আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী

সামিরা আজ্জম ১৯২৬ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ফিলিস্তিনের আর্কে একটি গোঁড়া খ্রিষ্টান পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা কাইজার আজ্জম ও মাতা অলিম্পি বারী। তিনি আর্কে তার প্রাথমিক শিক্ষা জীবন শেষ করেন। তারপর ‘তাকলিমেত আল-রাইবাত’ হাই স্কুলে ভর্তি হন। পরবর্তী সময়ে নানের একটি কলেজে পড়াশোনা করেন। তিনি ইংরেজি ভাষার ওপর একটি কোর্স সম্পন্ন করেন ও অতি অল্প সময়ের মধ্যে দক্ষতার সঙ্গে কথা বলা এবং লেখায় পারদর্শী হয়ে ওঠেন।
১৯৪৩ থেকে ১৯৪৫ সাল পর্যন্ত তিনি আর্কে একটি খ্রিষ্টান স্কুলে শিক্ষকতা করেন। ১৯৪০ সালের প্রথম দিক থেকেই তিনি ‘ফিলাস্তান’ নামক একটা পত্রিকায় ‘দি গার্ল ফ্রম দি কোস্ট’ ছদ্মনামে লেখালেখি শুরু করেন। ইসরাইলি আগ্রাসনের কারণে ১৯৪৮ সালে তিনি সপরিবারে দেশত্যাগ করে লেবানন চলে যান। সেখান থেকে ইরাকে গিয়ে ‘হিলা গার্লস স্কুলে’ দুই বছর শিক্ষকতা করে আবার লেবাননে ফিরে আসেন। লেবাননে এসে তিনি বিভিন্ন ম্যাগাজিনে তার সাহিত্যকর্ম প্রকাশ করা শুরু করেন। ১৯৫২ সালে তিনি সাইপ্রাসের ‘নিয়ার ইস্ট রেডিও’ স্টেশনে ঘোষিকা ও ‘ওমেনস কর্নার’ নামে একটি অনুষ্ঠানের প্রধান হিসেবে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে যখন ওই রেডিও স্টেশনটি বৈরুতে স্থানান্তর করা হয়; তখন তিনি ‘হয়েন মর্নিং বিকামস’ নামে একটি দৈনিক অনুষ্ঠানের প্রধান হিসেবে নিযুক্ত হন। ১৯৫৭ সালে তিনি বাগদাদে যান ও সেখানে আদিব ইউসুফ আল-হিসন নামে একজন ফিলিস্তিন নাগরিকের সঙ্গে তার সাক্ষাৎ হয়। পরবর্তী সময়ে তিনি তাকে বিয়ে করেন।
১৯৫৭ থেকে ১৯৫৯ সাল পর্যন্ত তিনি বাগদাদ ও কুয়েত রেডিও স্টেশনে সাহিত্য অনুষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক ও নির্মাতা হিসেবে কাজ করেন। ১৯৫৯ সালে তৎকালীন ইরাক সরকার নেচিরিস্ট পার্টির সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগ এনে তাকে ও তার স্বামীকে ইরাক থেকে বহিষ্কার করে। তারপর তারা লেবাননে ফিরে আসেন। লেবাননে এসে তিনি একটি নামকরা প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগ দেন এবং অনেক ইংরেজি সাহিত্য আরবি ভাষায় অনুবাদ করেন। ১৯৬০ সালের প্রথম দিকে বৈরুতের বিভিন্ন সাপ্তাহিক পত্রিকায় তার লেখা নিয়মিত প্রকাশিত হতো। তিনি সাহিত্য ভাবের সঙ্গে সংযুক্ত করে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ের ওপর বেশি লিখতেন। 
