পাগলা কানাই

গণমানুষের কবিয়াল

পাগলা কানাইয়ের আবক্ষ জন্ম : ৮ মার্চ ১৮০৯, মৃত্যু : ১২ জুলাই ১৮৮৯

পাগলা কানাইয়ের কয়েকটি গান


‘সালাম সালাম সালাম রাখি দেশের পায়।
পয়লা সালাম করি আমি খোদার দরগায়
তারপর সালাম করি নবীজিরে
যিনি শোয়া আছেন মদিনায়
ওরে সালাম করি ওস্তাদের আর সালাম পিতা-মাতায়
অধম আমি পাগলা কানাই এল্যাম চাঁদ সভায়
আল্লাহ তরাও হে আমায়..’


‘কী মজার ঘর বেঁধেছে,
হায়রে ঘর বাইন্ধাছে দুই খুঁটির উপর।
পাগল কানাই বলে ভাই সকলে যখন আসবে ঝড়
ছয় রিপু ছেড়ে যাবে সারথী নাহি রবে
পড়ে রবে এইতো সাধের ঘর।’


‘মুক্তি কিসে হবে গো জীবের ভক্তি বিহনে
ভক্তি হইছে অমূল্য ধন গুরুর কাছে লও গা জেনে।
গুরু হয় জ্ঞানের দাতা, সে জানে মর্মব্যথা
গুরু বিনে আর কে জানে?’


‘জিন্দা দেহে মরার বসন থাকতে কেন পর না, 
মন তুমি মরার ভাব জান না,
মরার আগে না মরিলে,
পরে আর কিছুই হবে না।’

পাগলা কানাই স্বভাবে যে প্রতিভা ধারণ করতেন, তার সাহায্যে যে কোনো বিষয়কে পরিবেশনযোগ্য করে তুলতে পারতেন। তখনকার সমাজ, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ, সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়কে সূক্ষ্মভাবে লক্ষ করতেন কানাই। সেগুলোকে কাব্যিক আকৃতি দিতেন, রীতিমতো চর্চা করে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে তুলতেন। মরমিবাদী চিন্তাকে তিনি  নিয়ে গেছেন সাধারণ মানুষের ধারণক্ষমতার আওতায়। ধুয়া-জারির পদকর্তা হিসেবে পাগলা কানাইকে আলাদা করে সম্মান জানান তার ভক্তরা। বলা হয়, তিন সহস্রাধিক দেহতত্ত্ব, জারি, বাউল, মারফতি, ধুয়া, মুর্শিদি গানের স্রষ্টা তিনি। দেহতত্ত্ব কানাইয়ের গানের প্রধান উপজীব্য হলেও জনজীবন, 
সমাজ ও সমকালের ভাবনা তার গানে বড় জায়গা পেয়েছে

