিচ্ছেদ, সুর ও সুরভী, রতি
বিস্তারিত
চোরাচালানি
কুয়াশায় আচ্ছন্ন প্রতিদিনের সন্ধ্যা গভীর রাতে শিয়ালের কান্না শীতের আগমনী
বিস্তারিত
অভিশাপ
অভিশাপে কপালের আধখান শেষ। ভাগ্যরা আর পাশে নেই। উড়ে গেছে
বিস্তারিত
যে বৃক্ষে বাতাস জমেনি
আমাদের দুই জোড়া হাতে যে বৃক্ষটি রোপণ করেছি। সেটি যেদিন
বিস্তারিত