তার অধিকাংশ লেখা ইসরাইলিদের দখলদারিত্ব ও ফিলিস্তিনিদের অভিজ্ঞতার ওপর আবর্তিত ছিল। তার গল্পগুলো প্রায়ই নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া বা অভিমতের মধ্যে আবর্তিত হচ্ছিল। তার প্রথম ছোটগল্প সংগ্রহ ‘লিটল থিংকস’ ১৯৫৪ সালে প্রকাশিত হয়। ওই গল্পগ্রন্থের সবক’টি চরিত্রই ছিল সংগ্রামী ও অনেক ক্ষেত্রে তাদের উদ্যম ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। তিনি দেখিয়েছেন যে, তাদের মধ্যে অভিন্নতাবোধের অভাবে তারা অভীষ্ট লক্ষ্যে  পৌঁছতে ব্যর্থ হচ্ছে। ষাটের দশকের প্রথম দিকে তিনি রাজনীতিতে অতিমাত্রায় সক্রিয় হয়ে ওঠেন। ‘বিকজ হি লাভ দেম’ গল্পে তিনি সবকিছু হারানো একজন পলায়নপর কঠোর পরিশ্রমী ফিলিস্তিন কৃষকের হৃদয়গ্রাহী জীবন কাহিনী চিত্রিত করেছেন। ওই কৃষক পরবর্তী সময়ে তার দুঃখ লাঘব করার জন্য মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে এবং একদিন মাতাল অবস্থায় প্রচ- ক্রোধে সে তার স্ত্রীকে হত্যা করে। এভাবেই তিনি তার গল্প শেষ করেন। তিনি গল্পজুড়ে ওই কৃষককে অশুভ ও প্রতিহিংসাপরায়ণ না দেখিয়ে বরং অভিনব চরিত্র হিসেবে উপস্থাপন করে দেখিয়েছেন যে, ওই কৃষক তার ভালোবাসার সব কিছু হারিয়ে হতাশাগ্রস্ত হয়ে এ ধরনের হীন কাজ করেছে। তিনি এ গল্পে তার বক্তব্য প্রতিষ্ঠিত করতে গিয়ে কৃষকের স্ত্রী হত্যার কারণ হিসেবে তার স্বামীর ভূমিকার চেয়ে ওই সময়ের পারিপার্শি¦ক পরিস্থিতি, সামাজিক ত্রুটি ও তখনকার রাজনৈতিক পরিস্থিতি ইত্যাদি বিষয়কে দায়ী করেছেন এবং ওই হত্যাকা-টিকে ‘পরিস্থিতির শিকার’ হিসেবে ব্যাখ্যা করেছেন। 
তার প্রথম দিকের লেখায় সমাজে নারীদের ব্যাপক ভূমিকা রাখার পক্ষে জোরালো বক্তব্য দিয়েছেন। কিন্তু তিনি প্রচলিত নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সেটি করেননি; বরং তিনি পুরুষ কর্তৃক নির্যাতিত নারীদের বিরুদ্ধে অনুযোগ করেছেন। তিনি এ বিষয়টিকে সমাজের বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখেছেন। ওই সময়ে তিনি তার রাজনৈতিক আদর্শ সম্পর্কে ব্যাপকভাবে লিখেছেন ও প্রকাশ করেছেন। তার এ গল্পগুলো ফিলিস্তিনিদের মুক্তি সংগ্রামকে অধিক থেকে অধিকতর ভাবে রূপকথার মতো প্রতিষ্ঠিত করেছে। লেখনীর মাধ্যমে প্রকাশিত তার এ দৃষ্টিভঙ্গি ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামকে অনেক জাগ্রত করেছে। মাঝে মাঝে তার গল্পগুলোকে মাত্রাধিক শিল্পবোধ সম্পন্ন মনে হয়েছে। ‘ওন দি ওয়ে অব সলোমনপোল’ গল্পে আজ্জম আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একজন স্কুল শিক্ষকের একাকী