প্রসূতির নাইট শিফটে কাজ, মিসক্যারেজ হতে পারে!

প্রতীকী ছবি

মা হতে চাওয়া সব নারীরই সহজাত প্রবৃত্তি। কর্মজীবী নারী যারা চাকরির প্রয়োজনে কখনো কখনো রাত্রিকালীন দায়িত্ব পালন করে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে মা হওয়ার কিছুটা ঝুঁকি থেকে যায়।

প্রেগন্যান্ট অবস্থায় এক সপ্তাহে দু'দিন বা তার বেশি নাইট শিফটে কাজ করছেন? এতে কিন্তু আপনার মিসক্যারেজও হতে পারে। সম্প্রতি একটি গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। 

বলা হচ্ছে, রাত জেগে কাজ করা মানে, কৃত্রিম আলোর সামনে দীর্ঘ সময় থাকা। এর ফলে শরীরের স্বাভাবিক বডি ক্লক (দেহঘড়ি) নষ্ট হয়ে যায়। মেলাটনিন নামে এক ধরনের হরমোন যা প্রেগন্যান্সির সময় হবু মায়ের শরীরে অত্যন্ত জরুরি, তার ক্ষরণ প্রভাবিত হয়, অনেকটাই কমে আসে। অকুপেশনাল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল মেডিসিন জার্নালে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। 

এই গবেষণার জন্য প্রায় ২৩ হাজার গর্ভবতী নারীকে অংশগ্রহণ করানো হয়েছিল। গবেষণায় উঠে এসেছে, আট সপ্তাহের প্রেগন্যান্সির পর যে নারীরা নাইট শিফটে কাজ করেন তাদের মিসক্যারেজের সম্ভাবনা প্রায় ৩২ শতাংশ বেশি হয়। 

এরই সঙ্গে আগের বেশ কয়েকটি গবেষণায় উঠে এসেছে, নাইট শিফটে কাজ করা নারীদের ক্ষেত্রে সময়ের আগে মেনোপজ, কার্ডিওভাস্কুলার রোগ, অস্টিওপোরোসিস ও স্মৃতিভ্রমের আশঙ্কা বেশি থাকে।


বাবা-মায়ের তালাকে ‘মোটা হয় শিশুরা’
যাদের বাবা-মা এক সঙ্গে থাকে তাদের তুলনায় যেসব শিশুর বাবা-মায়ের
বিস্তারিত
কম বাজেটে ভ্রমণ! জেনে নিন
পকেট ফাঁকা, টাকার দেখা নেই বেশ কতদিন, কিন্তু কোথাও তো
বিস্তারিত
যে কারণে অকালে চুল ঝরে
টাক পড়ে যাওয়া এখন খুব স্বাভাবিক একটি বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিস্তারিত
কম ঘুমালে হবে যেসব ক্ষতি
সারা দিন কাজ ও নানা রকম চাপের কারণে অনেকে চার-পাঁচ
বিস্তারিত
ফরমালিনমুক্ত আম চিনবেন যেভাবে
বাজারে আম কিনতে গেলে বিপাকে পড়ে যান আপনি। ঠিক বুঝে
বিস্তারিত
সন্তান প্রতিবন্ধী হতে পারে স্বামী-স্ত্রীর
মহান আল্লাহতায়ালা প্রত্যেক পুরুষের জন্য স্ত্রী হিসেবে একজন নারীকে মনোনিত
বিস্তারিত