পাগলা কানাই নামে আমরা যাকে চিনি তার মূল নাম ‘কানাই শেখ’। এই কানাই শেখ তার কাব্যচর্চার ধারাবাহিকতায় যে স্তরান্তর ঘটিয়ে চলেছিলেন, অনবদ্য কাব্যপ্রতিভাকে উন্মাদনাপূর্ণ পরিবেশন ভঙ্গিতে আনতে পেরেছিলেন, তাতে শতাধিক বছর আগেই বাংলার মানুষ তার ভাবমূর্তিকে স্নেহ আর ভালোবাসায় বরণ করে নিয়েছিল। কানাই শেখের ‘পাগলা’ শব্দটি ‘উন্মাদ’-এর প্রতিশব্দ হয়নি কোনোভাবেই। বরং একধরনের ‘উন্মাদনার’ প্রতিশব্দ হিসেবেই ব্যবহৃত হয়েছিল। যে উন্মাদনার প্রধান উৎস ছিল আন্তরিকতা। একজন স্বভাবকবি যখন গণমানুষের ভাবনা ও বার্তাকে নিজে ধারণ করে সেই মানুষের মাঝেই ছড়িয়ে দেওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেন, তখন তার ওপর ভালোবাসা আর মমতা বর্ষণ করা ছাড়া ব্যতিক্রম থাকে না।
কানাই শেখের ক্ষেত্রেও সেটাই ঘটেছে। বাংলাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে পাগলা কানাই বিচরণ করেছেন। কবিতা রচনা করেছেন, সশরীরে সেসব কবিতা মানুষের কর্ণদ্বারে পৌঁছে দিয়েছেন। গান লিখেছেন এবং সেসব গানও যতœ করে সুরে বেঁধেছেন। দলবেঁধে সেসব গান মানুষের সামনে পরিবেশন করেছেন। বলতে হয়, শুধু থিওরি তৈরি করে কানাই শেখ বসে থাকেননি। বরং সশ্রম প্র্যাকটিক্যাল করে দেখিয়েছেন। ফলে মানুষের মাঝে মিশে যেতে তার কোনো অসুবিধা হয়নি। গণমানুষের স্নেহধন্য কানাই শেখ হয়ে উঠেছেন পাগলা কানাই।
তার জন্ম আজ  থেকে ২১০ বছর আগে, অর্থাৎ ১৮০৯ সালে। দিন-তারিখ হলে ৮ মার্চ। বাংলা সালগণনার হিসেবে ২৫ ফাল্গুন ১২১৬। লোকান্তরের সময়টি হলো ১২ জুলাই ১৮৮৯। সে হিসেবে বাংলাবর্ষের কালটি হবে ২৮ আষাঢ় ১২৯৬। আধ্যাত্মিক চিন্তা-চেতনার সাধক হিসেবেই তার পরিচিতি সর্বাধিক। সৃষ্টিকর্মের বিভিন্নতার মধ্যে আছে দেহতত্ত্ব, জারি, বাউল, মারফতি, ধুয়া ও মুর্শিদি গান। কানাই ছিলেন স্বভাবকবি। তিনি মুখে মুখে গান রচনা করতেন ও নিজেই গেয়ে তা প্রচার করতেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক গান রচনা ও পরিবেশনায় তিনি পারদর্শী ছিলেন। যে সময় তিনি এসব করেছেন, সে সময় বাংলার কাব্যভূমিতে কবিগানের প্রভাব ও জনপ্রিয়তা ছড়িয়ে পড়েছিল। সামাজিক অবস্থানের সমসাময়িকতায় তখনকার মানুষের হয়তো ভাবনা ছিল; কিন্তু প্রকাশভঙ্গির সংকীর্ণতাও ছিল। ধারণা ছিল; কিন্তু সেগুলোর সমন্বয় সাধন ছিল না। তার ওপর পরিবেশনের সক্ষমতার প্রশ্নও ছিল। ফলে স্বপ্রতিভায় আলোকিত কানাই শেখের ‘পাগলা কানাই’ হয়ে উঠতে বেশি বেগ পেতে হয়নি। কানাই শুধু রচনা ও সুরারোপেই সীমাবদ্ধ ছিলেন না। তার সঙ্গে শ্রম ও নিজস্ব পরিবেশনভঙ্গিও যুক্ত করেছিলেন। শিষ্যদের সঙ্গে নিয়ে তিনি যশোর, কুষ্টিয়া, পাবনা, রাজশাহী, বগুড়াসহ বিভিন্ন অঞ্চলে তা পরিবেশন করার জন্য ছুটে যেতেন। তখন যেহেতু যোগাযোগ মাধ্যম বলে উল্লেখ করার মতো কিছু ছিল না, কিংবা মুদ্রণপদ্ধতি বা গ্রন্থ প্রকাশের সহজলভ্যতা ছিল না, তাই সৃষ্টির প্রচার কিংবা জনপ্রিয়তা অর্জনও দুরূহ ছিল। সেদিকে চোখ রাখলে পাগলা কানাই সার্থক। 
কানাই মূলত দেহতত্ত্ববিষয়ক মরমি ও ভাবগান রচনা করেন। তার কিছু  পালাগান ও কবিগানও আছে। দেহতত্ত্ব, গুরুতত্ত্ব, যোগতত্ত্ব, সংসারের অনিত্যতা, জীবনরহস্য, নবীতত্ত্ব, কৃষ্ণবন্দনা ইত্যাদিও তার গানের বিষয়বস্তু হিসেবে চলে এসেছে। সাহিত্যের মাপকাঠিতে তার রচনা নিয়ে নানামুখী আলোচনা চলতে পারে। কিন্তু ১৮ শতকের একজন আন্তরিক কবির সাহিত্যকর্মের সামনে মাপকাঠি বা এরকম কোনো উদ্ভট প্রসঙ্গের অবতারণা করার ধৃষ্টতাই আমাদের নেই। পাঠ এবং সম্ভাব্য ব্যাখ্যাই আমাদের একমাত্র আশ্রয় হতে পারে। লালন ফকিরের সঙ্গে পাগলা কানাইয়ের যোগসূত্র, মিল বা অমিল নিয়ে অনেকে মাথাব্যথা রাখেন। সেটাকেও খানিকটা বালকসুলভ, হাস্যকর বলে মনে হতে পারে। লালন কিংবা কানাই কখনও তুলনামূলক ধারণার প্রসঙ্গ হতে পারেন না। বরং স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্যপূর্ণ এসব দার্শনিকের রচনাবলির ভিত্তির ওপরই আমাদের বর্তমান, তথাকথিক আধুনিক সাহিত্য কীভাবে ভবন-অলঙ্করণ করছে, সেসব নিয়ে তর্ক চলতে পারে।
পাগলা কানাই স্বভাবে যে প্রতিভা ধারণ করতেন, তার সাহায্যে যে কোনো বিষয়কে পরিবেশনযোগ্য করে তুলতে পারতেন। তখনকার সমাজ, সংস্কৃতি, আচার-আচরণ, সমস্যাসহ বিভিন্ন বিষয়কে সূক্ষ্মভাবে লক্ষ করতেন কানাই। সেগুলোকে কাব্যিক আকৃতি দিতেন, রীতিমতো চর্চা করে সাধারণ মানুষের বোধগম্য করে তুলতেন। মরমিবাদী চিন্তাকে তিনি  নিয়ে গেছেন সাধারণ মানুষের ধারণক্ষমতার আওতায়।
