রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হতে পারে

বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন রবিবার আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকট দীর্ঘায়িত হলে তা উগ্রবাদকে উৎসাহিত করতে পারে, যা গোটা অঞ্চলে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে। তিনি বলেন, ‘যদি এই সমস্যা দীর্ঘায়িত হয় তাহলে তা উগ্রবাদের পরিস্থিতি সৃষ্টিকে উৎসাহিত করতে পারে এবং তা শুধু মিয়ানমার ও বাংলাদেশের জন্যই নয়, বরং পুরো অঞ্চলে অনিশ্চয়তা ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করতে পারে।’

আজ রাজধানীতে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশে জাতিসংঘ কার্যালয় যৌথভাবে ঢাকার একটি হোটেলে ‘বাংলাদেশ ও মানবাধিকার’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে।

ড. মোমেন বলেন, ‘রোহিঙ্গাদেরকে অবশ্যই যততাড়াতাড়ি সম্ভব তাদের নিজেদের দেশে ফিরে যেতে হবে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশনের দৃষ্টিতে রোহিঙ্গা নিধন হচ্ছে মিয়ানমারে ‘নৃতাত্ত্বিক নির্মূল অভিযান-এর ক্ল্যাসিক্যাল উদাহরণ’ এবং অন্যদের দৃষ্টিতে এটা ‘গণহত্যা’। জঘন্যতম এই মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধে তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সক্রিয় তৎপরতা কামনা করেন।

তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে নয়, এই সংকটটিকে তার উৎস মূলে (মিয়ানমার) সমাধান কবার জন্য বিশ্ব নেতৃত্বকে এগিয়ে আসতে হবে।’

ড. এ কে আবদুল মোমেন বলেন, রাষ্ট্রবিহীন রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠি শত শত বছর যাবৎ মিয়ানমারে বসবাস করে আসছে এবং রাষ্ট্র হিসাবে মিয়ানমার তার নিজের জনগনের জন্য বাধ্যবাধকতা ও দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হচ্ছে।

মিয়ানমারের প্রায় ১২ লাখ বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা বাসিন্দা বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে অবস্থান করছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, যত শিগগির সম্ভব তাদের নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করানো প্রয়োজন। মিয়ানমার এই সংকটের সৃষ্টি করেছে এবং এটা সমাধান করা তাদেরই দায়িত্ব। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশের নির্যাতিত জনগণকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দকে বদনাম ও কলঙ্ক থেকে রক্ষা করেছেন।’ এই নির্যাতিত জনগোষ্ঠিকে আশ্রয় দিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘মানবতার রোল মডেল’ এবং ‘মানবাধিকার ও মূল্যরোধ রক্ষায় বিশ্বের নেতা’য় পরিনত হয়েছেন। জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রগুলো পুনরায় বিপুলভাবে ভোট দিয়ে বাংলাদেশকে সংস্থাটির মানবাধিকার কমিশনের সদস্য নির্বাচিত করেছে।

তিনি সুশীল সমাজ, আমলা, পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ, গনমাধ্যম সহ সংশ্লিষ্ট সকলকে ‘শান্তির সংস্কৃতি’ ও ‘মানবাধিকারের সংস্কৃতি’র বিষয়টিকে গূরুত্ব দিয়ে মানবাধিকার রক্ষার চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনার আহবান জানান।

বাংলাদেশের নতুন সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সকল নাগরিকের মানবাধিকার ও আইনের শাসন নিশ্চিত করার কথা বলা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন

সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি মিয়া সেপ্পো।-বাসস


পর্যটনকে গুরুত্ব দেয়ার পরামর্শ প্রধানমন্ত্রীর
সোনাদিয়া দ্বীপের জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গভীর সমুদ্র বন্দর না করে পর্যটনকে
বিস্তারিত
৭ মার্চকে জাতীয় দিবস ঘোষণা
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণের দিনকে জাতীয়
বিস্তারিত
পলাতক ৭ আসামিকে ধরতে হাইকোর্টের
বিসমিল্লাহ গ্রুপের এমডি খাজা সোলেমান আনোয়ার চৌধুরী ও তার স্ত্রী
বিস্তারিত
রাজধানীতে প্রকাশ্যে বাবার সামনে ছেলে
রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে ইমন (১৮) নামে এক পোশাক শ্রমিককে তার বাবার
বিস্তারিত
প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার বৃত্তির ফল
প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা-২০১৯ এর ফলাফলের ভিত্তিতে প্রাথমিক সমাপনী ও
বিস্তারিত
পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা
পিলখানা ট্র্যাজেডির ১১ বছর আজ মঙ্গলবার। ২০০৯ সালের ২৫ ও
বিস্তারিত