টিপু সুলতানের গুচ্ছ কবিতা

চোখ দুটো স্ববাক

আমার হাতকড়া খুলে দাও।

মগজের ভেতর দেশপ্রেম উত্তালতার ছায়া শরীর ঘিরে
চোখ দুটো স্ববাক, অক্লান্ত মন চির তারুণ্যে মুদ্রিত
প্রেমের সংগীত গাইতে গাইতে শহীদ মিনারের দিকে যায়

চারদিক ঘোর, শ্লোকেরছটা মহাশ্মশানে মৃত মহাসুর,
আমি শুনি শব্দাবলি পাঠ-অনাবিল গলাফাড়া চিৎকার
নদী গায় সমুদ্রের গান, পাখি ছোঁয় আকাশ
রাখালের গোধূলি পশ্চিমাভিমুখ, মগজ হাঁটে ধূলিময় পথঘাটÑ

হৃদয়ে আমার সংগীত

সবুজ আপেলের চারা পাহাড় ছুঁয়ে
ধূসর পৃথিবীর ব্যাবিলনীয় উদ্যান ধরে
ফিরে আসে আলো বাতাস বৃষ্টি, সুপ্রভাত
তারপর মাটির রেস্টুরেন্টে বেড়ে ওঠে পূর্ণাঙ্গ একটি বৃক্ষ।

আমার সত্তার বৃত্ত ভেঙে বহুদূর ঘুরে
চোখের ভেতর দেখি আগডুম শৈশব
আমার জন্মভূমি
আমাকে বাঁচিয়ে রাখা বাংলাদেশ!

শার্টের বোতামে ঝুলিয়ে রাখে পাঠশালা
আমৃত্যুর ভেতরে দেশপ্রেম-হৃদয়ে আমার সংগীত।


পায়ের ছাপ

পূর্ণদৈর্ঘ্য সমুদ্র; মুদ্রিত বালুচর
ঘাসপাতার ম্যাগাজিন পড়তে পড়তে দীর্ঘ হয় যুগ
সাদাকালো জৈব পৃথিবীর পাঠশালায় আসেÑ
পায়ের গ্রিবা ভেঙে উড়ে যায় ঘাসফড়িং

যেথা থেকে শুরু করেছিল সুখ তার নিজস্বতা নিয়ে
ভাবনার প্রতীক্ষাহিমে নরম হৃৎপি- ডুবিয়েÑ
জেঁকে বসা মন খারাপের জ্বর, নিয়তি পোড়ার আগে
বসন্তের লাল শিমুল নির্ভারে ঘন জীবন ওড়ায়!

এ আমার শেষ স্টপেজ, এ আমার মজবুত প্রাসাদ;

কেবল নির্জন চরিত্র

সুউচ্চ পাহাড় আমাকে একমুঠো স্বপ্ন দিতে চেয়েছিল
আমি জঙ্গলময় ছায়া ছিলাম, অন্ধকারের মতো মৃত রাত,
গায়ের চামড়া কালো হাত-পায়ের নখ শ্বেতাভ বন্যের মতো;

বত্রিশ যুগ পড়েছিলাম অখ- অবসরে জমকালো ঝড়ের
বজ্র গম্বুজ শহরে। গাছের ডাল ভেঙে পড়ে ঘুম জড়ানো
কালো চুলের সিথানে, মেঘে ভাসা আধমরা নক্ষত্র জ্বলে
অথচ পৃথিবী দেখা যায় না। কেবল নির্জন চরিত্র;
আমি আড়মোড়া ভেঙে রাজি হলামÑ পূর্ণদৈর্ঘ্য স্বপ্ন দেখতে
পাহাড় আমাকে সূর্যের বাড়ি নিয়ে গেল। বেশ দৃষ্টিনন্দন!


চোখ দুটো স্ববাক

আমার হাতকড়া খুলে দাও।

মগজের ভেতর দেশপ্রেম উত্তালতার ছায়া শরীর ঘিরে
চোখ দুটো স্ববাক, অক্লান্ত মন চির তারুণ্যে মুদ্রিত
প্রেমের সংগীত গাইতে গাইতে শহীদ মিনারের দিকে যায়

চারদিক ঘোর, শ্লোকেরছটা মহাশ্মশানে মৃত মহাসুর,
আমি শুনি শব্দাবলি পাঠ-অনাবিল গলাফাড়া চিৎকার
নদী গায় সমুদ্রের গান, পাখি ছোঁয় আকাশ
রাখালের গোধূলি পশ্চিমাভিমুখ, মগজ হাঁটে ধূলিময় পথঘাটÑ


আয়না সিরিজ
এনাম রাজু     এক   রাত কাটেÑ জলশূন্য মাছের মতো অথচ-আমি গাছে গাছে ঘুরি, চিৎকার আর্তনাদ নীরবতা
বিস্তারিত
আমরা হাঁটি শহীদ মিনারের দিকে
বিধ্বস্ত রক্ত ভেজা পলি, এভাবে গড়াগড়ি খায়Ñ হরিণির সাড়ে বারোহাত লাফ,
বিস্তারিত
নতুন যুগ
নতুন যুগ, তুমি তোমার ভালোবাসা দিয়ে আমাদের কাপড়, জ্বালানির কষ্ট মুছে
বিস্তারিত
প্রেমিক হব
প্রেমিক হওয়ার শখ? প্রেমিক হও, সন্ন্যাসি হও, বৈষ্ণব হও বিরহি হও, বাধা
বিস্তারিত
কবিতার বই ‘নিমগ্ন দহন’
বেশ কিছু কবিতা দিয়ে সাজানো হয়েছে ফখরুল হাসানের কবিতার বই
বিস্তারিত
প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত