ইমাম বোখারির আসনে যুগের বোখারির দরস

আলোচনায় তিনি বলেন, ‘ইমাম বোখারি এ ভূমিতেই বেড়ে উঠেছেন। এখানেই তার কবর। এ দেশ গর্ব করার অধিকার রাখে। কারণ এখানেই বোখারি বেড়ে উঠেছেন, যাকে নিয়ে পুরো ইসলামি বিশ্ব গর্ব করে।’ তিনি আরও বলেন, এ ভৌগোলিক ভূখ- পুরো ইসলামি বিশ্বে আলেম তৈরিতে অবদান রেখেছে

ইমাম বোখারি। কাল প্রবাহে একটি বিস্ময়ের নাম। স্মৃতির প্রখরতা, জ্ঞানের গভীরতা, চিন্তার বিশালতা, চারিত্রিক দৃঢ়তা, অটুট সততা আর বিশাল পর্বতসম হিম্মতের এক মূর্তপ্রতীক এ মহাপুরুষ। তিনি ইলমে হাদিসের এক বিজয়ী সম্রাট। তার সংকলিত হাদিসের মহামূল্যবান সংকলন সহিহুল বোখারি। কেয়ামত পর্যন্ত সমগ্র মুসলিম উম্মাহ তার সাধনার কাছে ঋণী। 
এ মহান মনীষী ১৯৪ হিজরিতে উজবেকিস্তানের বোখারা প্রদেশের রাজধানী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর সমরখন্দে জন্মগ্রহণ করেন। তার কবর ঘিরে নির্মিত হয়েছে ইলম চর্চার এক কেন্দ্র। সেই কেন্দ্রে এ যুগের আরেক বোখারি সিরীয় আলেম, জারহ তাদিল শাস্ত্রের ইমাম, মদিনা ইউনিভার্সিটিতে ইসলামিক সেন্টার প্রতিষ্ঠাকারী শায়খ মুহাম্মাদ আওয়ামা সফরে এলেন, বৃহৎ কলেবরে হাদিসের মৌলিক গ্রন্থ মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বাসহ বহু কিতাবের তিনি তাহকিক প্রকাশ করেছেন।
চলতি সপ্তাহে শায়খ আওয়ামা এসেছেন উজবেকিস্তান সফরে। এ সফরে তিনি পরিদর্শন করেন ঐতিহাসিক নগরী সমরখন্দে অবস্থিত  ইমাম বোখারি কমপ্লেক্স। উজবেকিস্তানের নেতৃস্থানীয় ধর্মীয় ব্যক্তিরা শায়খ ও তার সাথিদের ইমাম বোখারির কবরসংলগ্ন কমপ্লেক্সে স্বাগত জানান। শায়খের সঙ্গে উজবেকিস্তানের বড় আলেম ইসমাইল মুহাম্মাদ সাদিক তাকে সময় দেন। শায়খ আওয়ামা ইমাম বোখারির কবরে বোখারির বিভিন্ন হাদিস পড়ে রুহের দরজা বুলন্দি কামনা করেন।   
তিনি উজবেকিস্তানের সেই কিলান মসজিদ যেখানে ইমাম বোখারি (রহ.) একসঙ্গে প্রায় নব্বই হাজার ছাত্রকে হাদিসের দরস প্রদান করেছেন, ঠিক সেই মসজিদ ও মসনদে হাদিসের পাঠ দিলেন। সমবেত হাদিসের জ্ঞানপিপাসুদের নানা বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর প্রদান করলেন এ বিশ্ববরেণ্য আলেমে দ্বীন। সেখানকার আলেমদের পক্ষ থেকে শায়খকে ইমাম বোখারির হাদিসের মসনদের জন্য ব্যবহার্য বিশেষ পোশাক পরিয়ে সম্মানিত করা হয়।


বোখারি কমপ্লেক্সে শায়খ গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন। আলোচনায় তিনি বলেন, ‘ইমাম বোখারি এ ভূমিতেই বেড়ে উঠেছেন। এখানেই তার কবর। এ দেশ গর্ব করার অধিকার রাখে। কারণ এখানেই বোখারি বেড়ে উঠেছেন, যাকে নিয়ে পুরো ইসলামি বিশ্ব গর্ব করে।’ তিনি আরও বলেন, এ ভৌগোলিক ভূখ- পুরো ইসলামি বিশ্বে আলেম তৈরিতে অবদান রেখেছে। ইমাম বোখারি মুসলিম উম্মাহর জন্য যে খেদমত রেখে গেছেন, তার গুরুত্বের ওপর আলোচনায় বলেন, তার লেখনী সব মাজহাব ও ইসলামি শিক্ষাকেন্দ্রের উৎস হিসেবে কাজ করে আসছে।
শায়খ আওয়ামা ১৯৪০ সালে সিরিয়ার আলেপ্পো শহরে জন্মগ্রহণ করেন, এখানেই প্রাথমিক শিক্ষাগ্রহণ করে উচ্চশিক্ষা দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্পন্ন করেন।

সূত্র : আনাদুলা এজেন্সি


আদর্শ শিক্ষকের দায়িত্ব ও মর্যাদা
শিক্ষকতা পেশা হলো পৃথিবীর সমুদয় পেশার মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট ও শ্রেষ্ঠ।
বিস্তারিত
আত্মহত্যা প্রতিরোধে ইসলাম
জাতীয় পর্যায়ে আত্মহত্যা রোধ করতে হলে অবশ্যই জাতীয় পর্যায়ে প্রত্যেকটি
বিস্তারিত
ব্রয়লার মুরগিতে সচেতনতা জরুরি
মুরগির ফার্ম এখন সারা দুনিয়ায়। এর সংখ্যা এতই বিপুল যে,
বিস্তারিত
পারিবারিক বন্ধন অটুট রাখুন
স্ত্রীর কোনো কিছু অপছন্দ হলে স্বামী ধৈর্য ধরবে। একে অপরকে
বিস্তারিত
উম্মতের শ্রেষ্ঠ আমানতদার আবু উবাইদা (রা.)
রাসুলুল্লাহ (সা.) এরশাদ করেছেন, ‘প্রত্যেক জাতির আমানতদার ব্যক্তি আছে। এই
বিস্তারিত
ঈমান ও আমলের পুরস্কার
মোমিনমাত্রই বিশ্বাস করে পরকালকে। পরকাল মানে পার্থিব জীবনান্তে যেখানে মানুষ
বিস্তারিত