প্রতিরোধের কথা বলেছেন। ওই স্কুল শিক্ষক জীবন বাজি রেখে অনতিক্রম্য ইসরাইলি সৈন্যদের বিরুদ্ধে লড়েছেন; যদিও তিনি শেষ পর্যন্ত পরাস্ত হয়েছিলেন। কিন্তু তার এ সংগ্রাম ফিলিস্তিনিদের অস্তিত্ব রক্ষার যুদ্ধকে উৎসাহিত করেছিল। গল্পের এক জায়গায় তিনি দেখিয়েছেন যে,  ওই শিক্ষক তার নিহত একমাত্র পুত্র সন্তানকে একটা গাছের নিচে সমাহিত করেছেন। এ বিষয়টা উপস্থাপন করে তিনি বুঝিয়েছেন যে, ফিলিস্তিনিদের আবেগ ও অনুভূতি  চিরদিন জাগরুক হয়ে থাকবে এবং দখলীকৃত ভূমি একদিন তাদেরই হবে। 
তিনি সারা জীবনের ঘাত-প্রতিঘাতের বৃন্ত থেকে অনেক গল্প সৃষ্টি করেছেন। তার গল্পের নায়িকারা অনেক স্বাধীন ও তাদের অনেকেই আজ্জমের মতোই অল্প বয়স থেকেই কাজ করে যাচ্ছে। আবার অনেকেই পরিবারের দায়িত্ব পালন করার লক্ষ্যে অর্থ উপার্জনের জন্য কাজ করতে যথেষ্ট স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত। সমালোচকদের মতে তার গল্পের চরিত্রগুলো ছিল স্বভাবতই অতিমাত্রায় বাস্তববাদী। আজ্জম ফিলিস্তিনিদের সংগ্রামকে সাধারণ মানুষের প্রতিরোধ হিসেবে বর্ণনা করেেছন। তিনি সার্বিকভাবে তাদের জাতীয় পরিচয় বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরে ওই সময়ে সাহিত্যের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হন। 
তিনি নিজস্ব একটা বিশ্বে সৃজনশীলতার বিস্তার ঘটিয়েছেন। সমালোচকরা তার জীবদ্দশায় তার সাহিত্যকর্মের প্রতি যথাযথভাবে মনোযোগ দেননি। তার প্রকাশনা সংস্থার মতে, ‘ওই সৃজনশীল নারী ছিলেন আরব ছোটগল্প রাজ্যের পথিকৃৎ। তিনি যতটুকু যোগ্য ছিলেন তাকে ততটুকু মূল্যায়ন করা হয়নি ও তার সাহিত্যকর্ম প্রায় উপেক্ষার পর্যায়ে চলে গিয়েছিল।’ ১৯৬৭ সালে তার মৃত্যুর পর তার ৫টি গল্পগ্রন্থ পাওয়া যায়। ‘টিনি ম্যাটারস’ প্রকাশিত হয় ১৯৫৪ সালে, ‘গ্রেট শেডো’ প্রকাশিত হয় ১৯৫৬ সালে এবং অন্যান্য গল্প প্রকাশিত হয় ১৯৬০ সালে। তার আরও অনেক সাহিত্যকর্ম তার মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। 
তার রচনাবলির ওপর দুটি স্বতন্ত্র আলোচনা করা যায়। প্রথমত তিনি ছিলেন ফিলিস্তিন বিপ্লবের একজন খাঁটি লেখক। তার লেখাগুলোর মধ্যে বিপ্লব এবং বিদ্রোহ একান্তভাবে সম্পৃক্ত ছিল। দ্বিতীয়ত অনেকে বলে থাকেন যে, আজ্জম ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারেননি। কারণ তিনি সামাজিক মর্যাদার দিক থেকে অনেক উঁচু ছিলেন। তাই তিনি তাদের কাছ থেকে অনেক দূরে ছিলেন। তিনি স্বাভাবিক জীবনযাপন করতেন ও তার চিন্তা ছিল নারীসুলভ। তার গল্পগুলো পরোক্ষভাবের সঙ্গে খুব বেশি সমান্তরাল ও সূক্ষ্ম হতাশার সংকেত দিতে ব্যর্থ হয়েছে। 
বিভিন্ন সাহিত্য সমালোচকদের সমালোচনা সত্ত্বেও তাকে এখনও আরবদের ছোটগল্প উন্নয়নের পথিকৃৎ হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সমালোচক সোহেলী ইদ্রিস সামিরা আজ্জমের ‘টিনি ম্যাটার’ গল্প সংকলন সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে বলেছেন, ‘এই সংকলনটিতে আজ্জম বড় মাপের লেখক হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করেছেন। তার লেখা সামাজিক আবহ জোগাতে সক্ষম। তার মধ্যে ছিল বড় মাপের লেখকশক্তি। তার লেখার ধরন অনেক প্রাণবন্ত, উজ্জ্বল, নিরেট, সুরেলা এবং সংবেদনশীল।’ অন্য এক সমালোচক আজ্জমকে ‘আমার শিক্ষক এবং আমার প্রশিক্ষক’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছেন, ‘সামিরা আজ্জমকে অনেকে নারীবাদী হিসেবে আখ্যায়িত করলেও আসলে তিনি তা ছিলেন না। তিনি ফিলিস্তিনের নাগরিকদের জাগ্রত হতে জোরালোভাবে আহ্বান জানিয়ে পুরুষের সঙ্গে সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, যুদ্ধে অংশগ্রহণ, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পারিবারিকভাবে সমমর্যাদা লাভের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়ার কথা বলেছেন। অন্যদিকে নারীরা পিছিয়ে পড়ে নির্যাতিত হওয়ার জন্য। এ ক্ষেত্রে তিনি পুরুষদের চেয়ে নারীদের বিরুদ্ধে বেশি অনুযোগ দিয়েছেন। তার লেখনীতে ফিলিস্তিন নারীদের মানসিক অবস্থা ও ভাবপ্রবণ বাস্তবতার কথা উঠে এসেছে।’ সমালোচক হাসেম ইয়াগি বলেছেন, আজ্জমের ‘দি গ্রেট শেডো’ বইটি পড়লে মনে হয় তিনি শিল্পকর্ম সম্পর্কে অনেক বেশি যতœশীল এবং শিল্প চাতুর্যের অনুমাপক হিসেবে তিনি তার লেখার প্রতি যথেষ্ট সতর্ক ছিলেন। আজ্জম তার ‘টিনি ম্যাটারস’ গ্রন্থের চেয়েও এ গ্রন্থে অনেক বেশি এবং ব্যতিক্রমধর্মী সাফল্য লাভ করেছেন। 
কবি আবু সালমার মতে, ‘সামিরার লেখায় সৃজনশীলতা, প্রাণবন্ত রচনাশৈলী, উঁচু মানের দূরদর্শিতা, স্পষ্ট ও সুন্দর ভাষায় প্রকাশ করার ক্ষমতা এবং সুবুদ্ধিসম্পন্ন উষ্ণতা তাকে অনন্য এক মাত্রায় অধিষ্ঠিত করেছে। কোনো আরব ছোটগল্পকার তার সমক্ষতা অর্জন করতে পারবে কি না এতে আমার সন্দেহ রয়েছে।’ মিশরের প্রখ্যাত সাহিত্য সমালোচক রাজা আন নাকাস তাকে ‘আরব ছোটগল্পের রাজকুমারী’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। তিনি বলেছেন, ‘আজ্জম লেখনীর মাধ্যমে ফিলিস্তিন জাতীয়তাবাদ এবং তার বাস্তবতাকে যৌক্তিকরূপে তুলে ধরেছেন। তার লেখা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে বিপ্লবধর্মী। আমার মতে তার সাহিত্যকর্মই একটা বিপ্লব।’ 