ধুয়া-জারির পদকর্তা হিসেবে পাগলা কানাইকে আলাদা করে সম্মান জানান তার ভক্তরা। বলা হয়, তিন সহস্রাধিক দেহতত্ত্ব, জারি, বাউল, মারফতি, ধুয়া, মুর্শিদি গানের স্রষ্টা তিনি। দেহতত্ত্ব কানাইয়ের গানের প্রধান উপজীব্য হলেও জনজীবন, সমাজ ও সমকালের ভাবনা তার গানে বড় জায়গা পেয়েছে। বর্ষার রূপ, আশ্বিনের ঝড়, কলেরা, বসন্ত, ম্যালেরিয়ার মতো বিষয়, যা সাধারণ মানুষেকে সময়ের সেই অধ্যায়ে পীড়িত করে চলছিল, সেসবও কানাইকে, তার রচনাকে প্রভাবিত করেছে। রোগ-শোক, মানুষের দুঃখ-কষ্ট, দারিদ্র্য-হতাশা কিংবা বন্যা-খরার মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগও বাদ পড়েনি। সামাজিক সমস্যা, সমাজপতিদের অন্যায়-অবিচারও জায়গা করে নিয়েছে পাগলা কানাইয়ের গানে। এমনকি সরকারি কর্মচারীদের নিয়ে আদালত, বিচার-সালিশ, থানা-পুলিশ প্রসঙ্গ নিয়েও পাগলা কানাইয়ের অসংখ্য গান রয়েছে। যেগুলো থেকে বেরিয়ে আসে কালের ইতিহাস আর সমসাময়িক পরিস্থিতির কথা। কানাইয়ের মতো অসামান্য মানুষের কারণে সাহিত্য আর সমাজ ঘনিষ্ঠ হতে পেরেছে। সমৃদ্ধ হয়েছে ইতিহাস ও ঐতিহ্য।
প্রযুক্তির এ যুগে উইকিপিডিয়া যথেষ্ট নির্ভরযোগ্য সূত্র হয়ে উঠতে পারেনি। তবে এর সবচেয়ে ভালো দিক হচ্ছে, এটিকে গ্রহণযোগ্য উপায়ে পরিবর্তন, সংশোধন করার সুযোগ থাকে। পাগলা কানাইয়ের জীবন ও কর্ম সম্পর্কে সেখান থেকে উদ্ধৃত করছিÑ ‘পাগলা কানাই ১৮০৯ সালে তৎকালীন যশোর জেলার ঝিনাইদহ মহকুমার, বর্তমান ঝিনাইদহ জেলার, লেবুতলা গ্রামের এক দরিদ্র কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। কিন্তু তার জীবন কেটেছে বেড়বাড়িতে বোনের বাড়িতে। বাবার নাম কুড়ন শেখ, মায়ের নাম মোমেনা বিবি। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে কানাই সবার বড়। ভাইয়ের নাম উজ্জ্বল শেখ, বোন স্বরনারী। পাঠশালায় পড়াকালে তার বাবা কুড়ন শেখ মারা যান। পিতৃহারা কানাই ভবঘুরে হয়ে যান। জীবনের তাগিদে মোমেনা বিবি কোনো উপায়ন্ত না দেখে ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার চেউনে ভাটপাড়া গ্রামে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে কিছু দিনের মধ্যে তিনিও মারা যান। মা হারিয়ে কানাই ঝিনাইদহ জেলার হরিণাকু-ু উপজেলার বলরামপুরে ভরস ম-লের বাড়িতে রাখালির কাজ নেন। বোন স্বরনারী দুই ভাইকে সেখান থেকে নিজের আশ্রয়ে শ্বশুরবাড়ি পার্শ্ববর্তী মাগুরা জেলায় বেড়াতে নিয়ে আসেন। বোনের শ্বশুরবাড়ির অবস্থা ভালো হওয়ায় কানাইয়ের গান চর্চার রাস্তা আরও সহজ হয়। কানাই বোনের বাড়ির গরুর পাল চরাতেন আর গান বাঁধতেন, তাতে সুর দিতেন। ছোটবেলা থেকেই পাগলা কানাই দুরন্ত প্রকৃতির, পাগলাটে স্বভাবের এবং আধ্যাত্ম প্রেমে উদ্বুদ্ধ ছিলেন। এ খেয়ালীপনার জন্য শৈশবে স্নেহবশত লোকে তার নামের সঙ্গে পাগলা অভিধাটি যোগ করে দেন। তার কর্মকীর্তির সঙ্গে এ পাগলা উপাধিটি অভিন্ন সূত্রে গ্রথিত হয়েছে।
এ পর্যন্ত পাগলা কানাই রচিত গানের মধ্য মাত্র শ’তিনেক সংগৃহীত হয়েছে। মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন, ড. মাযহারুল ইসলাম, আবু তালিব, আমিন উদ্দিন শাহ, দুর্গাদাস লাহিড়ী, উপেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য প্রমুখ মনীষী পাগলা কানাইয়ের গানের সংগ্রহ ও গবেষণা করেছেন। ড. মাযহারুল ইসলাম রচিত কবি পাগলা কানাইকে নিয়ে প্রথম গ্রন্থটি প্রকাশ হয় ১৯৫৯ সালে। গ্রন্থে তার ২৪০টি গান সংকলিত হয়েছে। সর্বশেষ পাগলা কানাইকে নিয়ে বিশদ কাজটি করেছেন মুহ. মু’তাছিম বিল্লাহ মিন্টু। তিনি শিক্ষকতা পেশা থেকে অবসর নিয়েছেন ও ‘লোকরচনা’ সংগ্রহে সময় দিয়ে চলেছেন। ২০১৭ সালে প্রকাশিত ‘চারণ কবি পাগলা কানাই’ গ্রন্থটি প্রকাশ করে মুহ. মু’তাছিম বিল্লাহ মিন্টু কানাইচর্চার পথটি সুগম করেছেন।
পাগলা কানাইয়ের অসংখ্য ভক্ত ছিল, আছে, থাকবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু মানুষ তার সাহচর্য লাভ করে অমরত্বের তালিকায় নাম তুলেছেন। গ্রহকে ঘিরে উপগ্রহের মতোই নিরন্তর বিচরণ ছিল তাদের। কানাইয়ের এরকম কয়েকজন ঘনিষ্ঠ শিষ্য হলেন কালাচাঁদ বয়াতি, হাকিম শাহ, করিম বিশ্বাস, ইন্দু বিশ্বাস ও করমদ্দী।
ঝিনাইদহ সদর থেকে ৭ কিলোমিটার দূরে মরমি কবি পাগলা কানাইয়ের মাজার অবস্থিত। ঝিনাইদহ সদর থেকে অটোরিকশায় খুব সহজে যাওয়া যায়। ব্যক্তিগত বাহনে ঝিনাইদহ পাগলা কানাই ইউনিয়ন সদর থেকে পশ্চিম দিকে কিছু দূর গেলে দক্ষিণ দিকে একটা রাস্তা পাওয়া যাবে। এ রাস্তা থেকে সোজা পথে ৫ কিলোমিটার গেলেই দেখা মিলবে পাগলা কানাইয়ের মাজার। হ


