পাখিদের প্রেম নিবেদন

তোমাদের মহাকাব্যে লেখা আমাদের ইতিহাস 

আমরাও মনে রেখেছি তার প্রতিটি ওঠানামা শ^াস। 
আর ভালোবাসার মতো কোনো সম্পদ, সুস্থতার মতো 
কোনো উপহার ইহবিশে^ নাই জেনে তিলে তিলে তাই 
করেছি সঞ্চয়। নিঝুম নিস্তব্ধতায় এনেছি জলের ভাষা। 
দেখেছি নাথের ঘাড়ে সাপ আর সমুদ্রের খেলা। সুরবাহী
আলোর সন্তান, মেঘেরও আগে পৌঁছে গেছি পৃথিবীর 
দেশে দেশে। আর ত্রিকালদর্শী ঋষির মতো মানুষভূমির 
জঠর জঙ্ঘায় রেখেছি কত বীজÑ বট, খেজুর, জলপাই। 

বলতে দ্বিধা নাই, আমরা সেই টিঠু-কুন পাখিবংশ 
আদি-অন্ধকার থেকে অদ্যাবধি ভালোবাসার অংশ। 
আমাদের রাজা নাই, প্রজা নাই, নায়ক নাই, নায়িকা নাই
কেউ ভাবতে, কেউ ডাকতে, কেউ বলতে, কেউ গাইতে
কেউ নাচতে এসেছি, কেউ-বা এসেছি জাগাতে আপন রোশনাই। 

তোমাদের ভাবনায় হয়তো আমরা খাঁচার অচিন পাখি 
না হয় কোনো রসিক মনের মায়াসুন্দরী! 
আমাদের চোখে তাই বিস্তৃত বিস্ময় অরণ্যপল্লব আঁখি
Ñপ্রবীণ গাছটিও উপড়ে ফেলছ, শুষে খেয়েছ নদী 
আর আমাদের সবচেয়ে সুন্দর পাখিটিকে করেছ বন্দি। 
যার ক্ষোভে বিক্ষোভে প্রতিবাদে কিছুই বলতে আসিনি 
শুধু তোমাদের সামনে দাঁড় করিয়েছি একটি বিপন্ন পৃথিবী 
আর দৈত্যপুর থেকে আগত দুঃখের ঘণ্টাধ্বনি। 

হতে পারি তোমাদের কাবাব কিংবা বুকের মায়া
তবু চাই বন্ধুর মুক্তি। চাই শান্তির পৃথিবী। 
কেননা, এখনো তোমরা শিকারি আর শিকার সন্ধানী
এখনো তোমরা শুধুই সংখ্যা, বিস্ময়কর ব্যস্ত জনসংখ্যা! 
আর আমরা জীর্ণজরা তাড়াতে তাড়াতে আসা যিশুর ছায়া
কৃষ্ণের খোদাই সেনা, বুদ্ধের নিব্বানা, মুহাম্মদের প্রশান্ত আত্মা
আর সোলায়মানের বুকজোড়া ভালোবাসা। সুরে সুরে গানে গানে
আমাদেরও জপনা একটাইÑ ক্ষমা করো, ভালোবাসা দাও। 


বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ও মহাকবি হাফিজ
বিশ্বকবি বহুদেশ ভ্রমণ করেছেন। রবীন্দ্রনাথের ভ্রমণ কাহিনি থেকে তার পারস্য
বিস্তারিত
বৃষ্টি নদী
নওশাদ জামিল বৃষ্টি নদী চোখের কোণে নামল টলোমলো  বৃষ্টি নদী, ভিজল
বিস্তারিত
ফাঁস
সৌম্য সালেক ফাঁস  সবকিছু ফাঁস হয়ে গেছে সবকিছু ফাঁস হয়ে যাচ্ছে
বিস্তারিত
বেহুলারা পাল তুলে
বেহুলারা পাল তুলে  স্নেহমাখা হাতখানি বাড়িয়ে দাও  পৃথিবীর ক্যানভাসে এক
বিস্তারিত
দাওয়াই
মাথার উপর ঝুলে থাকা চাঁদ, খুঁঁটিহীন নীল আসমান মেঘ ভেঙে
বিস্তারিত
স্বপ্ন ছুঁয়ে হাঁটা
  পাতা ঝরার ঝিম কুয়াশায় ঝিমায় রাখাল বাঁশি রসের পিঠায় সরস
বিস্তারিত