ষাটের দশকের প্রথম দিকে ফিলিস্তিনিদের কিছু সংখ্যক গোপন সংগঠন গড়ে ওঠে। ওই সংগঠনগুলো গড়ে তোলার পেছনে আজ্জম প্রথম সারির ভূমিকা পালন করেন। তিনি তার গোপনীয়তা রক্ষা করে নিরন্তর কার্যক্রম পরিচালনা করেন। আজ্জম অতি শিগগিরই যুদ্ধক্ষেত্রে নারী অংশের দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তিনি এ দায়িত্ব পালন করে গেছেন। 
আরব বিশ্বের অনেক বিখ্যাত সাহিত্যিক ও সাহিত্য সমালোচকের সঙ্গে তার গভীর যোগাযোগ ছিল। আরব নারীদের মধ্যে সাংবাদিকতা, ঘোষিকা ও গোপন জাতীয়তাবাদী সংগঠনের মূল পথিকৃৎ ছিলেন তিনি। 
তার কৃতকর্মের স্বীকৃতি স্বরূপ অনেক পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। ১৯৯০ সালে পিএলও তাকে শিল্প এবং সাহিত্যে অবদানের জন্য মরণোত্তর ‘জেরুজালেম মেডেল ফর কালচার’ পদকে ভূষিত করে। 
১৯৬৭ সালের ছয় দিনের ঐতিহাসিক যুদ্ধে আরবদের পরাজয়ের পর তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। ওই যুদ্ধের কিছুদিন পর তিনি তার কয়েকজন সহযোদ্ধাসহ শরণার্থী শিবিরে সাক্ষাৎকার নেওয়ার জন্য আম্মানের উদ্দেশে রওনা হন। কিন্তু পথিমধ্যে তিনি হঠাৎ স্ট্রোক করে মারা যান। তার বয়স হয়েছিল মাত্র ৪১ বছর। তার লাশ বৈরুতে আনা হয় ও তাকে প্রোটেস্টান্ট সমাধিতে সমাহিত করা হয়। 
তিনি ছিলেন মনেপ্রাণে একজন খাঁটি আরব। তিনি সব সময় তার জাতির হতাশা ও যন্ত্রণাকে বুকে ধারণ করতেন। তার স্বপ্ন ছিল নিজেদের বিজয়ী, একতাবদ্ধ ও ভোগান্তিমুক্ত হিসেবে দেখা। আর সবার মন যেন ঘন কালো মেঘমুক্ত থাকে তা দেখে যাওয়া। বস্তুত তার দেহান্তর ঘটলেও ফিলিস্তিন জাতীয়তাবাদের সার্বিক চেতনায় সামিরা আজ্জম বিশেষ স্থান অধিকার করে চিরভাস্বর হয়ে আছেন।


সংরক্ষিত বনের কাঠমৌর, কুচকুচি ও
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক বন বলে প্রায় কিছুই আর অবশিষ্ট নেই। ফোকলা
বিস্তারিত
প্রকাশ পেয়েছে ‘জীবনানন্দ’
জীবনানন্দ দাশকে নিয়ে চর্চার পত্রিকা ‘জীবনানন্দ’ প্রকাশিত হয়েছে। এর সম্পাদক
বিস্তারিত
স্ট্যাটাস
ধর্মও উঠে এসেছে ফেসবুকের নীল পর্দায় হায় সেলুকাস! এতে সওয়াব
বিস্তারিত
হানযালা হান যাদুর বাক্স
  মাঝেমধ্যে হতাশ হয়ে পড়ি, শিল্প খুব ধীর গতির মাধ্যম, ধরা
বিস্তারিত
মনে নেই
আসাদ চৌধুরী মনে নেই আছাড়-পিছাড় খেতে-খেতে হাঁটু তুষার মাড়িয়ে যখন ছুটছি,
বিস্তারিত
এজমালি শরৎ
হাবীবুল্লাহ সিরাজী এজমালি শরৎ পুরানো ঘাসে নতুন মেঘ ওড়ে বৃষ্টি হাঁচে
বিস্তারিত