আয়না সিরিজ
এনাম রাজু     এক   রাত কাটেÑ জলশূন্য মাছের মতো অথচ-আমি গাছে গাছে ঘুরি, চিৎকার আর্তনাদ নীরবতা
বিস্তারিত
আমরা হাঁটি শহীদ মিনারের দিকে
বিধ্বস্ত রক্ত ভেজা পলি, এভাবে গড়াগড়ি খায়Ñ হরিণির সাড়ে বারোহাত লাফ,
বিস্তারিত
নতুন যুগ
নতুন যুগ, তুমি তোমার ভালোবাসা দিয়ে আমাদের কাপড়, জ্বালানির কষ্ট মুছে
বিস্তারিত
প্রেমিক হব
প্রেমিক হওয়ার শখ? প্রেমিক হও, সন্ন্যাসি হও, বৈষ্ণব হও বিরহি হও, বাধা
বিস্তারিত
কবিতার বই ‘নিমগ্ন দহন’
বেশ কিছু কবিতা দিয়ে সাজানো হয়েছে ফখরুল হাসানের কবিতার বই
বিস্তারিত
প্রসন্ন সাঁঝের পাখি ও ভয়াল
পাটাতনে বসে আহত পালাসি-গাঙচিল বিস্ফারিত নয়নে আমাদের দেখছে। ধীরে ধীরে
বিস্তারিত